সংবাদ শিরোনাম ::
অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস দাদির ভিডিও বার্তা দেখে কাঁদলেন ভিনিসিয়ুস গঙ্গাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে জসীমউদ্দীন বাবুলের পথচলায় দোয়া ও সমর্থন–জনগণের সেবায় সফলতা কামনা লক্ষ্মীপুরের সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ: শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগে ভয়ংকর জালিয়াতির অভিযোগ ভোলাহাটে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ২০২৬ শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত!  নবাগত শিশুকে স্বাগত জানিয়ে গাছ লাগাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ফরিদপুরে নিখোঁজের তিনদিন পর কাশবন থেকে ৯ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ ভোলাহাটে মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের মাঝে “সখিনা-কলিম” মেধা প্রণোদনা বৃত্তি প্রকল্প বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠিত ভোলাহাটে বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ উদ্বোধন!

নিরুদ্দেশ প্রধান শিক্ষক বেতন তুলেন নিয়মিত

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্রায় দুই বছর ধরে প্রতিষ্ঠানে না গিয়েও বেতন তোলার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে। তবে শোকজ করার পর মাঝে একবার বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর সম্পন্ন করে রেখেছেন তিনি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করছেন অজ্ঞাত স্থান থেকে। এমন অভিযোগ উঠেছে উপজেলার ময়নাল হক উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক এটিএম আবদুল মতিনের বিরুদ্ধে। যে প্রতিষ্ঠানটি থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়া ১৮ পরিক্ষার্থীর সকলেই অকৃতকার্য হয়েছেন। ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটি মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে রূপান্তিত হয় এবং এবারই প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৮জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. একতে-খারুজ্জামান বলেন, যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে আসেন না। তার স্থলে কোনো ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে অজ্ঞাতস্থানে থাকা প্রধান শিক্ষক মতিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর থেকে তিনি বেশির ভাগ সময় তার মোবাইল ফোন বন্ধ রাখছেন। বিদ্যালয় পরিচালনার এডহক কমিটির সভাপতি এডভোকেট হাবিবুর রহমান বলেন, তাকে একবার নোটিশ করার পর বিদ্যালয়ে এসে হাজিরা খাতায় বকেয়া স্বাক্ষর করে গেছেন। তবে অনুপস্থিত থাকার যৌক্তিক কোনো কারণ জানাননি। এ ছাড়া একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার গ্রামনাহালী এএইচ দাখিল মাদ্রাসার কৃষিশিক্ষা বিষয়ক শিক্ষক সোজা উদ্দিনের বিরুদ্ধে। ২০২২ সাল থেকে ২০২৫ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থেকেও বেতন তুলেছেন তিনি। তবে এ বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে তার বেতন বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান আনিছুর রহমান। অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার হায়দার বলেন, বেতন বন্ধের বিষয়ে পদক্ষেপ এখতিয়ার আমাদের নেই, এটা স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের এখতিয়ার। তবে যে প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের সমস্যা রয়েছে আমরা সে সকল প্রতিষ্ঠানকে তাদের দিক থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেছি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস

নিরুদ্দেশ প্রধান শিক্ষক বেতন তুলেন নিয়মিত

আপডেট সময় ১২:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্রায় দুই বছর ধরে প্রতিষ্ঠানে না গিয়েও বেতন তোলার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে। তবে শোকজ করার পর মাঝে একবার বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর সম্পন্ন করে রেখেছেন তিনি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করছেন অজ্ঞাত স্থান থেকে। এমন অভিযোগ উঠেছে উপজেলার ময়নাল হক উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক এটিএম আবদুল মতিনের বিরুদ্ধে। যে প্রতিষ্ঠানটি থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়া ১৮ পরিক্ষার্থীর সকলেই অকৃতকার্য হয়েছেন। ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটি মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে রূপান্তিত হয় এবং এবারই প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৮জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. একতে-খারুজ্জামান বলেন, যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে আসেন না। তার স্থলে কোনো ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে অজ্ঞাতস্থানে থাকা প্রধান শিক্ষক মতিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর থেকে তিনি বেশির ভাগ সময় তার মোবাইল ফোন বন্ধ রাখছেন। বিদ্যালয় পরিচালনার এডহক কমিটির সভাপতি এডভোকেট হাবিবুর রহমান বলেন, তাকে একবার নোটিশ করার পর বিদ্যালয়ে এসে হাজিরা খাতায় বকেয়া স্বাক্ষর করে গেছেন। তবে অনুপস্থিত থাকার যৌক্তিক কোনো কারণ জানাননি। এ ছাড়া একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার গ্রামনাহালী এএইচ দাখিল মাদ্রাসার কৃষিশিক্ষা বিষয়ক শিক্ষক সোজা উদ্দিনের বিরুদ্ধে। ২০২২ সাল থেকে ২০২৫ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থেকেও বেতন তুলেছেন তিনি। তবে এ বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে তার বেতন বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান আনিছুর রহমান। অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার হায়দার বলেন, বেতন বন্ধের বিষয়ে পদক্ষেপ এখতিয়ার আমাদের নেই, এটা স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের এখতিয়ার। তবে যে প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের সমস্যা রয়েছে আমরা সে সকল প্রতিষ্ঠানকে তাদের দিক থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেছি।