ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বরগুনার আমতলীতে বস্তাবন্দি মরদেহ সনাক্ত, স্কুলছাত্র হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন ​ব্রাহ্মণপাড়ায় ১০ কেজি গাঁজাসহ কারবারি গ্রেপ্তার ইউজিসির ৪ সদস্য ও সচিব এর সাথে পবিপ্রবির ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার এর সৌজন্য সাক্ষাৎ ভালোবাসার সম্পর্কের পর বিয়ে, অনাগত সন্তানের বাবা কারাগারে-পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ম্যানেজ করে আবারও মাঠে মিঠু সিন্ডিকেট! কাজী জেসিনের নিয়োগে আইনি জটিলতা, সংশোধন করবে সরকার মাসিক বেতন ১০ হাজার, ৪ কোটির প্রাসাদে বসবাস কর্মচারীর! হত্যা মামলার আসামি ও সাময়িক বরখাস্ত মহিউদ্দীন ববি সংলগ্ন দপদপিয়া ব্রিজে বাস-মাহিন্দ্র সংঘর্ষে প্রাণহানি ১, আহত ৪
বাণিজ্য উপদেষ্টা

আগামী ৩ দিনের নন-শিডিউল ফ্লাইটের খরচ মওকুফ করা হয়েছে

ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগুনের ঘটনায় আগামী তিন দিনের সব নন-শিডিউল ফ্লাইটের খরচ মওকুফ করার কথা জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সেখ বশিরউদ্দীন।

রোববার (১৯ অক্টোবর) শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৮ নম্বর কার্গো গেটের সামনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, গতকাল দুপুর সোয়া ২টা নাগাদ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরপর ৩৭টি ফায়ার ইউনিট মিলে রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ আগুন নেভানো সম্ভব হয়। ড্যামেজ অ্যাসেসমেন্টের কাজ চলছে। ধ্বংসের অর্থনৈতিক ও ওজনের পরিমাণ নির্দিষ্ট করার চেষ্টা করছি। এ ছাড়া খাতভিত্তিক পরিমাণ নির্ণয়েরও চেষ্টা আমরা করছি।

তিনি বলেন, আমাদের করণীয় নির্দিষ্ট করার জন্য আজ বিকেল সাড়ে ৩টায় একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ডাকা হয়েছে। আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিল রাত ৯টা নাগাদ এয়ারপোর্ট চালু করা, আমরা সেটা করতে পেরেছি। প্রায় ২১টার মতো ফ্লাইট ডাইভার্ট ও ক্যানসেল (বাতিল) করতে হয়েছিল। যাত্রীসাধারণের কষ্ট লাঘব করার জন্য আমরা একটা অর্ডার ইস্যু করেছি। যার মাধ্যমে আগামী তিন দিন যত নন-শিডিউল ফ্লাইট আসবে, তার সমস্ত খরচ আমরা মওকুফ করে দেব।

তা ছাড়া যাত্রীদের খাওয়াদাওয়া, সেবার যাবতীয় দায়িত্ব আমরা গ্রহণ করেছি। তবে আমাদের প্রচেষ্টার পরেও কিছু ব্যত্যয় থেকে যেতে পারে। কারণ, একত্রিতভাবে আমাদের অনেক ইসু হ্যান্ডেল করতে হচ্ছে। যাত্রীসাধারণ যে কষ্ট পেয়েছেন, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।

এর আগে, শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর তখন আনুমানিক সোয়া ২টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আমদানি-রপ্তানির কার্গো ভিলেজ এলাকায় হঠাৎ ধোঁয়া দেখা যায়। দিনের আলোতেও আগুনের লেলিহান শিখা দূর থেকে দেখা যাচ্ছিল। আগুন ছড়িয়ে পড়লে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে। নির্ধারিত উড্ডয়ন ফ্লাইট স্থগিত রেখে অবতরণ ফ্লাইটগুলো ঘুরিয়ে দেওয়া হয় চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরে। এতে যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন। তবে রাত ৯টায় ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়।

ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি স্টেশনের ৩৭টি ইউনিট, বিমানবাহিনীর অগ্নিনির্বাপক ইউনিট এবং বেবিচকের নিজস্ব কর্মীরা আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেন। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও আনসার বাহিনী অগ্নিনির্বাপক দলকে সহায়তা করার পাশাপাশি নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রাত ৯টা ১৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

বাণিজ্য উপদেষ্টা

আগামী ৩ দিনের নন-শিডিউল ফ্লাইটের খরচ মওকুফ করা হয়েছে

আপডেট সময় ০৩:০৫:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগুনের ঘটনায় আগামী তিন দিনের সব নন-শিডিউল ফ্লাইটের খরচ মওকুফ করার কথা জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সেখ বশিরউদ্দীন।

রোববার (১৯ অক্টোবর) শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৮ নম্বর কার্গো গেটের সামনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, গতকাল দুপুর সোয়া ২টা নাগাদ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরপর ৩৭টি ফায়ার ইউনিট মিলে রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ আগুন নেভানো সম্ভব হয়। ড্যামেজ অ্যাসেসমেন্টের কাজ চলছে। ধ্বংসের অর্থনৈতিক ও ওজনের পরিমাণ নির্দিষ্ট করার চেষ্টা করছি। এ ছাড়া খাতভিত্তিক পরিমাণ নির্ণয়েরও চেষ্টা আমরা করছি।

তিনি বলেন, আমাদের করণীয় নির্দিষ্ট করার জন্য আজ বিকেল সাড়ে ৩টায় একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ডাকা হয়েছে। আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিল রাত ৯টা নাগাদ এয়ারপোর্ট চালু করা, আমরা সেটা করতে পেরেছি। প্রায় ২১টার মতো ফ্লাইট ডাইভার্ট ও ক্যানসেল (বাতিল) করতে হয়েছিল। যাত্রীসাধারণের কষ্ট লাঘব করার জন্য আমরা একটা অর্ডার ইস্যু করেছি। যার মাধ্যমে আগামী তিন দিন যত নন-শিডিউল ফ্লাইট আসবে, তার সমস্ত খরচ আমরা মওকুফ করে দেব।

তা ছাড়া যাত্রীদের খাওয়াদাওয়া, সেবার যাবতীয় দায়িত্ব আমরা গ্রহণ করেছি। তবে আমাদের প্রচেষ্টার পরেও কিছু ব্যত্যয় থেকে যেতে পারে। কারণ, একত্রিতভাবে আমাদের অনেক ইসু হ্যান্ডেল করতে হচ্ছে। যাত্রীসাধারণ যে কষ্ট পেয়েছেন, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।

এর আগে, শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর তখন আনুমানিক সোয়া ২টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আমদানি-রপ্তানির কার্গো ভিলেজ এলাকায় হঠাৎ ধোঁয়া দেখা যায়। দিনের আলোতেও আগুনের লেলিহান শিখা দূর থেকে দেখা যাচ্ছিল। আগুন ছড়িয়ে পড়লে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে। নির্ধারিত উড্ডয়ন ফ্লাইট স্থগিত রেখে অবতরণ ফ্লাইটগুলো ঘুরিয়ে দেওয়া হয় চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরে। এতে যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন। তবে রাত ৯টায় ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়।

ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি স্টেশনের ৩৭টি ইউনিট, বিমানবাহিনীর অগ্নিনির্বাপক ইউনিট এবং বেবিচকের নিজস্ব কর্মীরা আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেন। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও আনসার বাহিনী অগ্নিনির্বাপক দলকে সহায়তা করার পাশাপাশি নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রাত ৯টা ১৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।