রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা চেংমারী ইউনিয়নের ফকির হাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫০ শতাংশ জমি
বেদখল। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষ বলছেন আমি কিছুই জানি না। জানা গেছে উপজেলার ফকির হাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৪৫ ইং সালে ১.০৮ শতাংশ জমির উপর জমির স্থাপিত হয়। ০৮ শতাংশ জমির উপর ফকির হাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপনের পর গত ২১-১২-৪৫ ইং সালে বিদ্যালযের নামে মহিউদ্দিন সরকার নামের এক ব্যাক্তি গিলাঝুকি মৌজার জেএল নং১০৫-রে: সা: নং২২১ খতিয়ান নং১০ দাগ নং১৬৮৪ ১০০ (এক) একর জমি বিদ্যালয়ের নামে দলিল মুলে হস্তান্তর করেন। কিন্তুু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০৮ শতাংশ জমির মধ্যে কাগজে কলমে ৫০ শতাংশ জমি দখলে থাকরে ও ৫৮ শতাংশ জমি রয়েছে বেদখলে। এরই সুযোগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের৫৮ শতাংশ জমি এলাকার দাতা পরিবারের লোক জন বিগত সময়ের মাঠ জরিপে তাদের নিজেদের নামে করে নেন এবং ভোগদখলে রাখলে ও বিদ্যালয় কতূপক্ষ বেদখলকৃত জমি উদ্ধারে কোন পদক্ষেপ নেননি। তাদের নিজেরদের নামে রেকর্ডকৃত ওই জমি মৌখিক একই মাঠে অবস্থিত ফকির হাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে দান দেখিয়ে প্রকৃত জমি দাতা কে বাদ দিয়ে মতিয়ার রহমান সরকার নামের এক ব্যক্তিকে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে সাইনবোর্ড ঝুলিয়েছেন স্কুল কতৃপক্ বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০৮ শতাংশ জমির মধ্যে ৫০ শতাংশ জমি কাগজে কলমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে থাকলে ও অবশিষ্ট ৫৮ ৃ রয়েছে। এ বিষয়ে ফকির হাট সরকারীপ্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি বেদখল সংক্রান্ত বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা, মজনেবেগম মুখ খলতে নারাজ, একই মাঠে অবস্থিত ফকির হাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাংবাদিকদের উপস্থিতি দেখে বিদ্যালয় থেকে সটকে পড়ে স্কুল প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম এর
সংবাদ শিরোনাম ::
মিঠাপুকুরের ফকির হাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি বেদখল
-
আশিকুর রহমান, মিঠাপুকুর উপজেলা প্রতিনিধি, - আপডেট সময় ১১:৩৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
- ৬৯৪ বার পড়া হয়েছে
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ





















