ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা দক্ষিণ আফ্রিকায় পরিত্যক্ত খনিতে ঢুকে ১৪ জনের মৃত্যু আউটসোর্সিং ঠিকাদার প্রথা বাতিল না হলে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হবে না: শিমুল বিশ্বাস মির্জাপুরে নবাগত ইউএনও হিসেবে জহিরুল আলমের যোগদান ৩ জন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে পবিপ্রবি’র রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য মনোনয়ন দিলেন চ্যান্সেলর আদিতমারীতে সার আইন লঙ্ঘনে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা ৫ মাদরাসায় শতভাগ ফেল করায় সিসিটিভিকে দায়ী করলেন অধ্যক্ষ কম্ব্যাট পাইলট হয়ে দেশ ও জাতির সেবা করতে চায় জুয়ারিয়া ১৮ আগস্ট থেকে কুমিল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, ‘কাউকে ছাড় নয়’ ধামরাইয়ে রাইস মিল ও ৩ মিষ্টির দোকানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

মাদক সেবন ও লেনদেনের জেরে মেহেদিকে হত্যা করে তিন বন্ধু

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় মেহেদী হাসান (২৪) নামের এক যুবক হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মাদক সেবন ও টাকার লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের তিন বন্ধুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাঘাটা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশাহ আলম। এর আগে বিকেলে অভিযুক্ত তিন বন্ধুকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ঘুড়িদহ ইউনিয়নের ঝাড়াবর্ষা গ্রামের নিরঞ্জনের ছেলে স্বয়ন, আকবরের ছেলে শিপন ও গোপালের ছেলে উজ্জ্বল।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ অক্টোবর রাতে ঝাড়াবর্ষা গ্রামের এনামুল হকের ছেলে মেহেদী হাসান তার বন্ধুদের সঙ্গে নেশা জাতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট সেবন করেন। নেশা করা অবস্থায় মাদক কেনাবেচার টাকা নিয়ে মেহেদীর সঙ্গে তার বন্ধুদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে একপর্যায়ে তারা শ্বাসরোধ করে মেহেদীকে হত্যা করে এবং ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে প্রমাণ করার জন্য নিহতের বড় ভাই বেল্লাল হোসেনের বসতবাড়ির পরিত্যক্ত কক্ষে দরজার সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখে।

পরদিন (১৪ অক্টোবর) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে স্থানীয়দের মুখে জানতে পারে, হত্যার রাতে স্বয়ন, শিপন ও উজ্জ্বল মেহেদীর সঙ্গে ছিলেন। পরে সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তারা হত্যার কথা স্বীকার করে।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই বেলাল হোসেন বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামি করে সাঘাটা থানায় মামলা দায়ের করেন।

ওসি বাদশাহ আলম বলেন, হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত তিন বন্ধুকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। এছাড়াও এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাগ্নি-জামাই-ভাগিনা’দের দাপটে সক্রিয় আওয়ামী দুর্নীতিবাজরা

মাদক সেবন ও লেনদেনের জেরে মেহেদিকে হত্যা করে তিন বন্ধু

আপডেট সময় ১০:৫৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় মেহেদী হাসান (২৪) নামের এক যুবক হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মাদক সেবন ও টাকার লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের তিন বন্ধুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাঘাটা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশাহ আলম। এর আগে বিকেলে অভিযুক্ত তিন বন্ধুকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ঘুড়িদহ ইউনিয়নের ঝাড়াবর্ষা গ্রামের নিরঞ্জনের ছেলে স্বয়ন, আকবরের ছেলে শিপন ও গোপালের ছেলে উজ্জ্বল।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ অক্টোবর রাতে ঝাড়াবর্ষা গ্রামের এনামুল হকের ছেলে মেহেদী হাসান তার বন্ধুদের সঙ্গে নেশা জাতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট সেবন করেন। নেশা করা অবস্থায় মাদক কেনাবেচার টাকা নিয়ে মেহেদীর সঙ্গে তার বন্ধুদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে একপর্যায়ে তারা শ্বাসরোধ করে মেহেদীকে হত্যা করে এবং ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে প্রমাণ করার জন্য নিহতের বড় ভাই বেল্লাল হোসেনের বসতবাড়ির পরিত্যক্ত কক্ষে দরজার সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখে।

পরদিন (১৪ অক্টোবর) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে স্থানীয়দের মুখে জানতে পারে, হত্যার রাতে স্বয়ন, শিপন ও উজ্জ্বল মেহেদীর সঙ্গে ছিলেন। পরে সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তারা হত্যার কথা স্বীকার করে।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই বেলাল হোসেন বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামি করে সাঘাটা থানায় মামলা দায়ের করেন।

ওসি বাদশাহ আলম বলেন, হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত তিন বন্ধুকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। এছাড়াও এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।