নৌ পুলিশের ধাওয়া খেয়ে তেঁতুলিয়া নদীতে ঝাঁপ দেওয়া নিখোঁজ রাসেল খান (৩২) নামের এক যুবকের এখন পর্যন্ত কোনো সন্ধান মেলেনি। তার সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
শনিবার সন্ধ্যার দিকে বাউফল নৌ পুলিশের ধাওয়া খেয়ে রাসেল খান তেঁতুলিয়ায় ঝাঁপ দেন।
জানা গেছে, রাসেল খান অবরোধের সুযোগে ইলিশ মাছ কিনতে গিয়ে শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিন বন্ধুর সঙ্গে তেঁতুলিয়া নদীতে যায়। তখন নৌ পুলিশের ধাওয়ার মুখে তিনি তেঁতুলিয়া নদীর কচুয়া-ডালিমা পয়েন্টে ঝাঁপ দেন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন।
রাসেল খান উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বড়ডালিমা গ্রামের ইউসুফ খানের ছেলে। পেশায় একজন দর্জি। তার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বড়ডালিমা ব্রিজ এলাকায় তার দর্জির দোকান রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, অবরোধের সুযোগে কম দামে ইলিশ মাছ কিনতে ট্রলারযোগে রাকিব, হাসান ও মাহবুব নামে তিন বন্ধুর সঙ্গে তেঁতুলিয়া নদীতে যায় রাসেল। হঠাৎ নদীতে মা ইলিশ রক্ষাকারী নৌ পুলিশের টহল টিমের একটি স্পিডবোর্ড তাদের ট্রলারকে ধাওয়া করলে রাসেল খান নদীতে ঝাঁপ দেয়।
রাসেল খানের ৬ষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে মো. রিফাত জানায়, নৌ পুলিশের স্পিডবোর্ডের ধাওয়ায় ভয় পেয়ে তার বাবা নদীতে ঝাঁপ দিতে পারে। এছাড়া অন্য কোনো কারণও হতে পারে। স্পিডবোর্ডে থাকা লোকজনের উচিত ছিল ভয় না ধরিয়ে তাকে আটক করা। তাহলে হয়তো তার বাবা নিখোঁজ হতো না।
কালাইয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ মামুন জানান, মা ইলিশ রক্ষাকারী স্পিডবোর্ড দেখে ভয়ে নদীতে লাফিয়ে পড়লে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। উদ্ধারকারী ফায়ার সার্ভিসের টিমের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতেছেন।
উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া আব্দুল্লাহ ও ইমরান নামে ফায়ার সার্ভিস টিমের দুই জন ডুবুরি জানায়, সাধারণত এক কিলোমিটারের মধ্যে এই লাশটি থাকার কথা। তবে তেঁতুলিয়া নদীর স্রোত বেশি হওয়ার কারণে তিন-চার কিলোমিটারের ভেতরে থাকতে পারে। আমাদের উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে।
সংবাদ শিরোনাম ::
বাউফলে ইলিশ কিনতে গিয়ে পুলিশের ভয়ে নদীতে ঝাঁপ; ২৪ ঘণ্টাতেও সন্ধান মেলেনি
-
মোঃ রুবেল হোসেন বাউফল প্রতিনিধ - আপডেট সময় ০৯:২১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
- ৬৩৪ বার পড়া হয়েছে
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ






















