ঢাকা ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন দুটি কেন? গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা স্বপন-মান্নানের থাবায় তছনছ পিয়াইন নদী ধামরাইয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা দল সভাপতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে জসিম খানের নিজ অর্থায়নে গাছের চারা বিতরণ নওগাঁয় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ প্রেসক্লাব গংগাচড়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময়  ফরিদপুরে ছেঁড়া-ফাটা ও অতি পুরাতন টাকায় চরম ভোগান্তি  শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

খাগড়াছড়িতে অবরোধ স্থগিত

শারদীয় দুর্গোৎসবকে সম্মান জানিয়ে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপস্থাপিত আট দফা দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে খাগড়াছড়িতে চলমান অবরোধ কর্মসূচি মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১১টা থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করেছে জুম্ম ছাত্র জনতা।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়িতে এক স্কুলপড়ুয়া কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে তারা ধারাবাহিক শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ২৭ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি ও ২৮ সেপ্টেম্বর গুইমারায় অবরোধ চলাকালে সংঘর্ষে তিনজন নিহত ও অন্তত ১৬ জন আহত হন। হামলাকারীরা বসতবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায় বলে অভিযোগ সংগঠনের।

এ পরিস্থিতিতে ২৯ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভায় জুম্ম ছাত্র জনতার ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল প্রশাসনের কাছে আট দফা দাবি পেশ করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবিগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হয় এবং অবরোধ প্রত্যাহার করা হলে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহারের কথাও জানানো হয়। ইতোমধ্যে গুইমারা হামলার তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার, পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েলসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মঙ্গলবার দুপুরে গুইমারার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।

জুম্ম ছাত্র জনতা জানিয়েছে, তাদের আন্দোলন কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। সংগঠনের সমন্বয়ক ও বিএমএসসির ছাত্রনেতা উক্যনু মারমা বলেন, আমাদের আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও ন্যায়বিচার আদায় করা।

সংগঠনের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়, প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৮ দফা দাবি সময়মতো বাস্তবায়িত না হলে পুনরায় কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা

খাগড়াছড়িতে অবরোধ স্থগিত

আপডেট সময় ০৯:২৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

শারদীয় দুর্গোৎসবকে সম্মান জানিয়ে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপস্থাপিত আট দফা দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে খাগড়াছড়িতে চলমান অবরোধ কর্মসূচি মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১১টা থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করেছে জুম্ম ছাত্র জনতা।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়িতে এক স্কুলপড়ুয়া কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে তারা ধারাবাহিক শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ২৭ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি ও ২৮ সেপ্টেম্বর গুইমারায় অবরোধ চলাকালে সংঘর্ষে তিনজন নিহত ও অন্তত ১৬ জন আহত হন। হামলাকারীরা বসতবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায় বলে অভিযোগ সংগঠনের।

এ পরিস্থিতিতে ২৯ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভায় জুম্ম ছাত্র জনতার ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল প্রশাসনের কাছে আট দফা দাবি পেশ করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবিগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হয় এবং অবরোধ প্রত্যাহার করা হলে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহারের কথাও জানানো হয়। ইতোমধ্যে গুইমারা হামলার তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার, পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েলসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মঙ্গলবার দুপুরে গুইমারার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।

জুম্ম ছাত্র জনতা জানিয়েছে, তাদের আন্দোলন কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। সংগঠনের সমন্বয়ক ও বিএমএসসির ছাত্রনেতা উক্যনু মারমা বলেন, আমাদের আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও ন্যায়বিচার আদায় করা।

সংগঠনের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়, প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৮ দফা দাবি সময়মতো বাস্তবায়িত না হলে পুনরায় কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।