ঢাকা ০১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদ্যুতিক তারে ‘বোমা’ আতঙ্ক, বক্সে বাজল শেখ মুজিবের ভাষণ! মুরাদনগরে মাদকের বিরুদ্ধে ওসির কঠোর হুঁশিয়ারি, থানায় স্থাপন অভিযোগ বাক্স সমৃদ্ধ দেশ গড়ার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন খালেদা জিয়া : মির্জা ফখরুল ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরসহ রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার নাহিদকে ইনবক্স চেক করতে বললেন মেঘনা আলম, রহস্যটা কী? খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে আজ দেশজুড়ে বিএনপির দোয়া ও মিলাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ৯৩ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ ছয় মাসে সরকারের অধিকাংশ নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন হয়েছে : রিজভী মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এল সোনার ভাণ্ডার, মূল্য ১২০ কোটি টাকা সন্ধ্যার মধ্যে ৬ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত

নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ চালু করতে দ্রুত আইন সংশোধন চান ইসি কর্মকর্তারা

‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ নামে আলাদা সার্ভিস চালুর লক্ষ্যে বিদ্যমান আইন দ্রুত সংশোধন চায় নির্বাচন কর্মকর্তারা। পাশাপাশি সংসদ নির্বাচন পরিচালনার মূল দায়িত্ব এসব কর্মকর্তাদের রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিইসিএএ)।

সম্প্রতি বিইসিএএ আহ্বায়ক কমিটির সভায় পাঁচ দফা দাবি জানান কর্মকর্তারা। নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক ও উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন।

বর্তমান নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অধীনে ৫ হাজারেও বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে ইসির। বদিউল আলম মজুমদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশে রয়েছে-একটি আইন প্রণয়নের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি পৃথক সার্ভিস সৃষ্টির বিধান করা। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন, ২০০৯ এ সংশোধনী আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

আইন সংশোধন করে অধ্যাদেশ জারি করার প্রস্তাবে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব এবং অন্যান্য কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য নির্বাচন কমিশন সার্ভিস নামে আলাদা একটি সার্ভিস থাকবে। এই সার্ভিস প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সচিব এবং অন্যান্য কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বিদ্যমান ইসি সচিবালয় আইন সংশোধন চেয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে খসড়া পাঠানো হয়েছে।

১. নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশের আলোকে “নির্বাচন কমিশন সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫” দ্রুত জারি করে ‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ গঠন এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কমিশনের নিজস্ব কর্মকর্তাদের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব প্রদান।
২. পদসৃজন, আপগ্রেডেশন ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিকসহ প্রস্তাবিত অর্গানোগ্রাম অনুমোদন।
৩. জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন–২০২৩ বাতিল করে জাতীয় পরিচয়পত্র কার্যক্রম নির্বাচন কমিশনের নিকট হস্তান্তর।
৪. অ্যাসোসিয়েশনের যৌক্তিক প্রস্তাব বাস্তবায়নে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে নির্বাচন ভবনে মাননীয় কমিশনের উপস্থিতিতে জরুরি সাধারণ সভা আয়োজনের লক্ষ্যে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টায় জুম প্ল্যাটফর্মে সভা আহ্বান।
৫. উপজেলা ইলেকশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের দাবি ও কর্মসূচির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ।

সংসদ নির্বাচনে জেলা প্রশাসকদের রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়ে থাকে ইসি। আর তাদের সহায়ক হিসেবে কাজ করেন ইসি কর্মকর্তারা। তবে উপ-নির্বাচনগুলোতে নিজস্ব কর্মকর্তাদের দায়িত্বটি দেওয়া হয়। এখন থেকে তারা সাধারণ নির্বাচনেও দায়িত্বটি নিতে চান।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদ্যুতিক তারে ‘বোমা’ আতঙ্ক, বক্সে বাজল শেখ মুজিবের ভাষণ!

নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ চালু করতে দ্রুত আইন সংশোধন চান ইসি কর্মকর্তারা

আপডেট সময় ০২:৫৪:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ নামে আলাদা সার্ভিস চালুর লক্ষ্যে বিদ্যমান আইন দ্রুত সংশোধন চায় নির্বাচন কর্মকর্তারা। পাশাপাশি সংসদ নির্বাচন পরিচালনার মূল দায়িত্ব এসব কর্মকর্তাদের রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিইসিএএ)।

সম্প্রতি বিইসিএএ আহ্বায়ক কমিটির সভায় পাঁচ দফা দাবি জানান কর্মকর্তারা। নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক ও উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন।

বর্তমান নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অধীনে ৫ হাজারেও বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে ইসির। বদিউল আলম মজুমদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশে রয়েছে-একটি আইন প্রণয়নের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি পৃথক সার্ভিস সৃষ্টির বিধান করা। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন, ২০০৯ এ সংশোধনী আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

আইন সংশোধন করে অধ্যাদেশ জারি করার প্রস্তাবে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব এবং অন্যান্য কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য নির্বাচন কমিশন সার্ভিস নামে আলাদা একটি সার্ভিস থাকবে। এই সার্ভিস প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সচিব এবং অন্যান্য কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বিদ্যমান ইসি সচিবালয় আইন সংশোধন চেয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে খসড়া পাঠানো হয়েছে।

১. নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশের আলোকে “নির্বাচন কমিশন সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫” দ্রুত জারি করে ‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ গঠন এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কমিশনের নিজস্ব কর্মকর্তাদের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব প্রদান।
২. পদসৃজন, আপগ্রেডেশন ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিকসহ প্রস্তাবিত অর্গানোগ্রাম অনুমোদন।
৩. জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন–২০২৩ বাতিল করে জাতীয় পরিচয়পত্র কার্যক্রম নির্বাচন কমিশনের নিকট হস্তান্তর।
৪. অ্যাসোসিয়েশনের যৌক্তিক প্রস্তাব বাস্তবায়নে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে নির্বাচন ভবনে মাননীয় কমিশনের উপস্থিতিতে জরুরি সাধারণ সভা আয়োজনের লক্ষ্যে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টায় জুম প্ল্যাটফর্মে সভা আহ্বান।
৫. উপজেলা ইলেকশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের দাবি ও কর্মসূচির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ।

সংসদ নির্বাচনে জেলা প্রশাসকদের রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়ে থাকে ইসি। আর তাদের সহায়ক হিসেবে কাজ করেন ইসি কর্মকর্তারা। তবে উপ-নির্বাচনগুলোতে নিজস্ব কর্মকর্তাদের দায়িত্বটি দেওয়া হয়। এখন থেকে তারা সাধারণ নির্বাচনেও দায়িত্বটি নিতে চান।