ঢাকা ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিয়োগ-বদলি বাণিজ্যে দুর্নীতির আগুনে ফায়ার সার্ভিস আত্রাইয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে তরুণের করুন মৃত্যু অনিয়ম-দুর্নীতিতে ডিএসইর ২২ ব্রোকারেজ হাউসে লেনদেন বন্ধ ভূমধ্যসাগরে ভাসতে থাকা নৌকা থেকে ২৯ বাংলাদেশি উদ্ধার, ১০ জনের মৃত্যু সাফল্যের সুতোয় স্বপ্ন বুনে বিশ্বজয়ের পথে উইন্ডি গ্রুপ যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদেরকে নজরদারিতে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডেমরায় বাড়ি থেকে ২ বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার জাপানে ভারি বৃষ্টিতে ৮ জনের মৃত্যু, টোকিও বিমানবন্দরে আটকা হাজারো যাত্রী মোংলা নদীতে দশম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণ হবে : নৌপরিবহনমন্ত্রী যারা পালিয়ে যায়, তার আর দেশে ফিরতে পারে না: রিজভী

প্রেমের টানে রাজবাড়ীতে এসে বিয়ে করলেন চীনা যুবক

প্রেমের টানে চীন থেকে রাজবাড়ীতে এসে স্থানীয় এক তরুণীকে বিয়ে করেছেন চীনের নাগরিক ঝং কেজুন (৪৬)। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ নবদম্পতিকে একনজর দেখতে ভিড় করছেন তাদের বাড়িতে।

জানা গেছে, এক বছর আগে চীনের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম লিটল রেড বুক-এ পরিচয় হয় তাদের। বাংলাদেশি তরুণীর নাম রুমা খাতুন (২১)। তিনি রাজবাড়ী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিনোদপুর গ্রামের অটোচালক মো. বাবু খানের মেয়ে। পরিচয়ের কিছুদিন পর তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। সেই সম্পর্কের টানেই ঝং কেজুন পাড়ি জমান বাংলাদেশে।

গত ২ সেপ্টেম্বর রাজবাড়ী নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে রুমা খাতুনকে বিয়ে করেন ঝং কেজুন। পরে স্থানীয় মসজিদের ইমামের মাধ্যমে ৩ লাখ টাকা কাবিনে তাদের ইসলামি বিবাহ সম্পন্ন হয়। বর্তমানে নবদম্পতি রুমার বারার বাড়িতেই বসবাস করছেন।

রুমা খাতুন বলেন, আমি এসএসসি পাস করার পর আর পড়ালেখা করিনি। এক বছর আগে ‘লিটল রেড বুক’ এ ঝং কেজুনের সঙ্গে পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এবং আমরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেই। সে প্রথমে বাংলাদেশে এসে আমাদের বাড়িতে আসে। তখন পরিবার রাজি না থাকায় সে ফরিদপুরে চলে যায়। পরে পরিবারের সম্মতিতে ২ সেপ্টেম্বর কোর্টে বিয়ে করি। এখন আমরা সুখে সংসার করছি। সে আমাকে চীনে নিয়ে যাবে। সকলের কাছে দোয়া চাই।

রুমার বাবা মো. বাবু খান বলেন, প্রথমে আমি এই বিয়েতে রাজি ছিলাম না। পরে জামাই এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিই। মেয়ে রাজি থাকায় তাদের বিয়ে দিতে রাজি হই। এখন জামাই আমার বাড়িতেই আছে। সে জানিয়েছে, মেয়েকে চীনে নিয়ে যাবে।

স্থানীয়রা জানান, চীনের একজন যুবক এসে রাজবাড়ীর একটি মেয়েকে বিয়ে করেছেন এ খবরে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ নবদম্পতিকে দেখতে তাদের বাড়িতে আসছেন। দিন যত যাচ্ছে, দর্শনার্থীর ভিড়ও তত বাড়ছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিয়োগ-বদলি বাণিজ্যে দুর্নীতির আগুনে ফায়ার সার্ভিস

প্রেমের টানে রাজবাড়ীতে এসে বিয়ে করলেন চীনা যুবক

আপডেট সময় ০৫:১৪:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

প্রেমের টানে চীন থেকে রাজবাড়ীতে এসে স্থানীয় এক তরুণীকে বিয়ে করেছেন চীনের নাগরিক ঝং কেজুন (৪৬)। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ নবদম্পতিকে একনজর দেখতে ভিড় করছেন তাদের বাড়িতে।

জানা গেছে, এক বছর আগে চীনের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম লিটল রেড বুক-এ পরিচয় হয় তাদের। বাংলাদেশি তরুণীর নাম রুমা খাতুন (২১)। তিনি রাজবাড়ী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিনোদপুর গ্রামের অটোচালক মো. বাবু খানের মেয়ে। পরিচয়ের কিছুদিন পর তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। সেই সম্পর্কের টানেই ঝং কেজুন পাড়ি জমান বাংলাদেশে।

গত ২ সেপ্টেম্বর রাজবাড়ী নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে রুমা খাতুনকে বিয়ে করেন ঝং কেজুন। পরে স্থানীয় মসজিদের ইমামের মাধ্যমে ৩ লাখ টাকা কাবিনে তাদের ইসলামি বিবাহ সম্পন্ন হয়। বর্তমানে নবদম্পতি রুমার বারার বাড়িতেই বসবাস করছেন।

রুমা খাতুন বলেন, আমি এসএসসি পাস করার পর আর পড়ালেখা করিনি। এক বছর আগে ‘লিটল রেড বুক’ এ ঝং কেজুনের সঙ্গে পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এবং আমরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেই। সে প্রথমে বাংলাদেশে এসে আমাদের বাড়িতে আসে। তখন পরিবার রাজি না থাকায় সে ফরিদপুরে চলে যায়। পরে পরিবারের সম্মতিতে ২ সেপ্টেম্বর কোর্টে বিয়ে করি। এখন আমরা সুখে সংসার করছি। সে আমাকে চীনে নিয়ে যাবে। সকলের কাছে দোয়া চাই।

রুমার বাবা মো. বাবু খান বলেন, প্রথমে আমি এই বিয়েতে রাজি ছিলাম না। পরে জামাই এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিই। মেয়ে রাজি থাকায় তাদের বিয়ে দিতে রাজি হই। এখন জামাই আমার বাড়িতেই আছে। সে জানিয়েছে, মেয়েকে চীনে নিয়ে যাবে।

স্থানীয়রা জানান, চীনের একজন যুবক এসে রাজবাড়ীর একটি মেয়েকে বিয়ে করেছেন এ খবরে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ নবদম্পতিকে দেখতে তাদের বাড়িতে আসছেন। দিন যত যাচ্ছে, দর্শনার্থীর ভিড়ও তত বাড়ছে।