সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক ও ধর্ষকের পক্ষে তদবির করলে নেতাদেরও হাজতে পাঠানো হবে: আইনমন্ত্রী সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে ঝিনাইগাতী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পবিপ্রবি’র হিট প্রজেক্টের দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত জন্মদিনের আনন্দের একদিন পরই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর আকস্মিক মৃত্যু মাদকমুক্ত ফুলবাড়ী উপজেলা গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে জনসচেতনামূলক শোভাযাত্রা ১৫ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেবো না : প্রধানমন্ত্রী ৪২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে কঠিন বিপদে বাংলাদেশ এনবিআর কর্মকর্তা সম্পদের পাহাড় গড়ে হাজার কোটি টাকা লুট করে পালালেন শহিদুল যমুনা অয়েলে গণবদলি নিয়ে আলোচনা, তালিকায় নেই আওয়ামী পন্থী দেলোয়ার সিন্ডিকেট

কেউ মেঝেতে, কেউবা বেডে শুয়ে কাতরাচ্ছেন

কেউ মেঝেতে পড়ে আছেন, কেউবা বেডে শুয়ে কাতরাচ্ছেন। কারও মাথায় ব্যান্ডেজ, কারও পায়ে ব্যান্ডেজ। কারও আবার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালিটি বিভাগে ঢুকলে এ দৃশ্য চোখে পড়ে। আহতরা সবাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী।

রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুরে স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষে তারা আহত হন। তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি গাড়িতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেলের জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত প্রায় ৪০ জন চিকিৎসা নিতে এসেছেন। এদের মধ্যে অনেকেরই অবস্থা গুরুতর।

জরুরি বিভাগে কর্মরত একজন মেডিকেল অফিসার কালবেলাকে বলেন, এখন পর্যন্ত আনুমানিক ৪০ জন চিকিৎসা নিতে এসেছেন। আমরা এখনো হিসাব করিনি। আঘাতের ধরন দেখে বিভিন্ন ওয়ার্ডে পাঠিয়ে দিচ্ছি।
ক্যাজুয়ালিটি ওয়ার্ডে কর্মরত মেডিকেল অফিসার কালবেলাকে বলেন, দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত আমাদের এখানে ১৬ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ৪-৫ জনের অবস্থা গুরুতর। তাদের বিভিন্ন ওয়ার্ডে পাঠানো হয়েছে।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন কালবেলাকে বলেন, এখন পর্যন্ত ৪০ থেকে ৪৫ শিক্ষার্থী এসেছে। তাদের মধ্যে আশঙ্কাজনক কেউ নেই। আহতদের ২৮নং ও ক্যাজুয়ালিটি ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ভাড়া বাসার দারোয়ান কর্তৃক এক ছাত্রীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার (৩০ আগস্ট) রাত সোয়া ১২টা থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত বিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ ও অন্তত ১৮০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এ ঘটনায় তাদের পক্ষের আহত হয়েছেন অন্তত ১০ থেকে ১২ জন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদক ও ধর্ষকের পক্ষে তদবির করলে নেতাদেরও হাজতে পাঠানো হবে: আইনমন্ত্রী

কেউ মেঝেতে, কেউবা বেডে শুয়ে কাতরাচ্ছেন

আপডেট সময় ০৪:৪১:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

কেউ মেঝেতে পড়ে আছেন, কেউবা বেডে শুয়ে কাতরাচ্ছেন। কারও মাথায় ব্যান্ডেজ, কারও পায়ে ব্যান্ডেজ। কারও আবার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালিটি বিভাগে ঢুকলে এ দৃশ্য চোখে পড়ে। আহতরা সবাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী।

রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুরে স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষে তারা আহত হন। তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি গাড়িতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেলের জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত প্রায় ৪০ জন চিকিৎসা নিতে এসেছেন। এদের মধ্যে অনেকেরই অবস্থা গুরুতর।

জরুরি বিভাগে কর্মরত একজন মেডিকেল অফিসার কালবেলাকে বলেন, এখন পর্যন্ত আনুমানিক ৪০ জন চিকিৎসা নিতে এসেছেন। আমরা এখনো হিসাব করিনি। আঘাতের ধরন দেখে বিভিন্ন ওয়ার্ডে পাঠিয়ে দিচ্ছি।
ক্যাজুয়ালিটি ওয়ার্ডে কর্মরত মেডিকেল অফিসার কালবেলাকে বলেন, দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত আমাদের এখানে ১৬ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ৪-৫ জনের অবস্থা গুরুতর। তাদের বিভিন্ন ওয়ার্ডে পাঠানো হয়েছে।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন কালবেলাকে বলেন, এখন পর্যন্ত ৪০ থেকে ৪৫ শিক্ষার্থী এসেছে। তাদের মধ্যে আশঙ্কাজনক কেউ নেই। আহতদের ২৮নং ও ক্যাজুয়ালিটি ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ভাড়া বাসার দারোয়ান কর্তৃক এক ছাত্রীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার (৩০ আগস্ট) রাত সোয়া ১২টা থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত বিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ ও অন্তত ১৮০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এ ঘটনায় তাদের পক্ষের আহত হয়েছেন অন্তত ১০ থেকে ১২ জন।