ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাফল্যের সুতোয় স্বপ্ন বুনে বিশ্বজয়ের পথে উইন্ডি গ্রুপ যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদেরকে নজরদারিতে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডেমরায় বাড়ি থেকে ২ বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার জাপানে ভারি বৃষ্টিতে ৮ জনের মৃত্যু, টোকিও বিমানবন্দরে আটকা হাজারো যাত্রী মোংলা নদীতে দশম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণ হবে : নৌপরিবহনমন্ত্রী যারা পালিয়ে যায়, তার আর দেশে ফিরতে পারে না: রিজভী শিক্ষার মানোন্নয়ন সভায় শিক্ষকদেরই ঠাঁই হলো না মঞ্চে; কালিহাতীতে তীব্র ক্ষোভ বিদ্যুৎ-গ্যাসের সমস্যা সমাধানে অন্তত দুই বছর লাগবে : অর্থমন্ত্রী বংশালে হেলমেটের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট অনার্স পর্যন্ত নারীদের ফ্রিতে পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

অন্তর্বর্তী সরকারেও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি: টিআইবি

অন্তর্বর্তী সরকারের একবছরে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি উল্লেখ করে ভিন্ন প্রক্রিয়া ও ভিন্ন উপায়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব, অবাধ তথ্য প্রবাহ ও জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতের বিষয়টি গুরুত্ব পায়নি বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সোমবার (৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে টিআইবির কার্যালয়ে ‘কর্তৃত্ববাদী সরকার পতন-পরবর্তী এক বছর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করা হয়।
টিআইবি গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণে বলছে, সাংবাদিক, লেখক ও মানবাধিকারকর্মীদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। ৪৯৬ জন সাংবাদিক হয়রানির শিকার, এর মধ্যে ২৬৬ জনকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংক্রান্ত হত্যা মামলার আসামি করা; তিন জন সাংবাদিক দায়িত্ব পালনকালে হামলায় নিহত (আগস্ট ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত); ২৪ জনের বেশি গণমাধ্যমকর্মীকে পদ থেকে অপসারণ; আটটি সংবাদপত্রের সম্পাদক এবং ১১টি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের বার্তা প্রধান বরখাস্ত, অন্তত ১৫০ জন সাংবাদিক চাকরিচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে।

পর্যবেক্ষণে টিআইবি বলছে, মব তৈরি করে গণমাধ্যম কার্যালয়গুলোতে আতঙ্ক সৃষ্টি, প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড নিয়ে সরকারের বিতর্কিত কার্যক্রম, তিন দফায় ১৬৭ জন সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল; সচিবালয়ে অগ্নিকাণ্ডে সাংবাদিকদের প্রবেশ সীমাবদ্ধ করা; প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা ২০২২ সংশোধন, তথ্য কমিশন কার্যকর করা এবং তথ্য অধিকার আইনের প্রয়োজনীয় সংস্কারের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের উদাসীনতা রয়েছে।

টিআইবি তার মন্তব্যে আরও বলছে, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে কিছু ক্ষেত্রে সংশোধন হলেও জাতিসংঘের কিছু সুপারিশ না মানা- কিছু ক্ষেত্রে অস্পষ্ট সংজ্ঞা মতপ্রকাশে বাধা হওয়া এবং কোনো কোনো ধারায় আইনের অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছে। অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণমূলক ও নজরদারিমূলক আইনি কাঠামো সৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে।

টিআইবি জানায়, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত না করা; সরকারি দপ্তরসমূহে তথ্য গোপন করার প্রবণতা, স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশ না করার চর্চা অব্যাহত রয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাফল্যের সুতোয় স্বপ্ন বুনে বিশ্বজয়ের পথে উইন্ডি গ্রুপ

অন্তর্বর্তী সরকারেও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি: টিআইবি

আপডেট সময় ০১:৪১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের একবছরে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি উল্লেখ করে ভিন্ন প্রক্রিয়া ও ভিন্ন উপায়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব, অবাধ তথ্য প্রবাহ ও জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতের বিষয়টি গুরুত্ব পায়নি বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সোমবার (৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে টিআইবির কার্যালয়ে ‘কর্তৃত্ববাদী সরকার পতন-পরবর্তী এক বছর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করা হয়।
টিআইবি গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণে বলছে, সাংবাদিক, লেখক ও মানবাধিকারকর্মীদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। ৪৯৬ জন সাংবাদিক হয়রানির শিকার, এর মধ্যে ২৬৬ জনকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংক্রান্ত হত্যা মামলার আসামি করা; তিন জন সাংবাদিক দায়িত্ব পালনকালে হামলায় নিহত (আগস্ট ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত); ২৪ জনের বেশি গণমাধ্যমকর্মীকে পদ থেকে অপসারণ; আটটি সংবাদপত্রের সম্পাদক এবং ১১টি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের বার্তা প্রধান বরখাস্ত, অন্তত ১৫০ জন সাংবাদিক চাকরিচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে।

পর্যবেক্ষণে টিআইবি বলছে, মব তৈরি করে গণমাধ্যম কার্যালয়গুলোতে আতঙ্ক সৃষ্টি, প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড নিয়ে সরকারের বিতর্কিত কার্যক্রম, তিন দফায় ১৬৭ জন সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল; সচিবালয়ে অগ্নিকাণ্ডে সাংবাদিকদের প্রবেশ সীমাবদ্ধ করা; প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা ২০২২ সংশোধন, তথ্য কমিশন কার্যকর করা এবং তথ্য অধিকার আইনের প্রয়োজনীয় সংস্কারের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের উদাসীনতা রয়েছে।

টিআইবি তার মন্তব্যে আরও বলছে, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে কিছু ক্ষেত্রে সংশোধন হলেও জাতিসংঘের কিছু সুপারিশ না মানা- কিছু ক্ষেত্রে অস্পষ্ট সংজ্ঞা মতপ্রকাশে বাধা হওয়া এবং কোনো কোনো ধারায় আইনের অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছে। অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণমূলক ও নজরদারিমূলক আইনি কাঠামো সৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে।

টিআইবি জানায়, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত না করা; সরকারি দপ্তরসমূহে তথ্য গোপন করার প্রবণতা, স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশ না করার চর্চা অব্যাহত রয়েছে।