ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেইমারের সঙ্গে হাত মেলালেন না মেন্দেস, পুরোনো দ্বন্দ্ব নতুন করে আলোচনায় আবারও বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম মাতৃত্বকালীন মাসিক ভাতা কত? পাবেন যারা মদের কারখানার ড্রেন খুঁড়ে মিলল ১২৭ কোটি টাকার সোনা প্রাডো গাড়িতে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ যুবক তিস্তা নিয়ে বিগত সরকার কোনো উদ্যোগ নেয়নি : পানিসম্পদমন্ত্রী আল্লাহর ওপর ভরসা করি, কোনো চালাকির কাছে নয়: ট্রাইব্যুনালে পলক ঢাকা শিক্ষা বোর্ড নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পবিপ্রবিতে ৬ স্থাপনার উদ্বোধন করলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. এস.এম. হেমায়েত জাহান নির্বাচনের প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে : মাহদী আমিন

আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ৫৪৭ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী চাকরিচ্যুত করায় প্রতিবাদ

  • জাহিদুল আলম
  • আপডেট সময় ০৫:৩৩:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
  • ৬৮৯ বার পড়া হয়েছে

দৈনিক বাংলা আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের সামনে ১০ দফা দাবি নিয়ে আন্দোলন শুরু করেছে
আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক দেশের বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে একটি স্বনামধন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান। ১৯৯৫ সালে যাত্রা শুরু করে আজ প্রায় ২২৬টি ব্রাঞ্চে উন্নতি হয়েছে এই ব্যাংকটি। ৮ হাজারের অধিক কর্মকর্তা, কর্মচারী আজ এই ব্যাংকে কর্মরত, দেশের প্রায় সকল ব্যাংকেরই কোন না কোন আর্থিক কেলেঙ্কারীর কথা বিভিন্ন সময়ে উঠে এলেও এই ব্যাংক তেমন কোন বড় ধরনের বিষয় জনগণের সামনে আসেনি। বিভিন্ন পদে কর্মরত কর্মকর্তাগণ চাকরিতে যোগদানের পর থেকে দায়িত্বের সাথে দক্ষতার সাথে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। অত্র প্রতিষ্ঠানে শুরুতে কর্মী নিয়োগর জন্য পত্র পত্রিকার গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে পরীক্ষার মাধ্যমে লোক নিয়োগ দেয়া হতো। গত ৫ বছর থেকে (২০২০ সাল থেকে) প্রতিষ্ঠান গণবিজ্ঞপ্তি না নিয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নিজেদের মর্জিমাফিক কর্মী নিয়োগ দিয়ে আসছে। এই প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা-কর্মচারী যোগদানের সময় মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) বোর্ড ফেস করে। তারপর নিয়মতান্ত্রিকভাবে নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে ব্যাংকের সকল শর্ত মেনে বিভিন্ন ব্রাঞ্চে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে। ব্যাংক নিয়োগের পর ব্যাংকের কার্যক্রমকে আরো লাভবান করতে, সফল করতে অধিকাংশ কর্মকর্তাদের ডিপোজিট করতে, একাউন্ট খুলতে টার্গেট দেয় অধিকাংশরাই সফলভাবে ১ কোটি টাকার ডিপোজিট করে। কার্যক্রমে সন্তুষ্ট হয়ে প্রতিষ্ঠান স্থায়ী করে নেয়। ৩-৫ বছর যাবত দক্ষতার সাথে কাজ করে আসছে। ব্যাংক স্থায়ী কর্মকর্তা হিসেবে স্বীকৃতি এবং সার্টিফিকেট দিয়েছে। গত বছর ২০২৪ ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের হাত থেকে দেশকে রক্ষায় একটি অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করে। আজ দেশে ফ্যাসিস্ট হাসিনার সরকার আওয়ামী সরকার নাই। কিন্তু গণঅভ্যুথানের পর ব্যাংকে ফ্যাসিবাদের ভিত্তিতে ব্যাংক পরিচালিত হচ্ছে। এ বছরের জানুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠান হঠাৎ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি মেইল পাঠায়। সেখানে লেখা ছিল সবার নিম্ন সক্ষতায় একটি মূল্যায়ন পরীক্ষা হবে সবাইকে বলা হয়েছিল (হেড অফিস থেকে কল করে) বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি ফরমালিটি মেইনটেইন করার জন্য এই পরীক্ষা। এখানে পাশ ফেলের কোন বিষয় নেই। আমাদের কোন প্রস্তুতি লাগবে না, শুধু পরীক্ষার হলে উপস্থিত হয়ে সই করলেই হবে। পরীক্ষার প্রবেশ পত্র সবার মেইলে দেয়া হয়। উল্লেখ থাকে যে, উক্ত পরীক্ষার জন্য কোন প্রকার ফরম ফিলাপ করি নাই। নির্দিষ্ট দিনে আমরা পরীক্ষ্য হলে গিয়ে প্রশ্ন পত্রে দেখি যেখানে লেখা নিয়োগ পরীখা’। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছে সেই পরীক্ষায় ভালো করতে। জানামতে দক্ষতার সাথে চাকরি করে স্থায়ী হওয়ার পর কিভাবে একজন কর্মকর্তার আবার নিয়োগ পরীক্ষা দেয়ার কারন থাকতে পারে না। দুই দফায় পরীক্ষা নেয়া হলেও দীর্ঘদিন তার কোন ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। কর্মকর্তারার ব্যাংকের মেইলে (এটা শুধু ফরমালিটি। চাকরি করে আসছে। কিন্তু অতীব পুঃখ ও পরিতাপের সাথে দেখা গেল গত ২০ জুলাই ২০২৫ রবিবার প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ের হোসেন স্যারের স্বাক্ষরিত একটি ছাঁটাই চিঠি কারো কারো মেইলে আসে। উক্ত দুই ধাপের পরীক্ষায় ১৪১৪ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেছিলেন। তার মধ্যে কতজন পাশ করেছে কতজন অকৃতকার্য হয়েছে কেউ জানে না। গত ২০ জুলাই সারা দেশে প্রায় ৫৪৭ জন কর্মকর্তাকে ছাঁটাই করে নোটিশ দেয়া হয়েছে। চাকুরীকালীন সময়ে এও দেখা গেছে একই পোস্টে কর্মকর্তা অনেকেই আছেন যারা সেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি এবং তারা বহাল তবিয়তে চাকরি করছেন। ব্যাংক যাদেরকে ছাটাই করেছে তাদের অধিকাংশই ২৫-৩৫ বয়লের মাঝবয়সি যুবক। আজ প্রতিষ্ঠানের কিছু অসৎ কর্মকর্তার দুর্নীতি, নিয়োগ বানিজ্যের কারনে চাকরিচ্যুত। এই বয়সে তারা কোথায় চাকরি করবে একদিকে বয়সসীমা অন্যদিকে চাকরিচ্যুত সবমিলে দিশেহারা এক ভাসমান। সমাজের কাছে, পরিবারের মুখ দেখাতে পারছি না। চাকরিচ্যুত হয়ে আজ পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। দেশে আজ ৫ কোটি বেকার সেখানে নতুন করে বেকারের কাতারে দার করানো হল। নিয়োগের পর থেকে নিষ্ঠার সাথে চাকরি করে দক্ষতা অর্জন করেছে। এই দক্ষ কর্মীদের বেকার করে বেকারের কাতার আরও লম্বা করা হয়েছে। কর্মকর্তা কর্মচারী দাবি উপরোক্ত বিষয়াদি বিবেচনায় নিম্নোক্ত দাবি বস্তবায়ন করে এই ৫৪৭ জন কর্মকর্তার ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করবেন।
তাদের দাবি ।
১. চাকরিচ্যুত অবিলম্বে চাকরিতে পুনর্বহাল করতে হবে।
২. এসেসমেন্টের কথা বলে রিক্রুটমেন্ট পরীক্ষা বাতিল করতে হবে।
৪. শরীয়াহর নামে দুর্নীতি বন্ধ কর।
৩. স্থায়ীকরণের পরে নিয়োগ পরীক্ষার নামে কোন ছাঁটাই চলবে না।
৫. ব্যাংলাদেশ ব্যাংক ও দেশের শ্রম আইন লঙ্ঘন করা চলবে না।
৬ . আল আরাফার ইসলামী ব্যাংক কি বাংলাদেশ ব্যাংক ও শ্রম আইনের উন্মে।
৭. দক্ষতার উপর নির্ভর করে সকল অফিসারদের ইনক্রিমেন্ট ও প্রমোশন দিতে হবে।
৮. অনাভিশন কর্মকর্তাদের সফলভাবে প্রভিশন সময়কাল শেষ হওয়ার পরে স্থায়ীকরণ করতে
৯. স্থায়ী দক্ষ কর্মকর্তাদের ছাঁটাই করে নিয়োগ বানিজ্য বন্ধ করতে হবে।
১০. ব্যাংকের সকল বৈষম্য দূর করে ছাঁটাইকৃত সকল কর্মকর্তাদের বিন্যস্বার্থে পুনর্বহাল করতে হবে

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেইমারের সঙ্গে হাত মেলালেন না মেন্দেস, পুরোনো দ্বন্দ্ব নতুন করে আলোচনায়

আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ৫৪৭ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী চাকরিচ্যুত করায় প্রতিবাদ

আপডেট সময় ০৫:৩৩:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫

দৈনিক বাংলা আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের সামনে ১০ দফা দাবি নিয়ে আন্দোলন শুরু করেছে
আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক দেশের বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে একটি স্বনামধন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান। ১৯৯৫ সালে যাত্রা শুরু করে আজ প্রায় ২২৬টি ব্রাঞ্চে উন্নতি হয়েছে এই ব্যাংকটি। ৮ হাজারের অধিক কর্মকর্তা, কর্মচারী আজ এই ব্যাংকে কর্মরত, দেশের প্রায় সকল ব্যাংকেরই কোন না কোন আর্থিক কেলেঙ্কারীর কথা বিভিন্ন সময়ে উঠে এলেও এই ব্যাংক তেমন কোন বড় ধরনের বিষয় জনগণের সামনে আসেনি। বিভিন্ন পদে কর্মরত কর্মকর্তাগণ চাকরিতে যোগদানের পর থেকে দায়িত্বের সাথে দক্ষতার সাথে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। অত্র প্রতিষ্ঠানে শুরুতে কর্মী নিয়োগর জন্য পত্র পত্রিকার গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে পরীক্ষার মাধ্যমে লোক নিয়োগ দেয়া হতো। গত ৫ বছর থেকে (২০২০ সাল থেকে) প্রতিষ্ঠান গণবিজ্ঞপ্তি না নিয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নিজেদের মর্জিমাফিক কর্মী নিয়োগ দিয়ে আসছে। এই প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা-কর্মচারী যোগদানের সময় মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) বোর্ড ফেস করে। তারপর নিয়মতান্ত্রিকভাবে নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে ব্যাংকের সকল শর্ত মেনে বিভিন্ন ব্রাঞ্চে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে। ব্যাংক নিয়োগের পর ব্যাংকের কার্যক্রমকে আরো লাভবান করতে, সফল করতে অধিকাংশ কর্মকর্তাদের ডিপোজিট করতে, একাউন্ট খুলতে টার্গেট দেয় অধিকাংশরাই সফলভাবে ১ কোটি টাকার ডিপোজিট করে। কার্যক্রমে সন্তুষ্ট হয়ে প্রতিষ্ঠান স্থায়ী করে নেয়। ৩-৫ বছর যাবত দক্ষতার সাথে কাজ করে আসছে। ব্যাংক স্থায়ী কর্মকর্তা হিসেবে স্বীকৃতি এবং সার্টিফিকেট দিয়েছে। গত বছর ২০২৪ ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের হাত থেকে দেশকে রক্ষায় একটি অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করে। আজ দেশে ফ্যাসিস্ট হাসিনার সরকার আওয়ামী সরকার নাই। কিন্তু গণঅভ্যুথানের পর ব্যাংকে ফ্যাসিবাদের ভিত্তিতে ব্যাংক পরিচালিত হচ্ছে। এ বছরের জানুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠান হঠাৎ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি মেইল পাঠায়। সেখানে লেখা ছিল সবার নিম্ন সক্ষতায় একটি মূল্যায়ন পরীক্ষা হবে সবাইকে বলা হয়েছিল (হেড অফিস থেকে কল করে) বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি ফরমালিটি মেইনটেইন করার জন্য এই পরীক্ষা। এখানে পাশ ফেলের কোন বিষয় নেই। আমাদের কোন প্রস্তুতি লাগবে না, শুধু পরীক্ষার হলে উপস্থিত হয়ে সই করলেই হবে। পরীক্ষার প্রবেশ পত্র সবার মেইলে দেয়া হয়। উল্লেখ থাকে যে, উক্ত পরীক্ষার জন্য কোন প্রকার ফরম ফিলাপ করি নাই। নির্দিষ্ট দিনে আমরা পরীক্ষ্য হলে গিয়ে প্রশ্ন পত্রে দেখি যেখানে লেখা নিয়োগ পরীখা’। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছে সেই পরীক্ষায় ভালো করতে। জানামতে দক্ষতার সাথে চাকরি করে স্থায়ী হওয়ার পর কিভাবে একজন কর্মকর্তার আবার নিয়োগ পরীক্ষা দেয়ার কারন থাকতে পারে না। দুই দফায় পরীক্ষা নেয়া হলেও দীর্ঘদিন তার কোন ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। কর্মকর্তারার ব্যাংকের মেইলে (এটা শুধু ফরমালিটি। চাকরি করে আসছে। কিন্তু অতীব পুঃখ ও পরিতাপের সাথে দেখা গেল গত ২০ জুলাই ২০২৫ রবিবার প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ের হোসেন স্যারের স্বাক্ষরিত একটি ছাঁটাই চিঠি কারো কারো মেইলে আসে। উক্ত দুই ধাপের পরীক্ষায় ১৪১৪ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেছিলেন। তার মধ্যে কতজন পাশ করেছে কতজন অকৃতকার্য হয়েছে কেউ জানে না। গত ২০ জুলাই সারা দেশে প্রায় ৫৪৭ জন কর্মকর্তাকে ছাঁটাই করে নোটিশ দেয়া হয়েছে। চাকুরীকালীন সময়ে এও দেখা গেছে একই পোস্টে কর্মকর্তা অনেকেই আছেন যারা সেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি এবং তারা বহাল তবিয়তে চাকরি করছেন। ব্যাংক যাদেরকে ছাটাই করেছে তাদের অধিকাংশই ২৫-৩৫ বয়লের মাঝবয়সি যুবক। আজ প্রতিষ্ঠানের কিছু অসৎ কর্মকর্তার দুর্নীতি, নিয়োগ বানিজ্যের কারনে চাকরিচ্যুত। এই বয়সে তারা কোথায় চাকরি করবে একদিকে বয়সসীমা অন্যদিকে চাকরিচ্যুত সবমিলে দিশেহারা এক ভাসমান। সমাজের কাছে, পরিবারের মুখ দেখাতে পারছি না। চাকরিচ্যুত হয়ে আজ পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। দেশে আজ ৫ কোটি বেকার সেখানে নতুন করে বেকারের কাতারে দার করানো হল। নিয়োগের পর থেকে নিষ্ঠার সাথে চাকরি করে দক্ষতা অর্জন করেছে। এই দক্ষ কর্মীদের বেকার করে বেকারের কাতার আরও লম্বা করা হয়েছে। কর্মকর্তা কর্মচারী দাবি উপরোক্ত বিষয়াদি বিবেচনায় নিম্নোক্ত দাবি বস্তবায়ন করে এই ৫৪৭ জন কর্মকর্তার ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করবেন।
তাদের দাবি ।
১. চাকরিচ্যুত অবিলম্বে চাকরিতে পুনর্বহাল করতে হবে।
২. এসেসমেন্টের কথা বলে রিক্রুটমেন্ট পরীক্ষা বাতিল করতে হবে।
৪. শরীয়াহর নামে দুর্নীতি বন্ধ কর।
৩. স্থায়ীকরণের পরে নিয়োগ পরীক্ষার নামে কোন ছাঁটাই চলবে না।
৫. ব্যাংলাদেশ ব্যাংক ও দেশের শ্রম আইন লঙ্ঘন করা চলবে না।
৬ . আল আরাফার ইসলামী ব্যাংক কি বাংলাদেশ ব্যাংক ও শ্রম আইনের উন্মে।
৭. দক্ষতার উপর নির্ভর করে সকল অফিসারদের ইনক্রিমেন্ট ও প্রমোশন দিতে হবে।
৮. অনাভিশন কর্মকর্তাদের সফলভাবে প্রভিশন সময়কাল শেষ হওয়ার পরে স্থায়ীকরণ করতে
৯. স্থায়ী দক্ষ কর্মকর্তাদের ছাঁটাই করে নিয়োগ বানিজ্য বন্ধ করতে হবে।
১০. ব্যাংকের সকল বৈষম্য দূর করে ছাঁটাইকৃত সকল কর্মকর্তাদের বিন্যস্বার্থে পুনর্বহাল করতে হবে