ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জালিয়াতির মাধ্যমে রূপায়ণ হাউজিংয়ের নকশা অনুমোদন দুদকের জালে রাজউকের ৪৬ কর্মকর্তা আমাদের চেহারা বদলায়নি, তারা ‘জামায়াত’ হঠাৎ করেই বদলে গেল জামালপুরে ধ্বংস করা হলো দুই ইটভাটার চিমনি, আটক ২ সংরক্ষিত নারী আসনের ৬৫ শতাংশই কোটিপতি : টিআইবি নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ শিক্ষার্থীদের ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে শুল্ক-কর প্রত্যাহার জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা মুরাদনগরে মাদক সেবনের অপরাধে কারাদণ্ড   ডাব পাড়া নিয়ে একজনকে ‍কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট হত্যায় সেই জনিরও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশের হামলা

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশের নির্বিচারে গুলি, হামলা, পুলিশের গুলিতে বিএনপি কর্মী মকবুল আহমেদ নিহত ও নেতাকর্মিদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে বুধবার সন্ধ্যায় বগুড়ায় জেলা বিএনপির শহরে তাৎক্ষনিক বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্বদেন বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও পৌর মেয়র রেজাউল করিম বাদশা, জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর তালুকদার হেনা।বিক্ষোভ মিছিল শেষে জেলা বিএনপির নেতারা বলেন, আগামী ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ বানচাল করার জন্য পুলিশ হামলা চালিয়েছে। আজ ৭ ডিসেম্বর বুধবার রাজধানী ঢাকার নয়াপল্টন এলাকায় বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ১০ তারিখের গণসমাবেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের ওপর পুলিশ নির্বিচারে টিয়ারসেল নিক্ষেপ, হামলা, লাঠিচার্জ ও গুলি করে।

বিএনপি অফিসের ভেতরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে। সেখানে টিয়ারগ্যাস ছুড়ে এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থার সৃষ্টি করে। অফিসের ভেতরে থাকা নেতা- কর্মীরাও তাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি। দুপুরের পর থেকে পুলিশ ও সরকারিদলের গুন্ডাবাহিনীর হামলায় গোটা এলাকায় এক ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করে। খুব কাছ থেকে গুলি করে বিএনপি কর্মী মকবুল আহমেদ নির্দয়-নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে। গুলিবিদ্ধ হন অসংখ্য নেতা-কর্মী।

এছাড়া, নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, দলটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আবদুল কাদের জুয়েলসহ শতাধিক নেতাকর্মী আটক করছে পুলিশ।

আমরা এই হত্যাকান্ড ও জাতীয় নেতাদের গ্রেফতারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা নিহত বিএনপি কর্মী মকবুল আহমেদ এর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও সহকর্মীদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদ উন নবী সালাম, কে এম খায়রুল বাশার, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি,বিএনপি নেতা এনামুল কাদির এনাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম শুভ, জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম রনি, সদস্য সচিব এনামুল হক সুমনসহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জালিয়াতির মাধ্যমে রূপায়ণ হাউজিংয়ের নকশা অনুমোদন দুদকের জালে রাজউকের ৪৬ কর্মকর্তা

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশের হামলা

আপডেট সময় ১২:১৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২২

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশের নির্বিচারে গুলি, হামলা, পুলিশের গুলিতে বিএনপি কর্মী মকবুল আহমেদ নিহত ও নেতাকর্মিদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে বুধবার সন্ধ্যায় বগুড়ায় জেলা বিএনপির শহরে তাৎক্ষনিক বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্বদেন বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও পৌর মেয়র রেজাউল করিম বাদশা, জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর তালুকদার হেনা।বিক্ষোভ মিছিল শেষে জেলা বিএনপির নেতারা বলেন, আগামী ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ বানচাল করার জন্য পুলিশ হামলা চালিয়েছে। আজ ৭ ডিসেম্বর বুধবার রাজধানী ঢাকার নয়াপল্টন এলাকায় বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ১০ তারিখের গণসমাবেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের ওপর পুলিশ নির্বিচারে টিয়ারসেল নিক্ষেপ, হামলা, লাঠিচার্জ ও গুলি করে।

বিএনপি অফিসের ভেতরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে। সেখানে টিয়ারগ্যাস ছুড়ে এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থার সৃষ্টি করে। অফিসের ভেতরে থাকা নেতা- কর্মীরাও তাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি। দুপুরের পর থেকে পুলিশ ও সরকারিদলের গুন্ডাবাহিনীর হামলায় গোটা এলাকায় এক ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করে। খুব কাছ থেকে গুলি করে বিএনপি কর্মী মকবুল আহমেদ নির্দয়-নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে। গুলিবিদ্ধ হন অসংখ্য নেতা-কর্মী।

এছাড়া, নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, দলটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আবদুল কাদের জুয়েলসহ শতাধিক নেতাকর্মী আটক করছে পুলিশ।

আমরা এই হত্যাকান্ড ও জাতীয় নেতাদের গ্রেফতারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা নিহত বিএনপি কর্মী মকবুল আহমেদ এর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও সহকর্মীদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদ উন নবী সালাম, কে এম খায়রুল বাশার, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি,বিএনপি নেতা এনামুল কাদির এনাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম শুভ, জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম রনি, সদস্য সচিব এনামুল হক সুমনসহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।