জুলাই আগষ্টের ঐতিহাসিক গনঅভ্যুত্থানের শহিদদের স্মরণে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে আজ (বৃহস্পতিবার) বিকেলে স্মরণ সভা পালন করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।
উক্ত স্মরণ সভায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য মোশাররফ হোসেন বলেন, , ” গত জুলাই অভ্যূত্থানে যারা শহিদ হয়েছে আমি তাদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। ৫ই আগষ্ট পরবর্তী এখনো যারা বিগত ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তারা যে দলেরই হোক,আমি তাদের শ্রদ্ধা জানাই। আমাদের সম্মিলিতভাবে ফ্যাসিস্টদের মোকাবেলা করতে হবে। আমাদের অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে সে লড়াই কিন্তু শুরু হয়ে গেছে। যদি আমরা এই অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে সঠিকভাবে লড়াই করতে না পারি তাহলে আনাদের আবারও ফ্যাসিস্টদের কাছে জিম্মি হতে হবে”
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক এমডি শিহাব বলেন, ” জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রদলের ১৪৪ জনসহ বিএনপির প্রায় ৫ শতাধিক নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। তাঁদের আত্মত্যাগেই আজকের গণতন্ত্রের লড়াই নতুন গতি পেয়েছে। এই আন্দোলনে ছাত্রদলই নেতৃত্ব দিয়েছে—স্বৈরাচারবিরোধী প্রথম স্লোগান, কারফিউ ভেঙে রাজপথে মিছিল—সবকিছুর অগ্রভাগে ছিল ছাত্রদল।
কিন্তু আফসোস, এই গৌরবময় ইতিহাসকে কলঙ্কিত করতে এক শ্রেণির গুপ্ত সংগঠন অপচেষ্টায় লিপ্ত। চুয়েট ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আমরা দেখেছি—কীভাবে তারা ‘সাধারণ ছাত্র’ ব্যানার ব্যবহার করে মব কালচারে মেতে ওঠে।
আমরা লক্ষ্য করেছি, এনসিপির কিছু নেতাকর্মী গতকাল গোপালগঞ্জে প্রোগ্রাম করছে। একদিকে শহীদের রক্তস্নাত দিন, অন্যদিকে ক্ষমতার দরবারে মাথা নোয়ানোএই দ্বিচারিতা রাজনৈতিক শালীনতা নয়। তাদের বলবো, ভুল পথে হেঁটেছেন। গণতন্ত্রের রাজনীতি করুন, ষড়যন্ত্রের নয়।”
আব্দুল্লাহ আল মামুন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি 



















