ঢাকা ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এনবিআরে শাটডাউন

সারা দেশে আমদানি-রপ্তানিসহ শুল্ক-কর কার্যক্রম বন্ধ

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) অফিসিয়াল কার্যক্রম সকাল থেকেই বন্ধ রেখে চলছে শাটডাউন কর্মসূচি। কার্যালয়ের ভেতরে কেউ ঢুকতে পারছেন না, বেরও হতে পারছেন না। এ কারণে এনবিআরের নাগরিক সব সেবা বন্ধ আছে।

এদিকে চট্টগ্রাম বন্দর, বেনাপোল, ঢাকা কাস্টমস হাউসসহ দেশের সব কাস্টমস হাউস ও শুল্ক স্টেশনে কার্যক্রমও বন্ধ। এতে আমদানি-রপ্তানিতে সব ধরনের শুল্কায়ন স্থবির হয়ে আছে।

শনিবার (২৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে কাজ হয়নি। প্রায় সব কর্মকর্তা-কর্মচারী লাগাতার শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআরের প্রধান কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় কয়েক শ কর্মকর্তা-কর্মচারী অবস্থান নেন। এ সময় এনবিআরের মূল ফটক বন্ধ করে দিয়ে ভেতরে অবস্থান নিয়েছে বিজিবি, পুলিশ, র‍্যার ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা। এনবিআর ভবনের আশপাশে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এনবিআরের ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছেন না কাউকে, বের হতেও দিচ্ছেন না। মূল তিনটি ফটকে তালা লাগানো হয়।

রাজস্ব খাতের সংস্কার ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে সব পক্ষের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে আজ ‘মার্চ টু এনবিআর’ কর্মসূচি শুরু করেছেন আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সকাল থেকে এনবিআরের ঢাকা কার্যালয়ের কর্মকর্তাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কর্মকর্তারা রাজধানীর এনবিআর ভবনের সামনে সমবেত হয়েছেন। এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এই আন্দোলন চলছে।

এনবিআর দেশের প্রধান রাজস্ব আদায়কারী সংস্থা। জুন মাসে চলতি অর্থবছরের শেষ সময়। এ সময় রাজস্ব আদায়ে বেশ গতি থাকে। সে জন্য আজ দেশের সব শুল্ক-কর কার্যালয় খোলা রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আন্দোলনের কারণে সব কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

এনবিআরের বন্ধ গেটের সামনে কর্মীরা অবস্থান নিয়ে বক্তৃতা দেন। গেটের সামনে জল কামানসহ পুলিশের কয়েকশ গাড়ির ভীতিকর অবস্থা পরিবেশের মধ্যেই এনবিআরের চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান ও বক্তৃতা করেন।

নেতারা বক্তব্যে বলেন, যেকোনো মূল্যে অংশগ্রহণমূলক সংস্কারবিরোধী ও সাবেক স্বৈরাচারের দোসর এনবিআরের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ নিশ্চিত করা হবে। তারপরই কাজে ফিরতে চাই।

শুক্রবার (২৭ জুন) এনবিআরের পক্ষ থেকে এনবিআরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের কাজে যোগ দিতে বলেছিল। এ ধরনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল এনবিআরের পক্ষ থেকে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

এনবিআরে শাটডাউন

সারা দেশে আমদানি-রপ্তানিসহ শুল্ক-কর কার্যক্রম বন্ধ

আপডেট সময় ০৬:৩২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) অফিসিয়াল কার্যক্রম সকাল থেকেই বন্ধ রেখে চলছে শাটডাউন কর্মসূচি। কার্যালয়ের ভেতরে কেউ ঢুকতে পারছেন না, বেরও হতে পারছেন না। এ কারণে এনবিআরের নাগরিক সব সেবা বন্ধ আছে।

এদিকে চট্টগ্রাম বন্দর, বেনাপোল, ঢাকা কাস্টমস হাউসসহ দেশের সব কাস্টমস হাউস ও শুল্ক স্টেশনে কার্যক্রমও বন্ধ। এতে আমদানি-রপ্তানিতে সব ধরনের শুল্কায়ন স্থবির হয়ে আছে।

শনিবার (২৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে কাজ হয়নি। প্রায় সব কর্মকর্তা-কর্মচারী লাগাতার শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআরের প্রধান কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় কয়েক শ কর্মকর্তা-কর্মচারী অবস্থান নেন। এ সময় এনবিআরের মূল ফটক বন্ধ করে দিয়ে ভেতরে অবস্থান নিয়েছে বিজিবি, পুলিশ, র‍্যার ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা। এনবিআর ভবনের আশপাশে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এনবিআরের ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছেন না কাউকে, বের হতেও দিচ্ছেন না। মূল তিনটি ফটকে তালা লাগানো হয়।

রাজস্ব খাতের সংস্কার ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে সব পক্ষের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে আজ ‘মার্চ টু এনবিআর’ কর্মসূচি শুরু করেছেন আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সকাল থেকে এনবিআরের ঢাকা কার্যালয়ের কর্মকর্তাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কর্মকর্তারা রাজধানীর এনবিআর ভবনের সামনে সমবেত হয়েছেন। এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এই আন্দোলন চলছে।

এনবিআর দেশের প্রধান রাজস্ব আদায়কারী সংস্থা। জুন মাসে চলতি অর্থবছরের শেষ সময়। এ সময় রাজস্ব আদায়ে বেশ গতি থাকে। সে জন্য আজ দেশের সব শুল্ক-কর কার্যালয় খোলা রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আন্দোলনের কারণে সব কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

এনবিআরের বন্ধ গেটের সামনে কর্মীরা অবস্থান নিয়ে বক্তৃতা দেন। গেটের সামনে জল কামানসহ পুলিশের কয়েকশ গাড়ির ভীতিকর অবস্থা পরিবেশের মধ্যেই এনবিআরের চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান ও বক্তৃতা করেন।

নেতারা বক্তব্যে বলেন, যেকোনো মূল্যে অংশগ্রহণমূলক সংস্কারবিরোধী ও সাবেক স্বৈরাচারের দোসর এনবিআরের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ নিশ্চিত করা হবে। তারপরই কাজে ফিরতে চাই।

শুক্রবার (২৭ জুন) এনবিআরের পক্ষ থেকে এনবিআরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের কাজে যোগ দিতে বলেছিল। এ ধরনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল এনবিআরের পক্ষ থেকে।