সংবাদ শিরোনাম ::
সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী

মিরাজ-মুস্তাফিজে মুগ্ধ

গেল কয়েকদিন ধরে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল নিয়েই চলছে উন্মাদনা। তবে গতকাল মিরপুর শেরেবাংলার মাঠে মেহেদী হাসান মিরাজ যেন বাংলাদেশ-বাংলাদেশ বলতে এক প্রকার বাধ্যই করলেন। বাংলাদেশকে খাদের কিনারা থেকে তুলে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেওয়ার নায়কই এই টাইগার অলরাউন্ডার।

১৩৬ রানে ৯ উইকেটের পতন, লক্ষ্য ১৮৭। ঠিক এ অবস্থায় রোহিত শর্মা ধরেই নিয়েছিলেন জয় নিয়ে মাঠ ছাড়বে তার দল। তবে পরবর্তী গল্পটা শুধুই মিরাজময়। তাকে শেষ পর্যন্ত সঙ্গ দিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। তার পথ ধরেই ভারতের বিপক্ষে ১ উইকেটের দারুণ এক জয়! এমন একটা জয়ে গোটা বাংলাদেশ ধরেই ভেসেছে আনন্দের জোয়ারে। জিতিয়ে মিরাজ ৩৯ বলে ৩৮ রানে ও মুস্তাফিজ ১১ বলে ১০ রানে অপরাজিত ছিলেন।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক রাজিন সালেহও মিরাজের এমন ব্যাটিংয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। মিরাজের সাথে মুস্তাফিজকেও প্রশংসার জোয়ারো ভাসিয়ে রাজিন বললেন, ‘মিরাজের ব্যাটিং অসাধারণ এক কথায়। বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসে শেষ উইকেট জুটির রেকর্ড এটা। দারুন জুটি করেছে ফিজ-মিরাজ। আজকে যে খেলা খেলেছে মিরাজ, এর আগে আফগানিস্তানের সাথে একটা ম্যাচ খেলছিল এক কথায় চমৎকার। মিরাজকে আমি বলবো যে লুকায়িত প্রতিভার মধ্যে সেরা খেলোয়াড়। মুস্তাফিজ সাথে কাজ করেছি ডিপিএলে। সেখানে দেখেছি সে কিন্তু ভালো ব্যাটিং করে, অনেক কনফিডেন্ট তার মধ্যে রয়েছে। দলের শেষ ব্যাটার হিসেবে তার উপর ভরসা ছিল। কিন্তু সে আজ যেমন খেললো অকল্পনীয়।’

এদিকে দেশসেরা কোচ এবং ক্রিকেট বিশ্লেষক নাজমুল আবেদিন ফাহিম জানালেন, ‘অসম্ভব একটা পরিস্থিতিতে ওর স্বাভাবিক যেভাবে খেলতে অভ্যস্থ সেভাবেই ক্রিকেটটা খেলল। সেটাই বোধহয় একটা বড় কারণ সফল হওয়ার। ওর স্বভাবের বাইরে যদি খেলতো তাহলে এরকম একটা ইনিংস খেলা সম্ভব হতো না, বা এই ম্যাচ জয় করা সহজ হতো।’

মিরাজকে সঙ্গ দেওয়া মুস্তাফিজকে নিয়ে ফাহিম বললেন, ‘আমাদের মধ্যে অনেক সময় আত্মবিশ্বাসের অভাব থাকে। সেকারণেই অনেক সময় যোগ্যতা থাকা স্বত্বেও সফল হওয়া যায় না। আত্মবিশ্বাস থাকলে কি হতে পারে সেটাই এই ম্যাচের বড় উদাহরণ এই পার্টনারশিপের। মুস্তাফিজের রোলটা খুবই ভালো ছিল, তাকে কৃতীত্ব দিতেই হবে। ভবিষ্যতে এই ব্যাটিং মুস্তাফিজকে আস্থাশীল করবে।’

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত

মিরাজ-মুস্তাফিজে মুগ্ধ

আপডেট সময় ০৩:২২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২২

গেল কয়েকদিন ধরে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল নিয়েই চলছে উন্মাদনা। তবে গতকাল মিরপুর শেরেবাংলার মাঠে মেহেদী হাসান মিরাজ যেন বাংলাদেশ-বাংলাদেশ বলতে এক প্রকার বাধ্যই করলেন। বাংলাদেশকে খাদের কিনারা থেকে তুলে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেওয়ার নায়কই এই টাইগার অলরাউন্ডার।

১৩৬ রানে ৯ উইকেটের পতন, লক্ষ্য ১৮৭। ঠিক এ অবস্থায় রোহিত শর্মা ধরেই নিয়েছিলেন জয় নিয়ে মাঠ ছাড়বে তার দল। তবে পরবর্তী গল্পটা শুধুই মিরাজময়। তাকে শেষ পর্যন্ত সঙ্গ দিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। তার পথ ধরেই ভারতের বিপক্ষে ১ উইকেটের দারুণ এক জয়! এমন একটা জয়ে গোটা বাংলাদেশ ধরেই ভেসেছে আনন্দের জোয়ারে। জিতিয়ে মিরাজ ৩৯ বলে ৩৮ রানে ও মুস্তাফিজ ১১ বলে ১০ রানে অপরাজিত ছিলেন।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক রাজিন সালেহও মিরাজের এমন ব্যাটিংয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। মিরাজের সাথে মুস্তাফিজকেও প্রশংসার জোয়ারো ভাসিয়ে রাজিন বললেন, ‘মিরাজের ব্যাটিং অসাধারণ এক কথায়। বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসে শেষ উইকেট জুটির রেকর্ড এটা। দারুন জুটি করেছে ফিজ-মিরাজ। আজকে যে খেলা খেলেছে মিরাজ, এর আগে আফগানিস্তানের সাথে একটা ম্যাচ খেলছিল এক কথায় চমৎকার। মিরাজকে আমি বলবো যে লুকায়িত প্রতিভার মধ্যে সেরা খেলোয়াড়। মুস্তাফিজ সাথে কাজ করেছি ডিপিএলে। সেখানে দেখেছি সে কিন্তু ভালো ব্যাটিং করে, অনেক কনফিডেন্ট তার মধ্যে রয়েছে। দলের শেষ ব্যাটার হিসেবে তার উপর ভরসা ছিল। কিন্তু সে আজ যেমন খেললো অকল্পনীয়।’

এদিকে দেশসেরা কোচ এবং ক্রিকেট বিশ্লেষক নাজমুল আবেদিন ফাহিম জানালেন, ‘অসম্ভব একটা পরিস্থিতিতে ওর স্বাভাবিক যেভাবে খেলতে অভ্যস্থ সেভাবেই ক্রিকেটটা খেলল। সেটাই বোধহয় একটা বড় কারণ সফল হওয়ার। ওর স্বভাবের বাইরে যদি খেলতো তাহলে এরকম একটা ইনিংস খেলা সম্ভব হতো না, বা এই ম্যাচ জয় করা সহজ হতো।’

মিরাজকে সঙ্গ দেওয়া মুস্তাফিজকে নিয়ে ফাহিম বললেন, ‘আমাদের মধ্যে অনেক সময় আত্মবিশ্বাসের অভাব থাকে। সেকারণেই অনেক সময় যোগ্যতা থাকা স্বত্বেও সফল হওয়া যায় না। আত্মবিশ্বাস থাকলে কি হতে পারে সেটাই এই ম্যাচের বড় উদাহরণ এই পার্টনারশিপের। মুস্তাফিজের রোলটা খুবই ভালো ছিল, তাকে কৃতীত্ব দিতেই হবে। ভবিষ্যতে এই ব্যাটিং মুস্তাফিজকে আস্থাশীল করবে।’