সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয় কালিহাতীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

এই শীতে প্রতিদিন ডিম খেলে যেসব উপকার পাবেন

শীতে সুস্থ থাকার জন্য শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার পাশাপাশি উষ্ণ থাকাও জরুরি। ডিম এই দুটি জিনিস তৈরি করতে বেশ কাজ করে। এতে কয়েক ধরনের ভিটামিন, মিনারেল এবং পুষ্টি উপাদান রয়েছে। যার ফলে একে সুপারফুডও বলা হয়।

আপনি যদি প্রতিদিন একটি করে ডিম খাদ্য তালিকায় রাখেন তবে শীতকালে এটি আপনার জন্য ওষুধ হিসাবে কাজ করতে পারে। জেনে নিন শীতে প্রতিদিন একটা করে ডিম খেলে কী কী সুবিধা পাওয়া যায়।

ডিকিন ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট ফর ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি অ্যান্ড নিউট্রিশন (আইপিএএন) এর গবেষকরা জানিয়েছেন, ঠান্ডা আবহাওয়ায় প্রতিদিন একটি ডিম খেলে শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণ হতে পারে। একটি ডিমে ৮.২ এমসিজি ভিটামিন ডি থাকে।

ডিম প্রোটিন সমৃদ্ধ

স্বাভাবিক ভাবেই ডিমে প্রোটিন বেশি থাকে। একটি মাঝারি আকারের ডিমে ৬ গ্রাম পর্যন্ত প্রোটিন থাকতে পারে। প্রোটিন শরীর দ্বারা অ্যান্টিবডি তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। যা শরীরকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয়। এর পাশাপাশি ডিম খেলে মাংসপেশির দুর্বলতাও দূর হয়। এমন পরিস্থিতিতে শীতের দিনে ডিম খাওয়া আপনার জন্য উপকারী হতে পারে।

কোলেস্টেরল কমাতে পারে

ডিম খাওয়ার পরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। এর ফলে রক্তে খারাপ কোলাস্টেরল এলডিএলের পরিমাণ আপনা আপনিই কমে যাবে। যার ফলে হার্ট অ্যাটাক-সহ মারাত্মক হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে যাবে।

জিঙ্কের ঘাটতি দূর করে
ডিমে জিঙ্ক থাকে। এটি একটি খনিজ। যার বৈশিষ্ট্য রয়েছে শীতে বা ফ্লুর মতো সাধারণ ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে। এই অবস্থার চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত অনেক ওষুধ এই কারণে জিঙ্ক দিয়ে সুরক্ষিত।

বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য। এটি কোনওভাবেই কোনও ওষুধ বা চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে না। আরও বিস্তারিত জানার জন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

এই শীতে প্রতিদিন ডিম খেলে যেসব উপকার পাবেন

আপডেট সময় ০১:৪০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২২

শীতে সুস্থ থাকার জন্য শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার পাশাপাশি উষ্ণ থাকাও জরুরি। ডিম এই দুটি জিনিস তৈরি করতে বেশ কাজ করে। এতে কয়েক ধরনের ভিটামিন, মিনারেল এবং পুষ্টি উপাদান রয়েছে। যার ফলে একে সুপারফুডও বলা হয়।

আপনি যদি প্রতিদিন একটি করে ডিম খাদ্য তালিকায় রাখেন তবে শীতকালে এটি আপনার জন্য ওষুধ হিসাবে কাজ করতে পারে। জেনে নিন শীতে প্রতিদিন একটা করে ডিম খেলে কী কী সুবিধা পাওয়া যায়।

ডিকিন ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট ফর ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি অ্যান্ড নিউট্রিশন (আইপিএএন) এর গবেষকরা জানিয়েছেন, ঠান্ডা আবহাওয়ায় প্রতিদিন একটি ডিম খেলে শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণ হতে পারে। একটি ডিমে ৮.২ এমসিজি ভিটামিন ডি থাকে।

ডিম প্রোটিন সমৃদ্ধ

স্বাভাবিক ভাবেই ডিমে প্রোটিন বেশি থাকে। একটি মাঝারি আকারের ডিমে ৬ গ্রাম পর্যন্ত প্রোটিন থাকতে পারে। প্রোটিন শরীর দ্বারা অ্যান্টিবডি তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। যা শরীরকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয়। এর পাশাপাশি ডিম খেলে মাংসপেশির দুর্বলতাও দূর হয়। এমন পরিস্থিতিতে শীতের দিনে ডিম খাওয়া আপনার জন্য উপকারী হতে পারে।

কোলেস্টেরল কমাতে পারে

ডিম খাওয়ার পরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। এর ফলে রক্তে খারাপ কোলাস্টেরল এলডিএলের পরিমাণ আপনা আপনিই কমে যাবে। যার ফলে হার্ট অ্যাটাক-সহ মারাত্মক হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে যাবে।

জিঙ্কের ঘাটতি দূর করে
ডিমে জিঙ্ক থাকে। এটি একটি খনিজ। যার বৈশিষ্ট্য রয়েছে শীতে বা ফ্লুর মতো সাধারণ ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে। এই অবস্থার চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত অনেক ওষুধ এই কারণে জিঙ্ক দিয়ে সুরক্ষিত।

বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য। এটি কোনওভাবেই কোনও ওষুধ বা চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে না। আরও বিস্তারিত জানার জন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন।