ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালুখালীতে দিনব্যাপী পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা পারভীন শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ প্রজনন সক্ষমতা নিয়ে পুরুষদের জন্য বড় সতর্কবার্তা এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনে নীলফামারীর শিক্ষার্থীদের সমর্থন বরগুনার পাথরঘাটায় লেমুয়া বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক বন্যায় দেশে ৫৬ জনের মৃত্যু, ১০ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে এক দেশ, এক কিউআর’ বাস্তবায়নে কুঞ্জেরহাটে পূবালী ব্যাংকের বর্ণাঢ্য আয়োজন ত্বকের চুলকানি দূর করবে যেসব ঘরোয়া উপায় থাইল্যান্ডের বারে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩০ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

০৬/০৩/২০২৫ ইং রোজ বৃহস্পতিবার নবীনগর নিউ মডেল প্রেস ক্লাবে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেন। সোহেল মিয়া নামের এক ব্যবসায়ী। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কাইতলা গ্রামের মৃত মালু মিয়া সরকারের ছেলে সোহেল মিয়া ২০২২ সালে গাজীপুর কি কর্পোরেশন এলাকার কোনাবাড়ির রাজা বাড়ি বাজারে রাজাবাড়ির স্থানীয় বাসিন্দা নুরুজ্জামানের ছেলে সেন্টু মিয়ার সাথে যৌথভাবে ড্রাম ট্রাকের পরিবহন ব্যবসা শুরু করেন।সোহেল মিয়া অভিযোগ করেন, তাদের ব্যবসায় সর্বমোট ৬০ লক্ষ টাকার পুঁজি রয়েছে কিন্তু রহস্যজনক কারণে পার্টনার সেন্টু মিয়া জানুয়ারি ২০২৫ সাল থেকে সোহেল মিয়াকে ব্যবসায়ের কোন হিসাব বুঝিয়ে দিচ্ছেন না, ব্যবসায়ের হিসাব বুঝে না পেয়ে সোহেল মিয়া নবীনগর উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের ভদ্র গাছা নান্নু কাজীর ছেলে ওবায়দুল কাজির সাথে এই বিষয়ে আলোচনা করেন, ওবায়দুল কাজী এই বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধান করে দিবেন বলে আশ্বস্ত করেন, ওবায়দুল কাজী সমাধান করার লক্ষ্যে সোহেল মিয়ার নিকট থেকে ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম গ্রহণ করেন পরবর্তীতে ব্যবসা থেকে সোহেল মিয়াকে অব্যাহতি দেওয়ার লক্ষ্যে সাড়ে সাত লক্ষ টাকা সেন্টু মিয়া দিয়ে দিবে বলে সামাজিক ফয়সালায় ধার্য হয়। সেই সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা থেকে প্রাথমিকভাবে এক লক্ষ টাকা নগদ প্রদান করেন সেন্টু মিয়া,সেই আদায়কৃত এক লক্ষ টাকা ওবায়দুল কাজী সোহেল মিয়া কে না বুঝিয়ে দিয়ে নিজে আত্মসাৎ করেন। সোহেল মিয়া তার আরেকটি আলাদা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নাম মায়ের দোয়া টায়ার হাউজের দোকানে ও এখন বসতে পারছেন না তাকে বিভিন্নভাবে সেন্টুমিয়ার লোকজন হুমকি দিয়ে আসছেন। সোহেল মিয়া জীবনের নিরাপত্তার লক্ষ্যে দোকান বন্ধ করে এখন নিজ জন্মভূমি নবীনগরের কাইতলা অবস্থান করছেন তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে আকুতি মিনতি করে বলেন আমি আমার সাড়ে সাত লক্ষ টাকা চাই এবং আমি যেন আমার মায়ের দোয়া টায়ার হাউসে বসে নিরাপদে ব্যবসা করতে পারি প্রশাসনের নিকট নিরাপত্তা দাবি করছি। আমি এবং আমার সহযোগী আমার চাচাতো ভাই বাবুল মিয়ার জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে আমরা আমাদের জীবনের নিরাপত্তা চাই, আমার ব্যবসা থেকে আমাকে সাড়ে সাত লক্ষ টাকার দেয়ার কথা ছিল সেই সাড়ে সাত লক্ষ টাকা আমি যেন দ্রুতপাই প্রশাসনের নিকট সেই প্রত্যাশা করছি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালুখালীতে দিনব্যাপী পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা পারভীন

অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় ০৮:৪৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

০৬/০৩/২০২৫ ইং রোজ বৃহস্পতিবার নবীনগর নিউ মডেল প্রেস ক্লাবে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেন। সোহেল মিয়া নামের এক ব্যবসায়ী। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কাইতলা গ্রামের মৃত মালু মিয়া সরকারের ছেলে সোহেল মিয়া ২০২২ সালে গাজীপুর কি কর্পোরেশন এলাকার কোনাবাড়ির রাজা বাড়ি বাজারে রাজাবাড়ির স্থানীয় বাসিন্দা নুরুজ্জামানের ছেলে সেন্টু মিয়ার সাথে যৌথভাবে ড্রাম ট্রাকের পরিবহন ব্যবসা শুরু করেন।সোহেল মিয়া অভিযোগ করেন, তাদের ব্যবসায় সর্বমোট ৬০ লক্ষ টাকার পুঁজি রয়েছে কিন্তু রহস্যজনক কারণে পার্টনার সেন্টু মিয়া জানুয়ারি ২০২৫ সাল থেকে সোহেল মিয়াকে ব্যবসায়ের কোন হিসাব বুঝিয়ে দিচ্ছেন না, ব্যবসায়ের হিসাব বুঝে না পেয়ে সোহেল মিয়া নবীনগর উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের ভদ্র গাছা নান্নু কাজীর ছেলে ওবায়দুল কাজির সাথে এই বিষয়ে আলোচনা করেন, ওবায়দুল কাজী এই বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধান করে দিবেন বলে আশ্বস্ত করেন, ওবায়দুল কাজী সমাধান করার লক্ষ্যে সোহেল মিয়ার নিকট থেকে ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম গ্রহণ করেন পরবর্তীতে ব্যবসা থেকে সোহেল মিয়াকে অব্যাহতি দেওয়ার লক্ষ্যে সাড়ে সাত লক্ষ টাকা সেন্টু মিয়া দিয়ে দিবে বলে সামাজিক ফয়সালায় ধার্য হয়। সেই সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা থেকে প্রাথমিকভাবে এক লক্ষ টাকা নগদ প্রদান করেন সেন্টু মিয়া,সেই আদায়কৃত এক লক্ষ টাকা ওবায়দুল কাজী সোহেল মিয়া কে না বুঝিয়ে দিয়ে নিজে আত্মসাৎ করেন। সোহেল মিয়া তার আরেকটি আলাদা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নাম মায়ের দোয়া টায়ার হাউজের দোকানে ও এখন বসতে পারছেন না তাকে বিভিন্নভাবে সেন্টুমিয়ার লোকজন হুমকি দিয়ে আসছেন। সোহেল মিয়া জীবনের নিরাপত্তার লক্ষ্যে দোকান বন্ধ করে এখন নিজ জন্মভূমি নবীনগরের কাইতলা অবস্থান করছেন তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে আকুতি মিনতি করে বলেন আমি আমার সাড়ে সাত লক্ষ টাকা চাই এবং আমি যেন আমার মায়ের দোয়া টায়ার হাউসে বসে নিরাপদে ব্যবসা করতে পারি প্রশাসনের নিকট নিরাপত্তা দাবি করছি। আমি এবং আমার সহযোগী আমার চাচাতো ভাই বাবুল মিয়ার জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে আমরা আমাদের জীবনের নিরাপত্তা চাই, আমার ব্যবসা থেকে আমাকে সাড়ে সাত লক্ষ টাকার দেয়ার কথা ছিল সেই সাড়ে সাত লক্ষ টাকা আমি যেন দ্রুতপাই প্রশাসনের নিকট সেই প্রত্যাশা করছি।