ঢাকা ০১:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত, তবুও ঢাকা মেট্রো জোনে বহাল আলিফ বিসিএসআইআর স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ জাইকা প্রকল্পে টেন্ডার অনিয়মের অভিযোগ, ৪১ কোটি টাকার অতিরিক্ত ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন ভারতের ইন্দো-প্যাসিফিক অগ্রযাত্রা এবং বাংলাদেশের কৌশলগত সিদ্ধান্ত ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে চকপাড়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৭৫ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ আটক বন্যা কবলিত মানুষের পাশে ‘তারুণ্যের আলো সেবা সংঘ নীলফামারী  হিসাবরক্ষক মাসুম রেজার প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণ নতুন দায়িত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এলেনবাড়ি গণপূর্তে নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

জমজমাট ঐতিহ্যবাহী পুরান ঢাকার ইফতার বাজার

পবিত্র মাহে রমজানকে উপলক্ষে জমে উঠেছে ঐতিহ্যবাহী পুরান ঢাকার চকবাজারের ইফতার বাজার। চকবাজার শাহী মসজিদের সামনে নানা রকম ইফতার সামগ্রীর পসরা বসিয়েছেন দোকানিরা। তবে প্রতিবারের ন্যায় এবারও চকবাজারের প্রধান আকর্ষণ ‘বড় বাপের পোলায় খায়’ নামে বিশেষ ইফতার আইটেম। বিক্রেতাদের ছন্দময় হাঁক-ডাকে দোকানগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা। পুরান ঢাকার ইফতার বাজার ঘুরে এসব চিত্র দেখা যায়।

স্থানীয় দোকানিরা জানান, পুরান ঢাকাসহ গোটা রাজধানীতে একটি আকর্ষণীয় ইফতারির আইটেম হিসেবে ‘বড় বাপের পোলায় খায়’ অত্যন্ত সু-পরিচিত। এটি তৈরিতে মাংস, সুতি কাবাব, মাংসের কিমা, ডাবলি, বুটের ডাল, ডিম, মগজ, আলু, ঘি, কাঁচা ও শুকনো মরিচসহ নানা পদের খাবার আইটেম এবং হরেক ধরনের মসলা প্রয়োজন হয়। দোকান ও মানভেদে ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে এই খাবার বিক্রি হয়।

জানা গেছে, ১৭০২ সালে ঢাকার দেওয়ান মুর্শিদ কুলি খাঁ চকবাজারকে আধুনিক বাজারে পরিণত করেন। আর এই চকবাজারের শাহী মসজিদের সামনে একটি কূপ ছিল। তার চারপাশেই চেয়ার-টেবিল বিছিয়ে বিক্রি করা হতো ইফতারের বিভিন্ন উপকরণ। নাজির হোসেনের ‘কিংবদন্তির ঢাকা’ বইয়ে উল্লেখ রয়েছে, ১৮৫৭ সালের আগেই চকবাজার জমজমাট হয়। রোজার সময় মোগলাই খাবার এবং রকমারি ইফতার বিক্রি করা হতো এখানে। স্থানীয়দের মতে, বিশ শতকের প্রথম দিকেও ঢাকায় ইফতারির বাজার বলতে শুধু চকবাজারকে বোঝাত।

কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায় কতটা স্বাস্থ্যকর এই সব মুখরোচক ইফতার সামগ্রী। খোলা অবস্থায় বিক্রি হচ্ছে সব ইফতার নেই কোন স্বাস্থ্য সচেতনতা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন সারাদিন রোজা রেখে এই সমস্ত ইফতার খেলে অসুস্থ হয়ে পরার সম্ভাবনাই বেশি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত, তবুও ঢাকা মেট্রো জোনে বহাল আলিফ

জমজমাট ঐতিহ্যবাহী পুরান ঢাকার ইফতার বাজার

আপডেট সময় ১০:৫৭:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

পবিত্র মাহে রমজানকে উপলক্ষে জমে উঠেছে ঐতিহ্যবাহী পুরান ঢাকার চকবাজারের ইফতার বাজার। চকবাজার শাহী মসজিদের সামনে নানা রকম ইফতার সামগ্রীর পসরা বসিয়েছেন দোকানিরা। তবে প্রতিবারের ন্যায় এবারও চকবাজারের প্রধান আকর্ষণ ‘বড় বাপের পোলায় খায়’ নামে বিশেষ ইফতার আইটেম। বিক্রেতাদের ছন্দময় হাঁক-ডাকে দোকানগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা। পুরান ঢাকার ইফতার বাজার ঘুরে এসব চিত্র দেখা যায়।

স্থানীয় দোকানিরা জানান, পুরান ঢাকাসহ গোটা রাজধানীতে একটি আকর্ষণীয় ইফতারির আইটেম হিসেবে ‘বড় বাপের পোলায় খায়’ অত্যন্ত সু-পরিচিত। এটি তৈরিতে মাংস, সুতি কাবাব, মাংসের কিমা, ডাবলি, বুটের ডাল, ডিম, মগজ, আলু, ঘি, কাঁচা ও শুকনো মরিচসহ নানা পদের খাবার আইটেম এবং হরেক ধরনের মসলা প্রয়োজন হয়। দোকান ও মানভেদে ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে এই খাবার বিক্রি হয়।

জানা গেছে, ১৭০২ সালে ঢাকার দেওয়ান মুর্শিদ কুলি খাঁ চকবাজারকে আধুনিক বাজারে পরিণত করেন। আর এই চকবাজারের শাহী মসজিদের সামনে একটি কূপ ছিল। তার চারপাশেই চেয়ার-টেবিল বিছিয়ে বিক্রি করা হতো ইফতারের বিভিন্ন উপকরণ। নাজির হোসেনের ‘কিংবদন্তির ঢাকা’ বইয়ে উল্লেখ রয়েছে, ১৮৫৭ সালের আগেই চকবাজার জমজমাট হয়। রোজার সময় মোগলাই খাবার এবং রকমারি ইফতার বিক্রি করা হতো এখানে। স্থানীয়দের মতে, বিশ শতকের প্রথম দিকেও ঢাকায় ইফতারির বাজার বলতে শুধু চকবাজারকে বোঝাত।

কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায় কতটা স্বাস্থ্যকর এই সব মুখরোচক ইফতার সামগ্রী। খোলা অবস্থায় বিক্রি হচ্ছে সব ইফতার নেই কোন স্বাস্থ্য সচেতনতা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন সারাদিন রোজা রেখে এই সমস্ত ইফতার খেলে অসুস্থ হয়ে পরার সম্ভাবনাই বেশি।