রেলওয়ে থানার ওসি মো. রবিউল ইসলামের সাথে কথা বলে জানা গেল, জামালপুর পিবিআই পুলিশের একটি টিম অজ্ঞাত ওই ব্যক্তির মরদেহের আঙুলের ছাপ নিয়ে একাধিকবার চেষ্টা করেও কোন তথ্য পাননি। মানে নট ফাউন্ড রিপোর্ট দেখায়। অর্থাৎ তার পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি।
ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করার জন্য ওই লোকটার মরদেহ জামালপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
জামালপুর রেলওয়ে থানার আওতাধীন মরদেহ রাখার কোন ঘর না থাকায় মরদেহ এক নম্বর প্লাটফরমের পূর্বদিকে থানার সামনে রিকশাভ্যানগাড়িতে রাখা হয়। এটি একটি সমস্যা। এখানে জরুরি ভিত্তিতে মরদেহ সাময়িক রাখার জন্য নির্ধারিত ঘর নির্মাণ করা দরকার। শুধু এই মরদেহ নয়। রেলপথে দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া যেকোনো ব্যক্তির মরদেহ রাখা নিয়ে একই পরিস্থিতি হয়।
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ রাতের পোস্ট থেকে : জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকা থেকে আসা আন্ত:নগর ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনের পাওয়ার কার বগি থেকে অজ্ঞাতনামা একজন বয়স্ক পুরুষ মানুষের মরদেহ উদ্ধার করেছে জামালপুর রেলওয়ে থানা পুলিশ। তার সাথে একটা ব্যাগ আছে। পায়ে পিটি শো জুতা, পরনে কালো ফুলপ্যান্ট আর গায়ে ফুল হাতা শার্ট। বেশ লম্বা ও শুকনো দেহ। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ রাত সোয়া ১১টার দিকের ঘটনা। তাকে দেখতে অনেক যাত্রী ভিড় করেন। প্রাথমিকভাবে ট্রেনটির বেশ কয়েকজন যাত্রীর বর্ণনা অনুযায়ী লোকটার কোনো পরিচয় জানা যায়নি। তার মৃত্যুর কোন কারণও জানা যায়নি। জামালপুর রেলওয়ে থানা পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
জাকিরুল ইসলাম বাবু 






















