ঢাকা ০৩:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বন্যা মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. পাভেলকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নামার আগে সেরা খেলোয়াড়কে হারাল সুইজারল্যান্ড ফরিদপুরে বাসচাপায় নিহত ৪ ‘জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে’ : ব্রাহ্মণপাড়ায় এমপি জসিম উদ্দিন প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিটের দামে ধস ভেনেজুয়েলায় নি’হ’তে’র সংখ্যা ৪ হাজার ছাড়াল এবার শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে মিলল ৪৭ লাখ টাকা

আত্রাইয়ে ১৫ হাজার হেক্টরের অধিক জমিতে চাষ হচ্ছে বোরো ধান

 

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ৮ ইউনিয়নে এবারে ১৫ হাজার হেক্টরের অধিক জমিতে চাষ হচ্ছে বোরো ধান। বোরো ধান রোপন ও পরিচর্যায় এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

কৃষি অফিসের তথ্যমতে এবার উপজেলার ৮ ইউনিয়নে ১৫ হাজার হেক্টরের অধিক জমিতে বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে।ধান নির্ভরশীল এলাকা হিসেবে আত্রাইয়ের প্রধান আবাদই বোরো ধান। বিশেষ করে উপজেলার মানিয়ারী, বিশা,ভোঁপাড়া,শাহাগোলা,হাটকালুপাড়া ও পাঁচুপুর ইউনিয়ন বোরো ধানের জন্য খ্যাত।এছাড়াও অন্যান্য ইউনিয়েনে বোরো ধানের চাষ হয়ে থাকে।

এবারে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে বোরো ধানের চাষ করা হচ্ছে।সেই জানুয়ারী মাসের শুরু থেকেই বোরো ধান রোপন শুরু করেছেন কৃষকরা।বর্তমানে ধান রোপন প্রায় শেষ পর্যায় পৌঁছে গেছে।এরপরও যেসব জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে। তারা সরিষা কর্তন করে বোরো ধানের চাষ করবেন ওই জমিগুলোতে। ধান রোপনের শুরু থেকেই অনুকূল আবহাওয়া ও সঠিক পরিচর্যায় এবারের বোরো ধান মাঠে মাঠে দর্শনীয় হয়ে উঠতে শুরু করেছে।

বেশ কিছু এলাকায় আগাম জাতের ধান দর্শনীয় হয়ে উঠেছে। এখন অধিকাংশ এলাকার মাঠ জুড়ে সবুজের সমারোহ পরিলক্ষিত হচ্ছে।উপজেলার চৌথল গ্রামের কৃষক আবু বক্কর বলেন,আমাদের এলাকার প্রধান আবাদই বোরো ধান।বোরো ধানের মধ্যে জিরাসাইল ধানের আবাদ আমাদের এ এলাকাতে সর্বাধিক পরিমাণ জমিতে করা হয়েছে। কিছু কিছু জমিতে নতুন ব্রি-৮১ জাতের ধানের চাষ করা হয়েছে।

শুরু থেকেই আবহাওয়া ভাল থাকায় এবং সার কীটনাশকের সংকট না থাকায় আমরা যথাযথ ভাবে বোরো ধান রোপন করতে পেরেছি। প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না হলে এবারে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হবে বলে আমরা আশাবাদি।উপজেলা কৃষি অফিসার প্রসেনজিৎ তালুকদার বলেন,বোরো চাষে কৃষকরা যাতে প্রতারিত না হন এ জন্য শুরু থেকেই আমরা মাঠ পর্যায় তদারকি করেছি।

বিশেষ করে বীজ,সার ও সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়াও অল্প খরচে অধিক ফলনের জন্য আমরা কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করেছি।বোরো ধান রোপনের শুরু থেকেই আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায় কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ প্রদান করেছেন। এ জন্য এবারে উপজেলা জুড়ে বোরো ধানের অবস্থান খুবই ভাল।কোন দুর্যোগ না হলে বাম্পার ফলন হবে বলে আমরা আশাবাদি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যা মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

আত্রাইয়ে ১৫ হাজার হেক্টরের অধিক জমিতে চাষ হচ্ছে বোরো ধান

আপডেট সময় ১১:২০:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ৮ ইউনিয়নে এবারে ১৫ হাজার হেক্টরের অধিক জমিতে চাষ হচ্ছে বোরো ধান। বোরো ধান রোপন ও পরিচর্যায় এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

কৃষি অফিসের তথ্যমতে এবার উপজেলার ৮ ইউনিয়নে ১৫ হাজার হেক্টরের অধিক জমিতে বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে।ধান নির্ভরশীল এলাকা হিসেবে আত্রাইয়ের প্রধান আবাদই বোরো ধান। বিশেষ করে উপজেলার মানিয়ারী, বিশা,ভোঁপাড়া,শাহাগোলা,হাটকালুপাড়া ও পাঁচুপুর ইউনিয়ন বোরো ধানের জন্য খ্যাত।এছাড়াও অন্যান্য ইউনিয়েনে বোরো ধানের চাষ হয়ে থাকে।

এবারে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে বোরো ধানের চাষ করা হচ্ছে।সেই জানুয়ারী মাসের শুরু থেকেই বোরো ধান রোপন শুরু করেছেন কৃষকরা।বর্তমানে ধান রোপন প্রায় শেষ পর্যায় পৌঁছে গেছে।এরপরও যেসব জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে। তারা সরিষা কর্তন করে বোরো ধানের চাষ করবেন ওই জমিগুলোতে। ধান রোপনের শুরু থেকেই অনুকূল আবহাওয়া ও সঠিক পরিচর্যায় এবারের বোরো ধান মাঠে মাঠে দর্শনীয় হয়ে উঠতে শুরু করেছে।

বেশ কিছু এলাকায় আগাম জাতের ধান দর্শনীয় হয়ে উঠেছে। এখন অধিকাংশ এলাকার মাঠ জুড়ে সবুজের সমারোহ পরিলক্ষিত হচ্ছে।উপজেলার চৌথল গ্রামের কৃষক আবু বক্কর বলেন,আমাদের এলাকার প্রধান আবাদই বোরো ধান।বোরো ধানের মধ্যে জিরাসাইল ধানের আবাদ আমাদের এ এলাকাতে সর্বাধিক পরিমাণ জমিতে করা হয়েছে। কিছু কিছু জমিতে নতুন ব্রি-৮১ জাতের ধানের চাষ করা হয়েছে।

শুরু থেকেই আবহাওয়া ভাল থাকায় এবং সার কীটনাশকের সংকট না থাকায় আমরা যথাযথ ভাবে বোরো ধান রোপন করতে পেরেছি। প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না হলে এবারে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হবে বলে আমরা আশাবাদি।উপজেলা কৃষি অফিসার প্রসেনজিৎ তালুকদার বলেন,বোরো চাষে কৃষকরা যাতে প্রতারিত না হন এ জন্য শুরু থেকেই আমরা মাঠ পর্যায় তদারকি করেছি।

বিশেষ করে বীজ,সার ও সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়াও অল্প খরচে অধিক ফলনের জন্য আমরা কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করেছি।বোরো ধান রোপনের শুরু থেকেই আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায় কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ প্রদান করেছেন। এ জন্য এবারে উপজেলা জুড়ে বোরো ধানের অবস্থান খুবই ভাল।কোন দুর্যোগ না হলে বাম্পার ফলন হবে বলে আমরা আশাবাদি।