রংপুর জেলার গংগাচড়া উপজেলার ৩নং বড়বিল ইউনিয়নের ৭নং ও ৮নং ওয়ার্ডের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রায় দুই কিলোমিটার ঘাঘট নদী, আর সেখানে বর্ষাকালে কৃষি জমির পানি নিস্কান হয়।আর সেই নালা ও জনবহুল এলাকার পাশে অবস্থিত নূরজাহান অটো রাইস মিল ও বায়ো এগ্রো লিমিটেড নামে মুরগির ফার্ম থাকায় প্রতিষ্ঠান দুটির নিজস্ব দূর্গন্ধ যুক্ত বাতাস ফ্যানের মাধ্যমে বয়ু দূষণ সহ নালায় ধানের চিটা, দূর্গন্ধযুক্ত হলুদ পানি, ও নানা ধারনের ক্যমিকাল যুক্ত পদার্থ ফেলিয়া ওই এলাকায় বসবাস, চলাচল কষ্ট সহ বিভিন্ন রকম চর্ম রোগ দেখা দিয়াছে, পানির রং বিবর্ণ হইয়াছে ওই নালায় দেশিয় প্রজাতির মাছ এখন নেই বললেই চলে। প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে স্থানীয় জনগণ অভিযোগ করলে গংগাচড়া উপজেলা ভূমি কমিশনার সরোজমিনে গিয়া বিগত বিগত ২৩/০১/২০২৫খ্রি: সমায় বিকাল ৪:৩০ ঘটিকায় অভিযান পরিচালনা করেন এবং তাদেরকে ৩ থেকে সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে বর্জ্য নিষ্কাশনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করে। কিন্তু কোন অদৃশ্য শক্তির কারণে যাহা বাস্তবায়ন হয়নি বরং দুটি কারখানারি বর্জ্য খোলামেলাভাবে ছরিয়ে পরছে স্থানীয় এলাকায় তাতে আক্রান্ত হচ্ছে নানান রোগে স্থানীয় জনগণ।
এ বিষয়ে দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি স্টাফ রিপোর্টার রাকিবুল হাসান সহ চারজন তত্ত্ব সংগ্রহ করতে গেলে স্থানীয় মিল কর্তৃপক্ষ প্রোপাইটার মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের তথ্য দেয়নি বরং মিলের ভিতর ঢুকতেই দেয়নি ।এ বিষয়ে রাকিবুল হাসান বলেন, এলাকায় অনেক লোক অসুস্থ হয়ে পড়ছে কারখানার বর্জ্য পানির সাথে মিশে গিয়ে ছোট মাছ বিলুপ্তির পথে দেখার কেউ নেই, মিল কর্তৃপক্ষ্য আমাদের সাথে যে আচরণ করেছে তা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে জানিয়েছি আশা করি বিষয়টি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
এ বিষয়ে গংগাছড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিশ্চিত করে দৈনিক আমাদের মাতৃভূমিকে, বিষয়টি উপজেলাভূমি কমিশনার ইতিপূর্বে ব্যবস্থা নিয়েছেন জনস্বার্থে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শহীদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি 






















