ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

শরীয়তপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি’র সম্মাননা পেলো ওবায়েদুল হক

জেলার শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার পেয়েছেন শরীয়তপুরের সখিপুর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ওবায়েদুল হক (১০ ফেব্রুয়ারী -২০২৫) সকালে জেলা পুলিশ লাইন্সের প্যারেড গ্রাউন্ডে পুলিশ মাসিক কল্যাণ সভায় শরীয়তপু জেলা পুলিশ সুপার মোঃ নজরুল ইসলাম তার হাতে সনদ তুলে দেন।

সন্ত্রাস ও মাদক প্রতিরোধে আইনশৃংখলার উন্নতি অব্যাহত রাখায় মো. ওবায়েদুল হক কে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার সনদ হাতে তুলে দেয়া হয়।

জানা যায় সখিপুর থানা এলাকাটি চর অঞ্চল থাকায় সন্ত্রাস, মাদক, ইভটিজিং, মারামারি, কাটাকাটি, হানাহানি হিসেবে পরিচিত ছিল।

ওসি হিসেবে ওবায়েদুল হক যোগদানের পর থেকে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি উন্নতির পথে হাঁটতে শুরু করে।
শরীয়তপুর পুলিশ সুপার নজরুল ইসলামের নির্দেশনা মোতাবেক, কাজ করে চিরুনি অভিযান চালিয়ে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ীদের পর্যায়ক্রমে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার করা হয় কয়েক লক্ষ টাকার মাদক। থেমে যায় ইভটিজিং এর কার্যক্রমও।

প্রতি সপ্তাহে তিনি সাধারণ মানুষের সমস্যা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী’র বিষয় বস্তুু নিয়ে মতবিনিময় করেন, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক, রাজনৈতিক ব্যক্তি, কমিউনিটি পুলিশিং নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে। পুলিশ’ হিসেবে আপামর জনসাধারণকে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সখিপুর থানার ৯ টি ইউনিয়নে বিট পুলিশিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান, এবং ১৫ সদস্য কমিউনিটি পুলিশিং ওয়ার্ড কমিটি, গঠন করা হয়।

তবে এসব মানবিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ওসি ওবায়েদুল হক ভুলে যাননি পেশাগত দায়িত্বের কথা। এলাকার বিভিন্ন বেআইনি কর্মকাণ্ড বন্ধে তিনি সজাগ। মানবিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি যে কোনো অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সর্বদা প্রস্তুত তিনি। পুলিশ শাসক নয়, শোষক নয়; পুলিশ জনগণের সেবক। এই মন্ত্রে উজ্জীবিত এখন পুরো সখিপুর থানায় পুলিশের সকল সদস্য। তাই হ্রাস পেয়েছে পুলিশ কর্তৃক মানুষের হয়রানি।

ওসি মো. ওবায়দুল হক বলেন, আমাদের এসপি মহোদয় এর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি, এবং এই পাওয়া আমার একার কৃতিত্ব নয়, থানার সব অফিসার ও ফোর্সদের কৃতিত্ব। এখানকার সাংবাদিকগন ও আমাকে সর্বাধিক সহযোগিতা করেছে, যার কারনে আজ আমি জেলার শ্রেষ্ঠ পুরস্কার সনদ পেয়েছি, এর আগেও আমি
পুরুস্কার পেয়েছি,এবং আমি চেষ্টা করব,এই থানাটি একটি আধুনিক মডেল সন্ত্রাস, মাদক, ইভটিজিং, মুক্ত থানা হিসেবে গড়ে তুলার।

তিনি আরও বলেন,  আমি সখিপুর থানার ওসি হয়ে এসেছি আপনাদের সেবা করতে, আমি সর্বদাই চেষ্টা করে যাচ্ছি জনগণ যাতে থানায় এসে হয়রানি না হয়,এবং সুষ্ঠ বিচার পায়। আমি দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে শপথ করেছি ন্যায়, নীতি, ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করব,  অপরাধীদের কোন ছাড় নেই, সে যতই শক্তিশালী হোক না কেন। আইন যে দেশের জনগনের জন্য সমান, সে ব্যাপারে মানুষকে উৎসাহিত করি।সখিপুরে জনগনের পুলিশের প্রতি হারানো আস্থা ফিরিয়ে  আনতে ও ন্যায় বিচার পেতে সর্বদাই আমি কাজ করে যাচ্ছি।  তাই মহান আল্লাহ তায়ালার  কাছে প্রার্থনা করব, আল্লাহ তায়ালা যেন আমাকে সর্বদা সুস্থ রাখেন।  আমিন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শরীয়তপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি’র সম্মাননা পেলো ওবায়েদুল হক

আপডেট সময় ০৮:১৯:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

জেলার শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার পেয়েছেন শরীয়তপুরের সখিপুর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ওবায়েদুল হক (১০ ফেব্রুয়ারী -২০২৫) সকালে জেলা পুলিশ লাইন্সের প্যারেড গ্রাউন্ডে পুলিশ মাসিক কল্যাণ সভায় শরীয়তপু জেলা পুলিশ সুপার মোঃ নজরুল ইসলাম তার হাতে সনদ তুলে দেন।

সন্ত্রাস ও মাদক প্রতিরোধে আইনশৃংখলার উন্নতি অব্যাহত রাখায় মো. ওবায়েদুল হক কে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার সনদ হাতে তুলে দেয়া হয়।

জানা যায় সখিপুর থানা এলাকাটি চর অঞ্চল থাকায় সন্ত্রাস, মাদক, ইভটিজিং, মারামারি, কাটাকাটি, হানাহানি হিসেবে পরিচিত ছিল।

ওসি হিসেবে ওবায়েদুল হক যোগদানের পর থেকে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি উন্নতির পথে হাঁটতে শুরু করে।
শরীয়তপুর পুলিশ সুপার নজরুল ইসলামের নির্দেশনা মোতাবেক, কাজ করে চিরুনি অভিযান চালিয়ে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ীদের পর্যায়ক্রমে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার করা হয় কয়েক লক্ষ টাকার মাদক। থেমে যায় ইভটিজিং এর কার্যক্রমও।

প্রতি সপ্তাহে তিনি সাধারণ মানুষের সমস্যা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী’র বিষয় বস্তুু নিয়ে মতবিনিময় করেন, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক, রাজনৈতিক ব্যক্তি, কমিউনিটি পুলিশিং নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে। পুলিশ’ হিসেবে আপামর জনসাধারণকে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সখিপুর থানার ৯ টি ইউনিয়নে বিট পুলিশিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান, এবং ১৫ সদস্য কমিউনিটি পুলিশিং ওয়ার্ড কমিটি, গঠন করা হয়।

তবে এসব মানবিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ওসি ওবায়েদুল হক ভুলে যাননি পেশাগত দায়িত্বের কথা। এলাকার বিভিন্ন বেআইনি কর্মকাণ্ড বন্ধে তিনি সজাগ। মানবিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি যে কোনো অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সর্বদা প্রস্তুত তিনি। পুলিশ শাসক নয়, শোষক নয়; পুলিশ জনগণের সেবক। এই মন্ত্রে উজ্জীবিত এখন পুরো সখিপুর থানায় পুলিশের সকল সদস্য। তাই হ্রাস পেয়েছে পুলিশ কর্তৃক মানুষের হয়রানি।

ওসি মো. ওবায়দুল হক বলেন, আমাদের এসপি মহোদয় এর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি, এবং এই পাওয়া আমার একার কৃতিত্ব নয়, থানার সব অফিসার ও ফোর্সদের কৃতিত্ব। এখানকার সাংবাদিকগন ও আমাকে সর্বাধিক সহযোগিতা করেছে, যার কারনে আজ আমি জেলার শ্রেষ্ঠ পুরস্কার সনদ পেয়েছি, এর আগেও আমি
পুরুস্কার পেয়েছি,এবং আমি চেষ্টা করব,এই থানাটি একটি আধুনিক মডেল সন্ত্রাস, মাদক, ইভটিজিং, মুক্ত থানা হিসেবে গড়ে তুলার।

তিনি আরও বলেন,  আমি সখিপুর থানার ওসি হয়ে এসেছি আপনাদের সেবা করতে, আমি সর্বদাই চেষ্টা করে যাচ্ছি জনগণ যাতে থানায় এসে হয়রানি না হয়,এবং সুষ্ঠ বিচার পায়। আমি দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে শপথ করেছি ন্যায়, নীতি, ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করব,  অপরাধীদের কোন ছাড় নেই, সে যতই শক্তিশালী হোক না কেন। আইন যে দেশের জনগনের জন্য সমান, সে ব্যাপারে মানুষকে উৎসাহিত করি।সখিপুরে জনগনের পুলিশের প্রতি হারানো আস্থা ফিরিয়ে  আনতে ও ন্যায় বিচার পেতে সর্বদাই আমি কাজ করে যাচ্ছি।  তাই মহান আল্লাহ তায়ালার  কাছে প্রার্থনা করব, আল্লাহ তায়ালা যেন আমাকে সর্বদা সুস্থ রাখেন।  আমিন।