ঢাকা ০৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চট্টগ্রাম গণপূর্তে প্রকৌশলী মেহেদী ও এনডিইকে ঘিরে ৫০ লাখ টাকার ঘুষের অভিযোগ বেনজীরকে দেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাইস কুকারে রান্না করতে গিয়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমন ১০ দিনের রিমান্ডে ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, যুক্তিতর্ক ৪ আগস্ট ইউপি সদস্য ফিরোজের বিরুদ্ধে, বিচার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ ভুক্তভোগীরা ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর কার্যক্রম আগস্টে পরিলক্ষিত হচ্ছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গোড়াই কটনমিল পরিদর্শন করলেন শরীফুল আলম বালুর ড্রেজার বসানো নিয়ে বাকবিতন্ডা, স্থানীয়দের হাতে মার খেলেন ববি ছাত্রদলের তিন নেতা কুমিল্লা ও ফেনী সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় শাড়ি-মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ

অধ্যাপক বিমল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক বিমল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। বিশ্বস্থ সূত্রে জানা গেছে, তিনি হিসাব রক্ষকের সাথে যোগসাজেসে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে এবং রোভার স্কাউটের টাকা তছরুপ করছেন। কলেজের উন্নয়নে কমিটি না করে সৌন্দর্যবর্ধন নামে ভুয়া বিল ভাউচার করে কলেজ থেকে টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

অধ্যক্ষের পছন্দের লোকজন দিয়ে ভুয়া বিল ভাউচারে মাধ্যমে ছাত্রছাত্রী ও বিভিন্ন ফান্ড হতে লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ভবনের রং করা, মাটিভরাট, স্টোর রুম তৈরি, চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র নির্মাণ, জাহানারা ইমাম ভবন নির্মাণ ও মাঠ ভরাট নামে ভুয়া বিল ভাউচার দিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে । শুধু তাই নয় কলেজের গাড়ীও নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন তিনি।

আসবাবপত্র ক্রয়ের ক্ষেত্রে পিপিআর অনুসরণ না করেই টেন্ডারে অনিয়মের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। কলেজে ব্যবহারিত মালামাল অকেজো দেখিয়ে টেকনিক্যাল কমিটির মতমত না নিয়ে বিক্রি করছেন এবং সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দিয়ে নিজে আত্মসাত করছেন। ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রশংসাপত্র দেয়ার নামে রিসিট না দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ করছেন শিক্ষার্থীরা।

বোর্ড নির্ধারিত টাকার পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের কাজ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে আত্মসাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও মজিবর সিন্ডিকেটের মাধ্যমে একাডেমিক ক্যালেন্ডার ছাপানোর নামে টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করে নেয়া হয়েছে। এ সব অভিযোগের বিষয় অধ্যক্ষ অধ্যাপক বিমল চন্দ্র দাসের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই সব অভিযোগ নিয়ে আপনি থাকেন। এ কথা বলেই ফোন রেখে দেন তিনি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম গণপূর্তে প্রকৌশলী মেহেদী ও এনডিইকে ঘিরে ৫০ লাখ টাকার ঘুষের অভিযোগ

অধ্যাপক বিমল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:০৪:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক বিমল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। বিশ্বস্থ সূত্রে জানা গেছে, তিনি হিসাব রক্ষকের সাথে যোগসাজেসে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে এবং রোভার স্কাউটের টাকা তছরুপ করছেন। কলেজের উন্নয়নে কমিটি না করে সৌন্দর্যবর্ধন নামে ভুয়া বিল ভাউচার করে কলেজ থেকে টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

অধ্যক্ষের পছন্দের লোকজন দিয়ে ভুয়া বিল ভাউচারে মাধ্যমে ছাত্রছাত্রী ও বিভিন্ন ফান্ড হতে লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ভবনের রং করা, মাটিভরাট, স্টোর রুম তৈরি, চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র নির্মাণ, জাহানারা ইমাম ভবন নির্মাণ ও মাঠ ভরাট নামে ভুয়া বিল ভাউচার দিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে । শুধু তাই নয় কলেজের গাড়ীও নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন তিনি।

আসবাবপত্র ক্রয়ের ক্ষেত্রে পিপিআর অনুসরণ না করেই টেন্ডারে অনিয়মের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। কলেজে ব্যবহারিত মালামাল অকেজো দেখিয়ে টেকনিক্যাল কমিটির মতমত না নিয়ে বিক্রি করছেন এবং সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দিয়ে নিজে আত্মসাত করছেন। ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রশংসাপত্র দেয়ার নামে রিসিট না দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ করছেন শিক্ষার্থীরা।

বোর্ড নির্ধারিত টাকার পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের কাজ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে আত্মসাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও মজিবর সিন্ডিকেটের মাধ্যমে একাডেমিক ক্যালেন্ডার ছাপানোর নামে টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করে নেয়া হয়েছে। এ সব অভিযোগের বিষয় অধ্যক্ষ অধ্যাপক বিমল চন্দ্র দাসের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই সব অভিযোগ নিয়ে আপনি থাকেন। এ কথা বলেই ফোন রেখে দেন তিনি।