ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চট্টগ্রাম গণপূর্তে প্রকৌশলী মেহেদী ও এনডিইকে ঘিরে ৫০ লাখ টাকার ঘুষের অভিযোগ বেনজীরকে দেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাইস কুকারে রান্না করতে গিয়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমন ১০ দিনের রিমান্ডে ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, যুক্তিতর্ক ৪ আগস্ট ইউপি সদস্য ফিরোজের বিরুদ্ধে, বিচার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ ভুক্তভোগীরা ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর কার্যক্রম আগস্টে পরিলক্ষিত হচ্ছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গোড়াই কটনমিল পরিদর্শন করলেন শরীফুল আলম বালুর ড্রেজার বসানো নিয়ে বাকবিতন্ডা, স্থানীয়দের হাতে মার খেলেন ববি ছাত্রদলের তিন নেতা কুমিল্লা ও ফেনী সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় শাড়ি-মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ

বিশ্বকাপ জয়ে ভারতকে যে পরামর্শ দিলেন পাকিস্তানের তারকা

২০১৩ সালের পর আইসিসির কোনো শিরোপা জিততে পারেনি ভারত। গত বছর বিশ্বকাপের শুরু থেকে দারুণ খেলে অপরাজিত থাকা ভারত ফাইনালে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যায়।

গত ১১ বছর আইসিসির কোনো শিরোপা জিততে না পারা ভারতকে শিরোপা খরা কাটাতে পরামর্শ দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক মিসবাহউল হক।

স্টার স্পোর্টসের প্রেস রুমের শোতে মিসবাহ বলেন, ‘ভারত পাকিস্তানসহ এশিয়ার অন্যান্য দেশে বিশাল জনসংখ্যা এবং অনেক বেশি প্রত্যাশার কারণে চাপের মুখে পড়ে যায় দলগুলো। এত বেশি চাপ থাকে যে, যা পারফরম্যান্সের ওপর প্রভাব ফেলে। গত কয়েকটি ইভেন্টে চাপের সাথে লড়াই করতে হয়েছে ভারতকে। এজন্য সাফল্য নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করতে পারেনি ভারত।’

তিনি আরও বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার জন্য এটি বড় সমস্যা নয়, কিন্তু পাকিস্তান এবং ভারতের জন্য এ ধরনের চাপের মধ্যে খেলা বড় চ্যালেঞ্জিং। ভবিষ্যতে কিভাবে এমন চাপ সামলাবে দলগুলো, সেটিই দেখার বিষয়। বিশেষভাবে ভারতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এটি। আইসিসি ইভেন্টে সফল হতে চাইলে চাপ সামলানোর পথ খুঁজে বের করতে হবে ভারতকে।’

মিসবাহ আরও বলেন, ‘এখনকার ভারতের দলটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাদের শক্তিশালী বোলিং লাইনআপ আছে। ব্যাটিং সবসময়ই শক্তিশালী ছিল। বোলিংয়ে উন্নতির কারণে দ্রুত তাদের খেলার মান বেড়েছে। বুমরাহ-সামি-সিরাজদের মতো পেসার এবং হার্ডিক পান্ডিয়ার মতো অলরাউন্ডার থাকার কারণে ভারতীয় ক্রিকেটের মান অনেক বেশি বেড়েছে। চাপ সামলানোর ক্ষমতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বেশি-বেশি ক্রিকেট খেলার কারণে তাদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। তাদের সমস্যায় ফেলতে প্রতিপক্ষকে অনেক চেষ্টা করতে হবে, যা কঠিন কাজ। উদাহরণস্বরূপ, অস্ট্রেলিয়ার দিকে তাকালে দেখা যায়- দৃঢ় মানসিকতার কারণে তারা যেকোনো বাধা অতিক্রম করে। বড় ম্যাচে যেকোনো চাপ সামলাতে পারে তারা।’

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম গণপূর্তে প্রকৌশলী মেহেদী ও এনডিইকে ঘিরে ৫০ লাখ টাকার ঘুষের অভিযোগ

বিশ্বকাপ জয়ে ভারতকে যে পরামর্শ দিলেন পাকিস্তানের তারকা

আপডেট সময় ০৭:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪

২০১৩ সালের পর আইসিসির কোনো শিরোপা জিততে পারেনি ভারত। গত বছর বিশ্বকাপের শুরু থেকে দারুণ খেলে অপরাজিত থাকা ভারত ফাইনালে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যায়।

গত ১১ বছর আইসিসির কোনো শিরোপা জিততে না পারা ভারতকে শিরোপা খরা কাটাতে পরামর্শ দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক মিসবাহউল হক।

স্টার স্পোর্টসের প্রেস রুমের শোতে মিসবাহ বলেন, ‘ভারত পাকিস্তানসহ এশিয়ার অন্যান্য দেশে বিশাল জনসংখ্যা এবং অনেক বেশি প্রত্যাশার কারণে চাপের মুখে পড়ে যায় দলগুলো। এত বেশি চাপ থাকে যে, যা পারফরম্যান্সের ওপর প্রভাব ফেলে। গত কয়েকটি ইভেন্টে চাপের সাথে লড়াই করতে হয়েছে ভারতকে। এজন্য সাফল্য নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করতে পারেনি ভারত।’

তিনি আরও বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার জন্য এটি বড় সমস্যা নয়, কিন্তু পাকিস্তান এবং ভারতের জন্য এ ধরনের চাপের মধ্যে খেলা বড় চ্যালেঞ্জিং। ভবিষ্যতে কিভাবে এমন চাপ সামলাবে দলগুলো, সেটিই দেখার বিষয়। বিশেষভাবে ভারতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এটি। আইসিসি ইভেন্টে সফল হতে চাইলে চাপ সামলানোর পথ খুঁজে বের করতে হবে ভারতকে।’

মিসবাহ আরও বলেন, ‘এখনকার ভারতের দলটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাদের শক্তিশালী বোলিং লাইনআপ আছে। ব্যাটিং সবসময়ই শক্তিশালী ছিল। বোলিংয়ে উন্নতির কারণে দ্রুত তাদের খেলার মান বেড়েছে। বুমরাহ-সামি-সিরাজদের মতো পেসার এবং হার্ডিক পান্ডিয়ার মতো অলরাউন্ডার থাকার কারণে ভারতীয় ক্রিকেটের মান অনেক বেশি বেড়েছে। চাপ সামলানোর ক্ষমতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বেশি-বেশি ক্রিকেট খেলার কারণে তাদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। তাদের সমস্যায় ফেলতে প্রতিপক্ষকে অনেক চেষ্টা করতে হবে, যা কঠিন কাজ। উদাহরণস্বরূপ, অস্ট্রেলিয়ার দিকে তাকালে দেখা যায়- দৃঢ় মানসিকতার কারণে তারা যেকোনো বাধা অতিক্রম করে। বড় ম্যাচে যেকোনো চাপ সামলাতে পারে তারা।’