ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাশিয়া-ইউক্রেনে ভয়াবহ পাল্টাপাল্টি হামলা, প্রাণ গেল ২২ জনের ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট গ্যাসের স্বল্পচাপে উৎপাদন ব্যাহত, রান্নার চুলা নিভু নিভু শিক্ষা ক্যাডার সহিদুল ইসলামকে ঘিরে আবাসন ব্যবসার অভিযোগ ‘লেক আইল্যান্ড ঢাকা’র বিরুদ্ধে শত কোটি টাকা নিয়ে প্লট না দেওয়ার অভিযোগ বনানী প্রেসক্লাবের বিজয় ও লিমনসহ চার গণমাধ্যমকর্মীর প্রয়াণ: মঙ্গলবার বাদ মাগরিব খিলক্ষেত প্রেসক্লাবে বিশেষ দোয়া জিপিএইচ ইস্পাতের কাছে বন্দি সীতাকুণ্ডের ত্রিপুরাপল্লী কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ, তবুও বহাল অগ্রণী ব্যাংকের অভিযুক্ত কর্মকর্তারা বরিশালের প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগে দুর্নীতির অভিযোগের কেন্দ্রে উপ-পরিচালক ইয়াসমিন সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিকদের হয়রানির অভিযোগ সার্জেন্ট আরিফের বিরুদ্ধে

দুর্নীতি মামলায় স্বাস্থ্যের রংপুর বিভাগীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা কারাগারে

দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের দায়েরকৃত মামলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রংপুর বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) মো. ফজলুল হককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে বিজ্ঞ আদালত।

বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক জনাব,মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ প্রদান করেন। এর আগে আসামির পক্ষের আইনজীবীরা আদালতে জামিন আবেদন করেন। এসময় দুদকের আইনজীবী মো. রফিকুর ইসলাম জুয়েল জামিনের ঘোর বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আসামির জামিনের আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান বিজ্ঞ বিচারিক আদালত।

অনুসন্ধানীতে জানাজায়, ১৯৯৭ সালে ফজলুল হক এম. এল. এস. এস. পদে রংপুর মেডিকেল কলেজে যোগদান করেন,পরবর্তীতে ২০০৪ সালে অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক, ২০০৯ সালে স্টোর কিপার এবং ২০১২ সাল থেকে প্রধান (চ:দা:) হিসেবে পরিচালকের (স্বাস্থ্য) দপ্তর রংপুর বিভাগ এ কর্মরত রয়েছেন এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

দুদকের তথ্য অনুসন্ধানীতে জানা যায়, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন’২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তার বিরুদ্ধে মামলা রজু করেন দুদক, দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আতাউর রহমান সরকার বাদী হয়ে সংস্থাটির সমন্বিত জেলা কার্যাল ঢাকা-১-এ মামলাটি দায়ের করেন।মামলা সূত্রে জানা গেছে, তিনি দুই কোটি ৪০ লাখ ১৩ হাজার ২৯৪ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় দুদক তার সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করে। পরে ২০১৯ সালের ৩০ জুন তার নামীয় সম্পদ বিবরণী দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করেন।
দাখিল করা সম্পদ বিবরণী অনুসন্ধানকালে মো. ফজলুল হকের নিজ মালিকানায় রংপুর জেলার সদর উপজেলাধীন দেওডোবা মৌজায় একটি বিল্ডিং, একটি টিনসেড বাড়ি, রংপুর জেলার সদর উপজেলাধীন দেওডোবা বানিয়াপাড়া, মলাখাওয়ার পাথার, আলমনগর, দর্শনা, ফতেপুর ও পাইকার পাড়া এলাকায় প্রায় চার একর জমি, কুড়িগ্রাম জেলার কাশিপুর ইউনিয়নে জমিসহ স্থাবর সম্পদ, আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পায় দুদক।

এরমধ্যে দুই কোটি ৪০ লাখ ১৩ হাজার ২৯৪ টাকার সম্পদ অর্জনের স্বপক্ষে আয়ের বৈধ কোনো উৎস সম্পদ বি দেখাতে পারেননি মো. ফজলুল হক।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাশিয়া-ইউক্রেনে ভয়াবহ পাল্টাপাল্টি হামলা, প্রাণ গেল ২২ জনের

দুর্নীতি মামলায় স্বাস্থ্যের রংপুর বিভাগীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা কারাগারে

আপডেট সময় ০২:২৭:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০২৪

দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের দায়েরকৃত মামলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রংপুর বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) মো. ফজলুল হককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে বিজ্ঞ আদালত।

বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক জনাব,মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ প্রদান করেন। এর আগে আসামির পক্ষের আইনজীবীরা আদালতে জামিন আবেদন করেন। এসময় দুদকের আইনজীবী মো. রফিকুর ইসলাম জুয়েল জামিনের ঘোর বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আসামির জামিনের আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান বিজ্ঞ বিচারিক আদালত।

অনুসন্ধানীতে জানাজায়, ১৯৯৭ সালে ফজলুল হক এম. এল. এস. এস. পদে রংপুর মেডিকেল কলেজে যোগদান করেন,পরবর্তীতে ২০০৪ সালে অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক, ২০০৯ সালে স্টোর কিপার এবং ২০১২ সাল থেকে প্রধান (চ:দা:) হিসেবে পরিচালকের (স্বাস্থ্য) দপ্তর রংপুর বিভাগ এ কর্মরত রয়েছেন এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

দুদকের তথ্য অনুসন্ধানীতে জানা যায়, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন’২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তার বিরুদ্ধে মামলা রজু করেন দুদক, দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আতাউর রহমান সরকার বাদী হয়ে সংস্থাটির সমন্বিত জেলা কার্যাল ঢাকা-১-এ মামলাটি দায়ের করেন।মামলা সূত্রে জানা গেছে, তিনি দুই কোটি ৪০ লাখ ১৩ হাজার ২৯৪ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় দুদক তার সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করে। পরে ২০১৯ সালের ৩০ জুন তার নামীয় সম্পদ বিবরণী দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করেন।
দাখিল করা সম্পদ বিবরণী অনুসন্ধানকালে মো. ফজলুল হকের নিজ মালিকানায় রংপুর জেলার সদর উপজেলাধীন দেওডোবা মৌজায় একটি বিল্ডিং, একটি টিনসেড বাড়ি, রংপুর জেলার সদর উপজেলাধীন দেওডোবা বানিয়াপাড়া, মলাখাওয়ার পাথার, আলমনগর, দর্শনা, ফতেপুর ও পাইকার পাড়া এলাকায় প্রায় চার একর জমি, কুড়িগ্রাম জেলার কাশিপুর ইউনিয়নে জমিসহ স্থাবর সম্পদ, আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পায় দুদক।

এরমধ্যে দুই কোটি ৪০ লাখ ১৩ হাজার ২৯৪ টাকার সম্পদ অর্জনের স্বপক্ষে আয়ের বৈধ কোনো উৎস সম্পদ বি দেখাতে পারেননি মো. ফজলুল হক।