ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাশিয়া-ইউক্রেনে ভয়াবহ পাল্টাপাল্টি হামলা, প্রাণ গেল ২২ জনের ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট গ্যাসের স্বল্পচাপে উৎপাদন ব্যাহত, রান্নার চুলা নিভু নিভু শিক্ষা ক্যাডার সহিদুল ইসলামকে ঘিরে আবাসন ব্যবসার অভিযোগ ‘লেক আইল্যান্ড ঢাকা’র বিরুদ্ধে শত কোটি টাকা নিয়ে প্লট না দেওয়ার অভিযোগ বনানী প্রেসক্লাবের বিজয় ও লিমনসহ চার গণমাধ্যমকর্মীর প্রয়াণ: মঙ্গলবার বাদ মাগরিব খিলক্ষেত প্রেসক্লাবে বিশেষ দোয়া জিপিএইচ ইস্পাতের কাছে বন্দি সীতাকুণ্ডের ত্রিপুরাপল্লী কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ, তবুও বহাল অগ্রণী ব্যাংকের অভিযুক্ত কর্মকর্তারা বরিশালের প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগে দুর্নীতির অভিযোগের কেন্দ্রে উপ-পরিচালক ইয়াসমিন সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিকদের হয়রানির অভিযোগ সার্জেন্ট আরিফের বিরুদ্ধে

বরগুনা প্রেসক্লাব দখলের অপচেষ্টা ও হামলা মামলায় ৭ জন কারাগারে

বরগুনা প্রেসক্লাব দখলের অপচেষ্টা ও ন্যাক্কারজনক হামলা ঘটনায় দ্রুত বিচার আদালতে দায়েরকৃত মামলায় ৭ আসামির জামিন না-মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হারুন অর রশিদ। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে আদালতে এ আদেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, বরগুনা প্রেস ক্লাবের অধিকাংশ সদস্য বার্ষিক শিক্ষা সফরে ভারতে অবস্থানরত অবস্থায় গত ১৯ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় এক ইউপি সদস্য মাসুদ তালুকদার ও কথিত সাংবাদিক মুশফিক আরিফের নেতৃত্বে বরগুনা প্রেসক্লাবে হামলা চালিয়ে দখলের চেষ্টা চালায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল। এ ঘটনায় আহত হন বরগুনা প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও এনটিভির স্টাফ রিপোর্টার সোহেল হাফিজ, যমুনা টেলিভিশনের রিপোর্টার ফেরদৌস খান ইমন এবং সময় টেলিভিশনের রিপোর্টার সাইফুল ইসলাম মিরাজসহ ৭ জন সংবাদকর্মী। পরে এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫০ জনকে অভিযুক্ত করে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করে বরগুনা প্রেসক্লাব। আজ ধার্য তারিখে আদালতে আসামিরা হাজির হলে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হারুন অর রশিদ জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

জামিন না-মঞ্জুরকৃত আসামিরা হলেন বরগুনা জেলা শহরের কাজী নজরুল ইসলাম সড়কের মৃত নজরুল শরীফের ছেলে মুশফিকুল ইসলাম (মুশফিক আরিফ), পাথরঘাটা উপজেলার বাঁশতলা নাসনাপাড়া গ্রামের হামিদ মোল্লার ছেলে এম হারুন অর রশিদ রিংকু, বরগুনা সদরের খাজুরতলা গ্রামের মৃত আবুল হোসেন হাওলাদারের ছেলে সগীর হোসেন, বরগুনা সদরের পাজরাভাঙ্গা গ্রামের পিন্চু শরীফের ছেলে শাজনুস শরীফ, বরগুনা পৌরসভার আব্দুল কাদের সড়কের মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে আল-আমিন, পাথরঘাটা উপজেলার দক্ষিণ রূপদোনের গ্রামের মৃত ইব্রাহিম খলিলের ছেলে জাফরুল হাসান রুহান (রুদ্র রুহান) ও বরগুনা পৌরসভার থানা পাড়ার মোশাররফ খানের ছেলে রাকিবুল হাসান রাজন খান। বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী গোলাম মোস্তফা কাদের ও আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী একেএম শফিকুল ইসলাম নেছার।

এ ব্যাপারে বরগুনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আইনজীবী গোলাম কাদের বলেন, বরগুনা প্রেসক্লাবে হামলার ঘটনার ১৩ দিন পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান প্রেসক্লাব কর্তৃক দায়েরকৃত মামলার ১ নম্বর আসামি কথিত সাংবাদিক মাসুদ তালুকদার। এই স্বাভাবিক মৃত্যুকে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হত্যা মামলা দায়ের করে স্বার্থন্বেষী ওই মহলটি। এ ছাড়াও বরগুনা প্রেস ক্লাবের প্যাড ও লোগো ব্যবহার করে আসামিরাসহ বাইরের কিছু তথাকথিত সাংবাদিকদের নিয়ে বরগুনা প্রেস ক্লাবের নামে একটি ভুয়া কমিটির ঘোষণা করে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাশিয়া-ইউক্রেনে ভয়াবহ পাল্টাপাল্টি হামলা, প্রাণ গেল ২২ জনের

বরগুনা প্রেসক্লাব দখলের অপচেষ্টা ও হামলা মামলায় ৭ জন কারাগারে

আপডেট সময় ০২:১০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০২৪

বরগুনা প্রেসক্লাব দখলের অপচেষ্টা ও ন্যাক্কারজনক হামলা ঘটনায় দ্রুত বিচার আদালতে দায়েরকৃত মামলায় ৭ আসামির জামিন না-মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হারুন অর রশিদ। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে আদালতে এ আদেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, বরগুনা প্রেস ক্লাবের অধিকাংশ সদস্য বার্ষিক শিক্ষা সফরে ভারতে অবস্থানরত অবস্থায় গত ১৯ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় এক ইউপি সদস্য মাসুদ তালুকদার ও কথিত সাংবাদিক মুশফিক আরিফের নেতৃত্বে বরগুনা প্রেসক্লাবে হামলা চালিয়ে দখলের চেষ্টা চালায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল। এ ঘটনায় আহত হন বরগুনা প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও এনটিভির স্টাফ রিপোর্টার সোহেল হাফিজ, যমুনা টেলিভিশনের রিপোর্টার ফেরদৌস খান ইমন এবং সময় টেলিভিশনের রিপোর্টার সাইফুল ইসলাম মিরাজসহ ৭ জন সংবাদকর্মী। পরে এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫০ জনকে অভিযুক্ত করে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করে বরগুনা প্রেসক্লাব। আজ ধার্য তারিখে আদালতে আসামিরা হাজির হলে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হারুন অর রশিদ জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

জামিন না-মঞ্জুরকৃত আসামিরা হলেন বরগুনা জেলা শহরের কাজী নজরুল ইসলাম সড়কের মৃত নজরুল শরীফের ছেলে মুশফিকুল ইসলাম (মুশফিক আরিফ), পাথরঘাটা উপজেলার বাঁশতলা নাসনাপাড়া গ্রামের হামিদ মোল্লার ছেলে এম হারুন অর রশিদ রিংকু, বরগুনা সদরের খাজুরতলা গ্রামের মৃত আবুল হোসেন হাওলাদারের ছেলে সগীর হোসেন, বরগুনা সদরের পাজরাভাঙ্গা গ্রামের পিন্চু শরীফের ছেলে শাজনুস শরীফ, বরগুনা পৌরসভার আব্দুল কাদের সড়কের মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে আল-আমিন, পাথরঘাটা উপজেলার দক্ষিণ রূপদোনের গ্রামের মৃত ইব্রাহিম খলিলের ছেলে জাফরুল হাসান রুহান (রুদ্র রুহান) ও বরগুনা পৌরসভার থানা পাড়ার মোশাররফ খানের ছেলে রাকিবুল হাসান রাজন খান। বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী গোলাম মোস্তফা কাদের ও আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী একেএম শফিকুল ইসলাম নেছার।

এ ব্যাপারে বরগুনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আইনজীবী গোলাম কাদের বলেন, বরগুনা প্রেসক্লাবে হামলার ঘটনার ১৩ দিন পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান প্রেসক্লাব কর্তৃক দায়েরকৃত মামলার ১ নম্বর আসামি কথিত সাংবাদিক মাসুদ তালুকদার। এই স্বাভাবিক মৃত্যুকে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হত্যা মামলা দায়ের করে স্বার্থন্বেষী ওই মহলটি। এ ছাড়াও বরগুনা প্রেস ক্লাবের প্যাড ও লোগো ব্যবহার করে আসামিরাসহ বাইরের কিছু তথাকথিত সাংবাদিকদের নিয়ে বরগুনা প্রেস ক্লাবের নামে একটি ভুয়া কমিটির ঘোষণা করে।