গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের নামে ভারতীয় চোরাচালান থেকে দৈনিক লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করে আসছে উজ্জ্বল, মানিক ও কামাল সিন্ডিকেট। আর তাদের সেল্টার দিচ্ছে গোয়াইনঘাট থানার এসআই পিন্টু। এলাকায় এরা চার কুতুব নামে পরিচিত। এদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকার জনগণ। এই চার কুতুবের মারফতে চোরাইপথে আসা ভারতীয় পণ্যের ওপর দৈনিক লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরাই মূলত অত্র এলাকার চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রক।
সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার ১১নং মধ্য জাফলং ইউনিয়নের সিড়িরঘাট, হাজীপুর, লামা পুঞ্জি, প্রতাপপুর বিজিবি ক্যাম্পের সামনের রাস্তা, নকশিয়া পুঞ্জি, জিরো পয়েন্ট, কাটারি রাস্তা ও জাফলং চা বাগান হয়ে এই ইউনিয়ন ও পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের প্রায় ২২টি চোরাই পথে আসছে ভারতীয় চোরাই পণ্য।
চিনি, আলু, টমেটো, পেঁয়াজ, অস্ত্র, মাদক, বিভিন্ন ব্রান্ডের মোটরসাইকেল। চোরাই পথে আসা এ সকল পণ্যের সরকারি কোন বৈধতা না থাকলেও স্থানীয় থানা পুলিশ নিজেদের ফোর্স ও স্থানীয় জনবল নিয়োগ দিয়ে চোরাইপথে আসা ভারতীয় পণ্যের উপর দৈনিক কোটি কোটি টাকা চাঁদা আদায় করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের একজন লাইনম্যান জানান- পুলিশের লাইম্যান হিসেবে দিনের বেলায় এলাকায় দাপটের সাথে ঘুরে বেড়ায় ১১নং মধ্য জাফলং ইউনিয়নের বাউরভাগ গ্রামের বাসিন্দা উজ্জ্বল মিয়া, মানিক মিয়া ওরফে (কালা মানিক) ও একই ইউনিয়নের কাপাউরা গ্রামের বাসিন্দা কামাল।
এই চার কুতুব দীর্ঘদিন ধরে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের নামে ভারতীয় চোরাচালান থেকে দৈনিক লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করে আসলেও পুলিশের এসআই পিন্টু জড়িত থাকার কারণে কোন ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা।
বিগত কয়েকদিন আগে উপজেলার দুই অনুসন্ধানী সংবাদকর্মীরা সরাসরি মাঠে গিয়ে তাঁদের অপকর্মের তথ্য সংগ্রহ করতে চাইলে তারা উলটো তাঁদের প্রাণে হত্যার চেষ্টা চালায় এই চক্র।
চোরাচালান ও পুলিশের নামে এই চার কুতুবের চাঁদাবাজির বিষয়ে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসির সরকারি মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করেও তার মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
সংবাদ শিরোনাম ::
গোয়াইনঘাটে চার কুতুবের চাঁদাবাজি: দেখার কেউ নেই
-
মোহাম্মদ লিটন, চীফ ক্রাইম রিপোর্টার। - আপডেট সময় ০৭:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ ২০২৪
- ৭৩১ বার পড়া হয়েছে
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

























