ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়ের ৭ নং ওয়ার্ডে যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত করেন পাষন্ড স্বামী সামিউল মাতাব্বর।
আজ ২৭ মার্চ বুধবার বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে কাচিয়া ৭ নং ওয়ার্ডের মাতাব্বর বাড়ীতে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভুগী সোনিয়া অভিযোগ করে বলেন-আমার স্বামী প্রায় সময় আমাকে যৌতুকের জন্য চাপসৃষ্টি করে থাকেন,আমি আমার বাবার বাড়ী থেকে আমার স্বামীকে বিভিন্ন ভাবে ৫ লক্ষ টাকা এনে দেই। এরপরও তার চাহিদা মিটাতে পারিনাই,এমনকি সে বাসায় আসলে সামন্য বিষয় নিয়ে আমার উপর রেগে যায়। কিছুদিন আগেও আমার কাছে টাকা চায়, আমি না বলায়, আমাকে বলে, সে নতুন করে বিয়ে করবে এমন হুমকি দেন।
আশেপাশের তার বন্ধুদের কাছে জানতে পারি, সে নাকি বিয়ে করছে, আমার স্বামী সামিউলকে জিজ্ঞেস করলে, সে বলে বিয়ে করেছি তাতে তোর কি, আজ বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৪ টার দিকে তার মোবাইলে কল আসলে আমি রিসিভ করি,দেখি একটা মেয়ের কন্ঠ, আমি তাকে বলি আপনি কে, মেয়েটি আমাকে বলে সামিউলের মোবাইল কেন ধরেছি, এই নিয়ে আমার স্বামী কে বললাম তোমার মোবাইলে একটি মেয়ে কল দিছে, আমি রিসিভ করলে, আমাকে বলে আমি কে, এটা বলার পর আমার স্বামী সামিউল আমাকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুসি ও লাঠি দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করেন।পরে আমার শ্বশুর ধরতে এলে তাকেও মারধর করেন।এর আগেও আমার উপর গরম পানি নিক্ষেপ করেন। আমি তখন বোরহানউদ্দিনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হই। এই ভাবে প্রতিনিয়ত যৌতুকের জন্য আমার উপর নির্যাতন চালায়।
পরে আমার শ্বশুর আমাকে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে এনে ভর্তি করেন।
অভিযুক্ত সামিউলকে মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি বললেন – আমি বাসায় আসার পর মোবাইল রেখে বাথরুমে যাই, আমার মোবাইলে কল আসলে রিসিভ করে,বাথরুম থেকে বেড় হলে আমার স্ত্রী গালমন্দ করতে থাকে,জিজ্ঞেস করলে কিছুই না বলে গালিগালাজ করেই যাচ্ছে পরে আমি একপর্যায়ে কথার কাটাকাটির মধ্যে তাকে ধাক্কা দিলে পরে যায়।
বোরহানউদ্দিন থানার ইনচার্জ ওসি শাহীন ফকির (বিপিএম) বলেন- অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে দোষীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রিয়াজ ফরাজি.স্টাফ রিপোর্টার 
























