ঢাকা ০১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তীব্র শীতে কাঁপছে পঞ্চগড়

শীতের প্রকোপে আক্রান্ত উত্তরের জেলা পঞ্চগড়। জেলাটিতে আবারও ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমেছে তাপমাত্রা।বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

আবহাওয়া তথ্যানুসারে, বুধবার (২০ ডিসেম্বর) তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ১৯ ডিসেম্বর ৯ দশমিক ৫, ১৮ ডিসেম্বর ৯ দশমিক ৭, ১৭ ডিসেম্বর ১০ ও ১৬ ডিসেম্বর ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হচ্ছে ২৫ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।

দেখা গেছে, সন্ধ্যার পর থেকেই উত্তর দিক থেকে হিমেল বাতাস বইতে শুরু করে। চারপাশে কুয়াছন্ন পরিবেশের সাথে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। মধ্যে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশার চাঁদরে ঢেকে থাকছে চারপাশ। সকালের পর সূর্যের আলো দেখা মিললেও তেমন উত্তাপ ছড়াচ্ছে না। ফলে শীতের তীব্রতায় দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষরা।

জেলার সদর উপজেলার চা শ্রমিকরা ব্লেন, কয়েক দিনের তুলনায় কুয়াশা কিছুটা কমলেও বেড়েছে শীতের তীব্রতা। শীতের কারণে ঠিকমতো কাজও করতে পারছেন না তারা।

জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, “প্রতি বছর এ জেলায় শীত বেশি থাকে। এবারও শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু করেছি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে শীতবস্ত্র চেয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। প্রকৃত গরিব, অসহায় ও শীতার্তদের মধ্যে এসব শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে।”

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র শীতে কাঁপছে পঞ্চগড়

আপডেট সময় ০১:৩৪:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৩

শীতের প্রকোপে আক্রান্ত উত্তরের জেলা পঞ্চগড়। জেলাটিতে আবারও ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমেছে তাপমাত্রা।বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

আবহাওয়া তথ্যানুসারে, বুধবার (২০ ডিসেম্বর) তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ১৯ ডিসেম্বর ৯ দশমিক ৫, ১৮ ডিসেম্বর ৯ দশমিক ৭, ১৭ ডিসেম্বর ১০ ও ১৬ ডিসেম্বর ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হচ্ছে ২৫ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।

দেখা গেছে, সন্ধ্যার পর থেকেই উত্তর দিক থেকে হিমেল বাতাস বইতে শুরু করে। চারপাশে কুয়াছন্ন পরিবেশের সাথে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। মধ্যে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশার চাঁদরে ঢেকে থাকছে চারপাশ। সকালের পর সূর্যের আলো দেখা মিললেও তেমন উত্তাপ ছড়াচ্ছে না। ফলে শীতের তীব্রতায় দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষরা।

জেলার সদর উপজেলার চা শ্রমিকরা ব্লেন, কয়েক দিনের তুলনায় কুয়াশা কিছুটা কমলেও বেড়েছে শীতের তীব্রতা। শীতের কারণে ঠিকমতো কাজও করতে পারছেন না তারা।

জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, “প্রতি বছর এ জেলায় শীত বেশি থাকে। এবারও শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু করেছি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে শীতবস্ত্র চেয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। প্রকৃত গরিব, অসহায় ও শীতার্তদের মধ্যে এসব শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে।”