ঢাকা ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে : নুরুল হক নুর একাত্তরে ভুল করা দলকে উসকানির রাজনীতি বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কুষ্টিয়ায় আমির হামজার গাড়ি ভাঙচুর, জামায়াত-গণঅধিকারের সংঘর্ষ কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপকের মরদেহ উদ্ধার আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া, নিহত ৪৭ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বসছে ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ লালমনিরহাটে আবাসিক হোটেলের আড়ালে ব্ল্যাকমেইল ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পটুয়াখালী পৌরসভার প্রশাসকসহ ৩ কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ​ব্রাহ্মণপাড়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

চিরচেনা সেই ভিড় নেই সদরঘাটে, স্বস্তিতে ফিরছেন ঘুরমুখো মানুষ

পবিত্র ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র ৪ দিন। মানুষ লঞ্চে, ট্রেনে ও বাসে করে বাড়ি ফিরছেন। রেলেও নেই আগের মতো সিডিউল বিপর্যয় ফলে মানুষ বাড়ি ফিরছেন কোনও ঝামেলা ছাড়াই। মহাসড়কে তেমন কোনও যানজট না থাকায় স্বস্তিতেই ঘরে ফিরছেন সড়ক পথের যাত্রীরা। ঠিক তেমন চিত্রই লক্ষ করা গেছে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে।

পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ সহজ হওয়ায় স্বাভাবিক সময়ে নৌযাত্রীতে ভাটা পড়লেও, ঈদ সামনে রেখে প্রাণ ফিরেছে সদরঘাট এলাকায়।

রবিবার (২৫ জুন) সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায় এ চিত্র।

সরেজমিনে দেখা যায়, যাত্রীবোঝাই করে দক্ষিণাঞ্চলের লঞ্চগুলো পন্টুন ছেড়ে যাচ্ছে। গুলিস্তান-সদরঘাট রাস্তায় যানজট কারণে ভোগান্তি থাকলেও টার্মিনালে আগের মতো ভিড় না থাকায় অনেকটা স্বস্তি নিয়েই বাড়ি ফিরছেন যাত্রীরা।

বিআইডব্লিওটিএ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৪ জুন) ঢাকা নদী বন্দর থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে মোট ৭১টি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। আগের দিন (শুক্রবার) এই সংখ্যা ছিল ৬৫টি। যাত্রীর চাপ বাড়ায় ঢাকা-বরিশাল, ঢাকা-পটুয়াখালীসহ কয়েকটি রুটে বাড়ানো হয়েছে লঞ্চের সংখ্যাও। রোববারও ৭০-৭৫টা লঞ্চ ঘাট ছাড়তে পারে।

লঞ্চ সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদ ঘনিয়ে আসায় সদরঘাটে যাত্রীর চাপ বেড়েছে। গত শুক্রবারের (২৩ জুন) তুলনায় শনিবার যাত্রীর চাপ আরও বেড়েছে। সেজন্য কয়েকটি রুটে লঞ্চের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।

ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলকারী এমভি প্রিন্স আওলাদের সুপারভাইজার হৃদয় জানান, প্রতিদিনই যাত্রীর চাপ বাড়ছে। অগ্রিম বুকিংও হয়েছে ২৮ তারিখ পর্যন্ত। ২৬-২৭ আমাদের কোনো কেবিন ফাঁকা নেই।

বরিশালগামী যাত্রী সোহাগ বলেন, ‘আমি মোহাম্মদপুর থেকে এসেছি। বাসা থেকে সকাল ১০ টায় রওনা করে গুলিস্তানে পৌঁছেছি ১১টা ১৫ মিনিটে। আর গুলিস্তান থেকে সদরঘাট এটুকু পথ আসতে ১ ঘণ্টারও বেশি লেগেছে। তবে আগেই ফোন করে টিকিট বুকিং দিয়ে রেখেছিলাম।

সদরঘাট নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুর রহমান খান বলেন, এবারের ঈদযাত্রায় যাত্রীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা (নিরাপত্তা বাহিনী) সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছি। পুলিশ, নৌ পুলিশের পাশাপাশি লঞ্চ টার্মিনাল এলাকায় র‍্যাবের একটি টিম আলাদাভাবে কাজ কছে।

সদরঘাটে বিআইডব্লিওটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা দপ্তরের যুগ্ম পরিচালক কবির হোসেন জানান, আগের তুলনায় যাত্রীর চাপ বাড়ছে। যাত্রীর চাপ বাড়লে লঞ্চ প্রস্তুত আছে। মালিক সমিতির সঙ্গে কথা বলে আমরা স্পেশাল লঞ্চ দিয়ে দেব। শনিবার ঢাকা নদী বন্দর থেকে মোট ৭১টি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। আজ থেকে লঞ্চ সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে, সেক্ষেত্রে ৭০-৭৫ টা যেতে পারে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে : নুরুল হক নুর

চিরচেনা সেই ভিড় নেই সদরঘাটে, স্বস্তিতে ফিরছেন ঘুরমুখো মানুষ

আপডেট সময় ১১:৫১:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জুন ২০২৩

পবিত্র ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র ৪ দিন। মানুষ লঞ্চে, ট্রেনে ও বাসে করে বাড়ি ফিরছেন। রেলেও নেই আগের মতো সিডিউল বিপর্যয় ফলে মানুষ বাড়ি ফিরছেন কোনও ঝামেলা ছাড়াই। মহাসড়কে তেমন কোনও যানজট না থাকায় স্বস্তিতেই ঘরে ফিরছেন সড়ক পথের যাত্রীরা। ঠিক তেমন চিত্রই লক্ষ করা গেছে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে।

পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ সহজ হওয়ায় স্বাভাবিক সময়ে নৌযাত্রীতে ভাটা পড়লেও, ঈদ সামনে রেখে প্রাণ ফিরেছে সদরঘাট এলাকায়।

রবিবার (২৫ জুন) সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায় এ চিত্র।

সরেজমিনে দেখা যায়, যাত্রীবোঝাই করে দক্ষিণাঞ্চলের লঞ্চগুলো পন্টুন ছেড়ে যাচ্ছে। গুলিস্তান-সদরঘাট রাস্তায় যানজট কারণে ভোগান্তি থাকলেও টার্মিনালে আগের মতো ভিড় না থাকায় অনেকটা স্বস্তি নিয়েই বাড়ি ফিরছেন যাত্রীরা।

বিআইডব্লিওটিএ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৪ জুন) ঢাকা নদী বন্দর থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে মোট ৭১টি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। আগের দিন (শুক্রবার) এই সংখ্যা ছিল ৬৫টি। যাত্রীর চাপ বাড়ায় ঢাকা-বরিশাল, ঢাকা-পটুয়াখালীসহ কয়েকটি রুটে বাড়ানো হয়েছে লঞ্চের সংখ্যাও। রোববারও ৭০-৭৫টা লঞ্চ ঘাট ছাড়তে পারে।

লঞ্চ সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদ ঘনিয়ে আসায় সদরঘাটে যাত্রীর চাপ বেড়েছে। গত শুক্রবারের (২৩ জুন) তুলনায় শনিবার যাত্রীর চাপ আরও বেড়েছে। সেজন্য কয়েকটি রুটে লঞ্চের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।

ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলকারী এমভি প্রিন্স আওলাদের সুপারভাইজার হৃদয় জানান, প্রতিদিনই যাত্রীর চাপ বাড়ছে। অগ্রিম বুকিংও হয়েছে ২৮ তারিখ পর্যন্ত। ২৬-২৭ আমাদের কোনো কেবিন ফাঁকা নেই।

বরিশালগামী যাত্রী সোহাগ বলেন, ‘আমি মোহাম্মদপুর থেকে এসেছি। বাসা থেকে সকাল ১০ টায় রওনা করে গুলিস্তানে পৌঁছেছি ১১টা ১৫ মিনিটে। আর গুলিস্তান থেকে সদরঘাট এটুকু পথ আসতে ১ ঘণ্টারও বেশি লেগেছে। তবে আগেই ফোন করে টিকিট বুকিং দিয়ে রেখেছিলাম।

সদরঘাট নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুর রহমান খান বলেন, এবারের ঈদযাত্রায় যাত্রীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা (নিরাপত্তা বাহিনী) সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছি। পুলিশ, নৌ পুলিশের পাশাপাশি লঞ্চ টার্মিনাল এলাকায় র‍্যাবের একটি টিম আলাদাভাবে কাজ কছে।

সদরঘাটে বিআইডব্লিওটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা দপ্তরের যুগ্ম পরিচালক কবির হোসেন জানান, আগের তুলনায় যাত্রীর চাপ বাড়ছে। যাত্রীর চাপ বাড়লে লঞ্চ প্রস্তুত আছে। মালিক সমিতির সঙ্গে কথা বলে আমরা স্পেশাল লঞ্চ দিয়ে দেব। শনিবার ঢাকা নদী বন্দর থেকে মোট ৭১টি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। আজ থেকে লঞ্চ সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে, সেক্ষেত্রে ৭০-৭৫ টা যেতে পারে।