ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে : নুরুল হক নুর একাত্তরে ভুল করা দলকে উসকানির রাজনীতি বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কুষ্টিয়ায় আমির হামজার গাড়ি ভাঙচুর, জামায়াত-গণঅধিকারের সংঘর্ষ কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপকের মরদেহ উদ্ধার আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া, নিহত ৪৭ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বসছে ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ লালমনিরহাটে আবাসিক হোটেলের আড়ালে ব্ল্যাকমেইল ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পটুয়াখালী পৌরসভার প্রশাসকসহ ৩ কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ​ব্রাহ্মণপাড়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

হাটে পর্যাপ্ত গরুর যোগান, ক্রেতা কম দাম বেশি চাওয়ার অভিযোগ

ছবিটি রাজধানীর একটি হাট থেকে তোলা

আর মাত্র ৩ দিন পরেই পবিত্র ঈদুল আজহা। কোরবানি ঈদকে কেন্দ্র করে ইতমধ্যে রাজধানীতে বসেছে ১৯ টি পশুর হাট। হাটে পর্যাপ্ত সংখ্যক গরুর যোগান রয়েছে। কিন্তু ক্রেতাদের অভিযোগ বিক্রেতারা গরুর দাম বেশি চাইছে।

অন্যদিকে বিক্রেতারা বলেছেন, খাবারের দাম ও লালন-পালন খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবার ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর দাম গত বছরের তুলনায় বেড়ে গেছে।

রবিবার (২৫ জুন) সকালে রাজধানীর আফতাবনগর পশুর হাটে ঘুরে ক্রেতা বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

হাটের বেপারীরা জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর গরুর দাম ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। হাটে গত বছর ছোট ও মাঝারি আকৃতির গরুর (৩ থেকে ৫ মণ) মণপ্রতি দাম ছিল ২৮ থেকে ২৯ হাজার টাকা এবং বড় গরু (৫ মণের উপরে) মণপ্রতি ২৬ থেকে ২৭ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ বছর ছোট ও মাঝারি আকৃতির গরু মণপ্রতি ৩২ থেকে ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় গরু বিক্রি হচ্ছে মণপ্রতি ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকায়।

ব্যাপারীরা আরও জানান, দামের কারণে এ বছর ছোট গরুর চাহিদা বেশি। এখন যারা হাটে আসছেন, তারা ছোট গরু কিনছেন। এক থেকে দেড় লাখ টাকার মধ্যে গরুর চাহিদা বেশি।

হাট ঘুরে দেখা গেছে, ঈদ সামনে রেখে বিক্রেতারা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন। দাম বেশি হলেও গরুর সরবরাহে কোনো কমতি নেই। সেই তুলনায় ক্রেতা অনেক কম।

হাট ইজারাদার কর্তৃপক্ষ জানান, বৃহস্পতিবার থেকে বেচাকেনা শুরু হলেও মূল বেচাকেনা শুরু হবে সোমবার থেকে। আশা করি ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত হাটে পশু বেচাকেনা চলবে।

কুষ্টিয়া থেকে ৫০ টি গরু নিয়ে আফতাবনগর হাটে এসেছেন জান্নাতুর রহমান পাপ্পা বেপারী। তিনি জানান, আমি এবার গরু কিনেছি ৩২ হাজার টাকা মণ। ৫০টা গরু এনেছি, মাত্র ১ টা বিক্রি করেছি।

রাজশাহী থেকে গরু নিয়ে আসা রুবেল হোসেন বেপারী জানান, গত বছর ১৬টি গরু বিক্রি হলেও আশানুরূপ দাম পাইনি। এ বছর ৩০টি গরু এনেছি হাটে। ৪টি গরু বিক্রি হয়েছে। সেগুলো সব ছোট গরু। লাভ কম। বড়গুলোর ক্রেতা নাই।

অফতাব নগরে গরুর আমদানি বেশি থাকলেও এখনও ক্রেতার খুব একটা ভিড় নেই। গরুর দাম বেশি হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত ব্যবসা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন অধিকাংশরা।

গুলশান থেকে এসেছেন হেলাল নামের একজন ক্রেতা। তিনি জানান, গত বছরের থেকে প্রতিটি ছোট গরু প্রায় ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা বেশি চাচ্ছে। এ দামে গরু কেনা প্রায় অসম্ভব। বাজারের ভাব বোঝা যাচ্ছে না। প্রচুর গরু, ক্রেতা নেই। তারপরও কেউ দাম ছাড়তে চাচ্ছে না।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে : নুরুল হক নুর

হাটে পর্যাপ্ত গরুর যোগান, ক্রেতা কম দাম বেশি চাওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:৪৭:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জুন ২০২৩

ছবিটি রাজধানীর একটি হাট থেকে তোলা

আর মাত্র ৩ দিন পরেই পবিত্র ঈদুল আজহা। কোরবানি ঈদকে কেন্দ্র করে ইতমধ্যে রাজধানীতে বসেছে ১৯ টি পশুর হাট। হাটে পর্যাপ্ত সংখ্যক গরুর যোগান রয়েছে। কিন্তু ক্রেতাদের অভিযোগ বিক্রেতারা গরুর দাম বেশি চাইছে।

অন্যদিকে বিক্রেতারা বলেছেন, খাবারের দাম ও লালন-পালন খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবার ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর দাম গত বছরের তুলনায় বেড়ে গেছে।

রবিবার (২৫ জুন) সকালে রাজধানীর আফতাবনগর পশুর হাটে ঘুরে ক্রেতা বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

হাটের বেপারীরা জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর গরুর দাম ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। হাটে গত বছর ছোট ও মাঝারি আকৃতির গরুর (৩ থেকে ৫ মণ) মণপ্রতি দাম ছিল ২৮ থেকে ২৯ হাজার টাকা এবং বড় গরু (৫ মণের উপরে) মণপ্রতি ২৬ থেকে ২৭ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ বছর ছোট ও মাঝারি আকৃতির গরু মণপ্রতি ৩২ থেকে ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় গরু বিক্রি হচ্ছে মণপ্রতি ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকায়।

ব্যাপারীরা আরও জানান, দামের কারণে এ বছর ছোট গরুর চাহিদা বেশি। এখন যারা হাটে আসছেন, তারা ছোট গরু কিনছেন। এক থেকে দেড় লাখ টাকার মধ্যে গরুর চাহিদা বেশি।

হাট ঘুরে দেখা গেছে, ঈদ সামনে রেখে বিক্রেতারা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন। দাম বেশি হলেও গরুর সরবরাহে কোনো কমতি নেই। সেই তুলনায় ক্রেতা অনেক কম।

হাট ইজারাদার কর্তৃপক্ষ জানান, বৃহস্পতিবার থেকে বেচাকেনা শুরু হলেও মূল বেচাকেনা শুরু হবে সোমবার থেকে। আশা করি ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত হাটে পশু বেচাকেনা চলবে।

কুষ্টিয়া থেকে ৫০ টি গরু নিয়ে আফতাবনগর হাটে এসেছেন জান্নাতুর রহমান পাপ্পা বেপারী। তিনি জানান, আমি এবার গরু কিনেছি ৩২ হাজার টাকা মণ। ৫০টা গরু এনেছি, মাত্র ১ টা বিক্রি করেছি।

রাজশাহী থেকে গরু নিয়ে আসা রুবেল হোসেন বেপারী জানান, গত বছর ১৬টি গরু বিক্রি হলেও আশানুরূপ দাম পাইনি। এ বছর ৩০টি গরু এনেছি হাটে। ৪টি গরু বিক্রি হয়েছে। সেগুলো সব ছোট গরু। লাভ কম। বড়গুলোর ক্রেতা নাই।

অফতাব নগরে গরুর আমদানি বেশি থাকলেও এখনও ক্রেতার খুব একটা ভিড় নেই। গরুর দাম বেশি হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত ব্যবসা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন অধিকাংশরা।

গুলশান থেকে এসেছেন হেলাল নামের একজন ক্রেতা। তিনি জানান, গত বছরের থেকে প্রতিটি ছোট গরু প্রায় ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা বেশি চাচ্ছে। এ দামে গরু কেনা প্রায় অসম্ভব। বাজারের ভাব বোঝা যাচ্ছে না। প্রচুর গরু, ক্রেতা নেই। তারপরও কেউ দাম ছাড়তে চাচ্ছে না।