সংবাদ শিরোনাম ::
স্ট্যান্ড রিলিজের পরও ছাড়েননি দায়িত্ব, ২০ দিনে তুলেছেন ২০ লাখ টাকা ডিএসসিসির প্রকৌশলী আনিছুরকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ গলদে ভরা প্রকল্পের কেন্দ্রে প্রকল্প পরিচালক শেখ মো. আবু জাকির সেকান্দার বালিয়াকান্দি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে উঠছে প্রশ্ন পদোন্নতি পেলেন জিয়াউর রহমানকে হত্যাকারী কর্নেল নওয়াজেশের মেয়ে নাশিদ গণপূর্তে আসবাব সরবরাহে হাতিলের অঘোষিত আধিপত্য সাকিবের মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া ঢাকাসহ ১৭ জেলার জন্য দুঃসংবাদ সেনবাগের কৃতি সন্তান নাছরিন জাহান বৃষ্টি ৪৭তম বিসিএসে সহকারী কমিশনার অব ইনকাম ট্যাক্স পদে দায়িত্ব  স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি: মির্জা ফখরুল

জমজমের পানি বিক্রি বন্ধের নির্দেশ

পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসার আগ পর্যন্ত বায়তুল মোকাররম মার্কেটসহ খোলা বাজারে পবিত্র জমজম কুপের পানি বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এ.এইচ.এম. সফিকুজ্জামান।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ নির্দেশনা প্রদান করেন। বায়তুল মোকাররম মার্কেটের যেসব দোকানে এই জমজম কুপের পানি বিক্রি হয় সেসব দোকানী, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এই সেমিনারের আয়োজন করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে ভোক্তার মহাপরিচালক এ.এইচ.এম. সফিকুজ্জামান বলেন, খোলা বাজারে এটা কিভাবে এলো, কিসের উপর ভিত্তি করে আপনারা এই পবিত্র পানি বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করছেন। কোথায় থেকে, কাদের মাধ্যমে এই পানি আপনাদের হাতে আসছে। এই সব বিষয় নিয়ে এবং বাণিজ্যিকভাবে এই পবিত্র পানি বিক্রির বিষয় নিয়ে আমরা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সঙ্গে বসবো। আর আপনারাও এই জমজমের পানির বিক্রির উৎস সম্পর্কে মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনা করে জানাবেন। তার আগ পর্যন্ত বাণিজ্যিকভাবে বাইতুল মোকাররম মার্কেটসহ খোলা বাজারে জমজম কুপের পানি বিক্রি বন্ধ থাকবে।

তিনি আরও বলেন, নির্দেশনা অমান্য করে যদি এরপরও কোন ব্যবসায়ী এই পবিত্র পানি বিক্রি করেন তাহলে সেই দোকান আমরা সীলগালা করে দিবো। আমাদের গোয়েন্দা বিভাগ এটা নিয়ে কাজ করবে। এছাড়া ফেসবুক পেজের মাধ্যমেও যারা জমজম কুপের পানি বিক্রি করছেন তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে সেমিনারে অংশ নেওয়া বায়তুল মোকাররম মার্কেটের এক ব্যবসায়ী সুলতান কবির বলেন, হজ থেকে ফেরা মোয়াল্লেমরা জমজমের পানি মার্কেটে দেয়। এরপর পাইকারি মার্কেট থেকে আমরা কিনে এনে বিক্রি করি। তবে এখন যেহেতু নতুন ঘোষণা এসেছে ফলে সিদ্ধান্তের আগ পর্যন্ত আমরা জমজমের পানি বিক্রি করবো না।

সেমিনারে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাসহ বায়তুল মোকাররম মার্কেটের ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ট্যান্ড রিলিজের পরও ছাড়েননি দায়িত্ব, ২০ দিনে তুলেছেন ২০ লাখ টাকা

জমজমের পানি বিক্রি বন্ধের নির্দেশ

আপডেট সময় ০২:২৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩

পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসার আগ পর্যন্ত বায়তুল মোকাররম মার্কেটসহ খোলা বাজারে পবিত্র জমজম কুপের পানি বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এ.এইচ.এম. সফিকুজ্জামান।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ নির্দেশনা প্রদান করেন। বায়তুল মোকাররম মার্কেটের যেসব দোকানে এই জমজম কুপের পানি বিক্রি হয় সেসব দোকানী, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এই সেমিনারের আয়োজন করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে ভোক্তার মহাপরিচালক এ.এইচ.এম. সফিকুজ্জামান বলেন, খোলা বাজারে এটা কিভাবে এলো, কিসের উপর ভিত্তি করে আপনারা এই পবিত্র পানি বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করছেন। কোথায় থেকে, কাদের মাধ্যমে এই পানি আপনাদের হাতে আসছে। এই সব বিষয় নিয়ে এবং বাণিজ্যিকভাবে এই পবিত্র পানি বিক্রির বিষয় নিয়ে আমরা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সঙ্গে বসবো। আর আপনারাও এই জমজমের পানির বিক্রির উৎস সম্পর্কে মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনা করে জানাবেন। তার আগ পর্যন্ত বাণিজ্যিকভাবে বাইতুল মোকাররম মার্কেটসহ খোলা বাজারে জমজম কুপের পানি বিক্রি বন্ধ থাকবে।

তিনি আরও বলেন, নির্দেশনা অমান্য করে যদি এরপরও কোন ব্যবসায়ী এই পবিত্র পানি বিক্রি করেন তাহলে সেই দোকান আমরা সীলগালা করে দিবো। আমাদের গোয়েন্দা বিভাগ এটা নিয়ে কাজ করবে। এছাড়া ফেসবুক পেজের মাধ্যমেও যারা জমজম কুপের পানি বিক্রি করছেন তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে সেমিনারে অংশ নেওয়া বায়তুল মোকাররম মার্কেটের এক ব্যবসায়ী সুলতান কবির বলেন, হজ থেকে ফেরা মোয়াল্লেমরা জমজমের পানি মার্কেটে দেয়। এরপর পাইকারি মার্কেট থেকে আমরা কিনে এনে বিক্রি করি। তবে এখন যেহেতু নতুন ঘোষণা এসেছে ফলে সিদ্ধান্তের আগ পর্যন্ত আমরা জমজমের পানি বিক্রি করবো না।

সেমিনারে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাসহ বায়তুল মোকাররম মার্কেটের ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।