সংবাদ শিরোনাম ::
ব্যাংকের টাকা লেনদেন নিয়ে নতুন নির্দেশনা, সার্কুলার জারি সালদা সীমান্তে চোরাই মোটরসাইকেল জব্দ হৃদয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ৬০০ শতাংশ মুনাফায় বাজারে এন্টারোজার্মিনা সাপ্লিমেন্ট পঞ্চগড়ে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি প্রকাশ্যে, থানা ভবনের ঠিকাদারও তিনি—পুলিশ কি দেখেও দেখছে না ব্রাহ্মণপাড়ায় খালের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু, উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস ব্রাহ্মণপাড়া বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ছাত্রীর অনশন, এলাকা জুড়ে তোলপাড় মেক্সিকোর জয় উদযাপন করতে গিয়ে হুড়াহুড়িতে ২ সমর্থকের মৃত্যু রেমিট্যান্সে নতুন ইতিহাস, অর্থবছরে এলো রেকর্ড ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার

৬০০ শতাংশ মুনাফায় বাজারে এন্টারোজার্মিনা সাপ্লিমেন্ট

বাংলাদেশে শিশুদের ডায়রিয়ার চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত প্রোবায়োটিক পণ্য এন্টারোজার্মিনা ওরাল সাসপেনশন আমদানিকে কেন্দ্র করে অস্বাভাবিক মুনাফা, নিয়ন্ত্রক বিধিমালার ফাঁক ব্যবহার এবং শুল্ক মূল্যায়নে অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে বেক্সিমকো গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিনোভিয়া ফার্মা পিএলসি, যারা ইতালিতে উৎপাদিত এই প্রোবায়োটিক বাংলাদেশে আমদানি ও বাজারজাত করে।

কোম্পানিটির কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের এক সাবেক কর্মকর্তা, যিনি হুইসেলব্লোয়ার হিসেবে পরিচয় গোপন রাখার শর্তে তথ্য দিয়েছেন, দাবি করেন—পণ্যটিকে ওষুধ হিসেবে নিবন্ধন না করে ‘খাদ্য সম্পূরক’ (ফুড সাপ্লিমেন্ট) হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করায় মূল্যনিয়ন্ত্রণের বাইরে থেকে প্রায় ৬০০ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা করা সম্ভব হয়েছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, এন্টারোজার্মিনা যদি ফার্মাসিউটিক্যাল ওষুধ হিসেবে নিবন্ধিত হতো, তাহলে ঔষধ প্রশাসনের মূল্য নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণের আওতায় আসত। কিন্তু খাদ্য সম্পূরক হিসেবে নিবন্ধনের ফলে এর খুচরা মূল্য নির্ধারণে কার্যত কোনো নিয়ন্ত্রক সীমাবদ্ধতা নেই। এই সুযোগেই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান অস্বাভাবিক মুনাফা করছে বলে অভিযোগ।

হুইসেলব্লোয়ারের দেওয়া আমদানি নথি, ব্যাংকিং কাগজপত্র ও শুল্ক-সংক্রান্ত দলিল পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১০টি ভায়ালসমৃদ্ধ প্রতি প্যাকেট এন্টারোজার্মিনার ঘোষিত আমদানি মূল্য এক মার্কিন ডলারেরও কম। নথি অনুযায়ী, প্রতি প্যাকেটের মূল্য দেখানো হয়েছে প্রায় ০.৭৮ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯৭ টাকা। অথচ একই প্যাকেট দেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৭০০ টাকায়, অর্থাৎ প্রতি ভায়াল ৭০ টাকা হিসেবে।

হুইসেলব্লোয়ারের দাবি, গত দুই বছরে এন্টারোজার্মিনার খুচরা মূল্য ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০০ টাকায় পৌঁছেছে, যা প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি। কিন্তু এই মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে ভোক্তা, চিকিৎসক কিংবা স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি এবং কোনো সরকারি মূল্য-সংশোধন বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশিত হয়নি।

এন্টারোজার্মিনায় রয়েছে Bacillus clausii ব্যাকটেরিয়ার স্পোর, যা শিশুদের ডায়রিয়া, অ্যান্টিবায়োটিক-পরবর্তী অন্ত্রের ভারসাম্যহীনতা এবং অন্যান্য পরিপাকজনিত সমস্যায় চিকিৎসকেরা নিয়মিত প্রেসক্রাইব করেন। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে শিশুদের উপযোগী তরল প্রোবায়োটিকের বিকল্প সীমিত হওয়ায় এই পণ্যের বাজার চাহিদা অত্যন্ত বেশি। ফলে মূল্য নির্ধারণে নিয়ন্ত্রণ না থাকলে অপব্যবহারের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

শুধু মূল্য নয়, আমদানির বৈধতা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন হুইসেলব্লোয়ার। তার অভিযোগ, ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী খাদ্য সম্পূরক আমদানির ক্ষেত্রে ফ্রি-সেল সার্টিফিকেট, সার্টিফিকেট অব অ্যানালাইসিস (COA), উৎপাদন-সংক্রান্ত নথি এবং স্ট্যাবিলিটি ডেটাসহ একাধিক বাধ্যতামূলক কাগজপত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থায় জমা দেওয়ার কথা থাকলেও বছরের পর বছর এসব নথির পূর্ণাঙ্গ তথ্য যথাযথভাবে দাখিল করা হয়নি।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ২০২২ সালে মাত্র এক বছরের জন্য দেওয়া একটি অনুমোদনের ভিত্তিতেই সিনোভিয়া ফার্মা এখনও এন্টারোজার্মিনা আমদানি করে যাচ্ছে। শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যের আমদানির ক্ষেত্রে ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ (এনওসি) সাধারণত সীমিত মেয়াদের জন্য দেওয়া হয় এবং নির্দিষ্ট সময় পর তা নবায়ন করা প্রয়োজন।

হুইসেলব্লোয়ারের দাবি, বর্তমানে বাংলাদেশেই এন্টারোজার্মিনার সমতুল্য স্থানীয় প্রোবায়োটিক উৎপাদিত হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে প্রস্তুত বিদেশি পণ্যের আমদানি অব্যাহত রাখার যৌক্তিকতা এবং এর ওপর নিয়ন্ত্রক নজরদারির প্রয়োজনীয়তা নতুন করে মূল্যায়ন করা উচিত।

এন্টারোজার্মিনা আমদানিকে ঘিরে আরেকটি গুরুতর অভিযোগ হলো শুল্ক মূল্যায়নে সম্ভাব্য অনিয়ম। হুইসেলব্লোয়ারের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালেই শুল্ক কর্মকর্তারা পণ্যটির ঘোষিত ইনভয়েস মূল্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাদের পর্যবেক্ষণ ছিল, ঘোষিত মূল্য আন্তর্জাতিক পাইকারি বাজারদরের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে কম, যা আন্ডার-ইনভয়েসিংয়ের ইঙ্গিত দিতে পারে।

তিনি আরও দাবি করেন, যদি ঘোষিত মূল্য ও প্রকৃত লেনদেনমূল্যের মধ্যে পার্থক্য থেকে থাকে এবং সেই অর্থ আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে পরিশোধ করা হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা বিধিমালা এবং অর্থপাচারবিরোধী আইনের সম্ভাব্য লঙ্ঘনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে কোনো সরকারি তদন্তের ফলাফল এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে বারবার যোগাযোগ করা হলেও প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, সিনোভিয়া ফার্মা পিএলসি এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যাংকের টাকা লেনদেন নিয়ে নতুন নির্দেশনা, সার্কুলার জারি

৬০০ শতাংশ মুনাফায় বাজারে এন্টারোজার্মিনা সাপ্লিমেন্ট

আপডেট সময় ০৬:৫৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশে শিশুদের ডায়রিয়ার চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত প্রোবায়োটিক পণ্য এন্টারোজার্মিনা ওরাল সাসপেনশন আমদানিকে কেন্দ্র করে অস্বাভাবিক মুনাফা, নিয়ন্ত্রক বিধিমালার ফাঁক ব্যবহার এবং শুল্ক মূল্যায়নে অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে বেক্সিমকো গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিনোভিয়া ফার্মা পিএলসি, যারা ইতালিতে উৎপাদিত এই প্রোবায়োটিক বাংলাদেশে আমদানি ও বাজারজাত করে।

কোম্পানিটির কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের এক সাবেক কর্মকর্তা, যিনি হুইসেলব্লোয়ার হিসেবে পরিচয় গোপন রাখার শর্তে তথ্য দিয়েছেন, দাবি করেন—পণ্যটিকে ওষুধ হিসেবে নিবন্ধন না করে ‘খাদ্য সম্পূরক’ (ফুড সাপ্লিমেন্ট) হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করায় মূল্যনিয়ন্ত্রণের বাইরে থেকে প্রায় ৬০০ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা করা সম্ভব হয়েছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, এন্টারোজার্মিনা যদি ফার্মাসিউটিক্যাল ওষুধ হিসেবে নিবন্ধিত হতো, তাহলে ঔষধ প্রশাসনের মূল্য নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণের আওতায় আসত। কিন্তু খাদ্য সম্পূরক হিসেবে নিবন্ধনের ফলে এর খুচরা মূল্য নির্ধারণে কার্যত কোনো নিয়ন্ত্রক সীমাবদ্ধতা নেই। এই সুযোগেই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান অস্বাভাবিক মুনাফা করছে বলে অভিযোগ।

হুইসেলব্লোয়ারের দেওয়া আমদানি নথি, ব্যাংকিং কাগজপত্র ও শুল্ক-সংক্রান্ত দলিল পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১০টি ভায়ালসমৃদ্ধ প্রতি প্যাকেট এন্টারোজার্মিনার ঘোষিত আমদানি মূল্য এক মার্কিন ডলারেরও কম। নথি অনুযায়ী, প্রতি প্যাকেটের মূল্য দেখানো হয়েছে প্রায় ০.৭৮ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯৭ টাকা। অথচ একই প্যাকেট দেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৭০০ টাকায়, অর্থাৎ প্রতি ভায়াল ৭০ টাকা হিসেবে।

হুইসেলব্লোয়ারের দাবি, গত দুই বছরে এন্টারোজার্মিনার খুচরা মূল্য ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০০ টাকায় পৌঁছেছে, যা প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি। কিন্তু এই মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে ভোক্তা, চিকিৎসক কিংবা স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি এবং কোনো সরকারি মূল্য-সংশোধন বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশিত হয়নি।

এন্টারোজার্মিনায় রয়েছে Bacillus clausii ব্যাকটেরিয়ার স্পোর, যা শিশুদের ডায়রিয়া, অ্যান্টিবায়োটিক-পরবর্তী অন্ত্রের ভারসাম্যহীনতা এবং অন্যান্য পরিপাকজনিত সমস্যায় চিকিৎসকেরা নিয়মিত প্রেসক্রাইব করেন। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে শিশুদের উপযোগী তরল প্রোবায়োটিকের বিকল্প সীমিত হওয়ায় এই পণ্যের বাজার চাহিদা অত্যন্ত বেশি। ফলে মূল্য নির্ধারণে নিয়ন্ত্রণ না থাকলে অপব্যবহারের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

শুধু মূল্য নয়, আমদানির বৈধতা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন হুইসেলব্লোয়ার। তার অভিযোগ, ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী খাদ্য সম্পূরক আমদানির ক্ষেত্রে ফ্রি-সেল সার্টিফিকেট, সার্টিফিকেট অব অ্যানালাইসিস (COA), উৎপাদন-সংক্রান্ত নথি এবং স্ট্যাবিলিটি ডেটাসহ একাধিক বাধ্যতামূলক কাগজপত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থায় জমা দেওয়ার কথা থাকলেও বছরের পর বছর এসব নথির পূর্ণাঙ্গ তথ্য যথাযথভাবে দাখিল করা হয়নি।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ২০২২ সালে মাত্র এক বছরের জন্য দেওয়া একটি অনুমোদনের ভিত্তিতেই সিনোভিয়া ফার্মা এখনও এন্টারোজার্মিনা আমদানি করে যাচ্ছে। শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যের আমদানির ক্ষেত্রে ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ (এনওসি) সাধারণত সীমিত মেয়াদের জন্য দেওয়া হয় এবং নির্দিষ্ট সময় পর তা নবায়ন করা প্রয়োজন।

হুইসেলব্লোয়ারের দাবি, বর্তমানে বাংলাদেশেই এন্টারোজার্মিনার সমতুল্য স্থানীয় প্রোবায়োটিক উৎপাদিত হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে প্রস্তুত বিদেশি পণ্যের আমদানি অব্যাহত রাখার যৌক্তিকতা এবং এর ওপর নিয়ন্ত্রক নজরদারির প্রয়োজনীয়তা নতুন করে মূল্যায়ন করা উচিত।

এন্টারোজার্মিনা আমদানিকে ঘিরে আরেকটি গুরুতর অভিযোগ হলো শুল্ক মূল্যায়নে সম্ভাব্য অনিয়ম। হুইসেলব্লোয়ারের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালেই শুল্ক কর্মকর্তারা পণ্যটির ঘোষিত ইনভয়েস মূল্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাদের পর্যবেক্ষণ ছিল, ঘোষিত মূল্য আন্তর্জাতিক পাইকারি বাজারদরের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে কম, যা আন্ডার-ইনভয়েসিংয়ের ইঙ্গিত দিতে পারে।

তিনি আরও দাবি করেন, যদি ঘোষিত মূল্য ও প্রকৃত লেনদেনমূল্যের মধ্যে পার্থক্য থেকে থাকে এবং সেই অর্থ আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে পরিশোধ করা হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা বিধিমালা এবং অর্থপাচারবিরোধী আইনের সম্ভাব্য লঙ্ঘনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে কোনো সরকারি তদন্তের ফলাফল এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে বারবার যোগাযোগ করা হলেও প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, সিনোভিয়া ফার্মা পিএলসি এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।