সংবাদ শিরোনাম ::
রূপালী ব্যাংকের এমডি কাজী ওয়াহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির খবর প্রকাশিত হওয়ায় জিয়া পরিষদের আহ্বায়কসহ ৩ জনকে বদলী এক্সপ্রেসওয়ের ‘ক্ষমতার ত্রিভুজ’ ম্যাক্স–মাহফুজ–কাজী সমীকরণে ঘনীভূত বিতর্ক! দুই মামলায় দীপু মনির জামিন দীর্ঘ ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে সংস্কার কার্যক্রম চলছে : অর্থমন্ত্রী কালিহাতীতে কয়েক মিনিটের ঝড়ের তাণ্ডবে তছনছ কস্তুরীপাড়া বাজার ‘টাকা চাইলে মেলে হুমকি’ দেউলায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ প্রেমের টানে লালমনিরহাটে কোরিয়ান যুবক, ইসলাম গ্রহণের পর বিয়ে কলেজছাত্রী মারিয়াকে রাজশাহীর আম যাচ্ছে ফ্রান্সে 

দীর্ঘ ২২ বছর পর প্রবাস জীবন শেষে জনসেবায় মোঃ মজিবুল ইসলাম মুজিব 

নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের মাঝে তুমুল জনপ্রিয়তা ও আলোচনায় উঠে এসেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ মজিবুল ইসলাম মুজিব। দীর্ঘ ২২ বছর সুদূর প্রবাসে কাটিয়ে নিজ মাতৃভূমির টানে ফিরে আসা এই মানুষটি এখন সোনারায় ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সারথি।
দীর্ঘ প্রবাস জীবনে উপার্জিত অর্থের একটি বড় অংশ তিনি বিলিয়ে দিচ্ছেন এলাকার অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে। প্রবাস থেকে ফিরেই তিনি ঘরে বসে থাকেননি; বরং নিজের পরিচিতি ও জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তুলেছেন মানবকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠান ‘বাণী আল ফাতাহ ফাউন্ডেশন’। এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি এলাকায় একের পর এক অনন্য ও দৃষ্টান্তমূলক সেবামূলক কাজ করে চলেছেন।
জনগণের ভালোবাসা ও নির্বাচনী মাঠে সাড়া সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘ ২২ বছর পর এলাকায় ফিরলেও মোঃ মজিবুল ইসলাম মুজিব কখনো সাধারণ মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হননি। প্রবাসে থাকা অবস্থায়ও তিনি এলাকার মানুষের খোঁজখবর রাখতেন এবং সাধ্যমতো সাহায্য করতেন। দেশে ফেরার পর তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডে, গ্রামে ও পাড়া-মহল্লায় গিয়ে সরাসরি সাধারণ মানুষের সাথে গণসংযোগ করছেন, শুনছেন তাদের অভাব-অভিযোগের কথা।
তার এই অমায়িক ব্যবহার, সততা এবং নিঃস্বার্থ সমাজসেবা দেখে মুগ্ধ সোনারায় ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ। দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ এখন তাকে আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।
“আমি দীর্ঘ ২২ বছর প্রবাসে থাকলেও আমার মনটা সবসময় এই সোনারায়ের মাটিতেই পড়ে ছিল। অবহেলিত এই ইউনিয়নের মানুষের ভাগ্যবদল এবং একটি আধুনিক, মাদক মুক্ত ও স্মার্ট ইউনিয়ন গড়ার স্বপ্ন নিয়েই আমি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। ‘বাণী আল ফাতাহ ফাউন্ডেশন’ আমার একটি সেবামূলক প্রয়াস মাত্র, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারি আর না পারি—জনগণের সেবা আমি আমৃত্যু করে যাব।”
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপালী ব্যাংকের এমডি কাজী ওয়াহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির খবর প্রকাশিত হওয়ায় জিয়া পরিষদের আহ্বায়কসহ ৩ জনকে বদলী

দীর্ঘ ২২ বছর পর প্রবাস জীবন শেষে জনসেবায় মোঃ মজিবুল ইসলাম মুজিব 

আপডেট সময় ০৭:১৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের মাঝে তুমুল জনপ্রিয়তা ও আলোচনায় উঠে এসেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ মজিবুল ইসলাম মুজিব। দীর্ঘ ২২ বছর সুদূর প্রবাসে কাটিয়ে নিজ মাতৃভূমির টানে ফিরে আসা এই মানুষটি এখন সোনারায় ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সারথি।
দীর্ঘ প্রবাস জীবনে উপার্জিত অর্থের একটি বড় অংশ তিনি বিলিয়ে দিচ্ছেন এলাকার অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে। প্রবাস থেকে ফিরেই তিনি ঘরে বসে থাকেননি; বরং নিজের পরিচিতি ও জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তুলেছেন মানবকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠান ‘বাণী আল ফাতাহ ফাউন্ডেশন’। এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি এলাকায় একের পর এক অনন্য ও দৃষ্টান্তমূলক সেবামূলক কাজ করে চলেছেন।
জনগণের ভালোবাসা ও নির্বাচনী মাঠে সাড়া সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘ ২২ বছর পর এলাকায় ফিরলেও মোঃ মজিবুল ইসলাম মুজিব কখনো সাধারণ মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হননি। প্রবাসে থাকা অবস্থায়ও তিনি এলাকার মানুষের খোঁজখবর রাখতেন এবং সাধ্যমতো সাহায্য করতেন। দেশে ফেরার পর তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডে, গ্রামে ও পাড়া-মহল্লায় গিয়ে সরাসরি সাধারণ মানুষের সাথে গণসংযোগ করছেন, শুনছেন তাদের অভাব-অভিযোগের কথা।
তার এই অমায়িক ব্যবহার, সততা এবং নিঃস্বার্থ সমাজসেবা দেখে মুগ্ধ সোনারায় ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ। দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ এখন তাকে আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।
“আমি দীর্ঘ ২২ বছর প্রবাসে থাকলেও আমার মনটা সবসময় এই সোনারায়ের মাটিতেই পড়ে ছিল। অবহেলিত এই ইউনিয়নের মানুষের ভাগ্যবদল এবং একটি আধুনিক, মাদক মুক্ত ও স্মার্ট ইউনিয়ন গড়ার স্বপ্ন নিয়েই আমি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। ‘বাণী আল ফাতাহ ফাউন্ডেশন’ আমার একটি সেবামূলক প্রয়াস মাত্র, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারি আর না পারি—জনগণের সেবা আমি আমৃত্যু করে যাব।”