সংবাদ শিরোনাম ::
গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা তালাকের নোটিশের পর শ্বশুরবাড়ি-জামাইপক্ষের বিরোধ, গরু ও মালামাল নেওয়ার অভিযোগ ডিএনসিসির সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পবিপ্রবিতে ব্যবসায় প্রশাসন, সিএসই ও মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষকদের সঙ্গে উপাচার্যের মতবিনিময় বিআইডাব্লিউটিএর প্রকল্প পরিচালক আবুল কালামের দূর্নীতি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার কর্মকর্তা মাহফুজের বিরুদ্ধে নারীকে মারধরের অভিযোগ ১৬তম গ্রেডের কর্মচারী, অথচ কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক! শফিকুল ইসলামের সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন চার্জে লাগিয়ে মোবাইল চালাতে গিয়ে বিস্ফোরণ, প্রাণ গেল মিজানের কমলনগরে ক্ষতিগ্রস্ত ৩ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান  আমশিল্প ও ইপিজেড প্রতিষ্ঠায় বিশেষ গুরুত্বের দাবি, প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের

সৌন্দর্যের কবি ও সময়ের বরপুত্র জামসেদ ওয়াজেদ

  • সাহিত্য ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • ৫৭১ বার পড়া হয়েছে

জামসেদ ওয়াজেদ ঋদ্ধ কবি ও কবিতা প্রেমিক। যেখানে কবিতা; সেখানেই তার সরব উপস্থিতি। এভাবে বলা যায়—কবিতা যে আঁতুড়ঘরে হামাগুড়ি দেয়; সেখানেই তিনি ছুটে যান। মেঘনার মতোই বিশাল বুকে ধারণ করেন ইলিশ। ঝকঝকে চকচকে বর্ণমালার ঝুড়ি ভরে তুলে আনেন সময়ের পঙ্‌ক্তিমালা। বনেদি উচ্চারণ, প্রকাশের নান্দনিকতা, ব্যাকরণ সিদ্ধ ধরায় প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সংমিশ্রণে শতবছরের পরম্পরায় কবিতার শরীর বিনির্মাণ করেন। যা পাঠকমহলে সমাদৃত।

তার কবিতার উপজীব্য হচ্ছে চারপাশের জীবনচরিত। সবার আগে দেশ। প্রেম, বন্ধন, রাগ-অনুরাগ, মান-অভিমান যেমন আছে, ঠিক তেমনই তার কবিতায় দেশ ও দেশের মানুষ সোচ্চার হয়েছে উত্তাল নদীর মতোই। তিনি কোনো নির্দিষ্ট গণ্ডিতে আবদ্ধ থাকেননি। চিন্তাশক্তিকে কাজে লাগিয়েছেন কবিতার প্রয়োজনে, বহুমাত্রিক রূপে, সর্বক্ষেত্রে। মা, মাতৃভাষা, মৃত্তিকা, প্রকৃতি-জীবন, আশা-আকাঙ্ক্ষা সবই মূর্তমান হয়ে উঠেছে উপস্থাপনের মুনশিয়ানায় ও বোধের রঙে।

‘সাহসের কথা শুনে দু’হাতে আঁধার ভেঙে সূর্যমাখা এনেছি সকাল/ পাখিডাকা এই ভোর তোমার অপেক্ষা করে ঘুমিয়েছে প্রিয় তিতুমীর/ তারাদের বাড়িঘর বিশ্রাম পালঙ্ক জুড়ে শুয়ে আছে মেঘের শরীর/ সহস্র আলোকবর্ষ অযুতাংশ সময়ের বয়ে চলা এ পৃথিবী সময়ের পাল’। (সৌভাগ্যের ট্রেন)

অথবা তিনি যখন অধিকারের যাত্রী হয়ে আলোর পথে হাঁটতে হাঁটতে দৃঢ়তার সাথে জানিয়ে দেন আকাঙ্ক্ষার কথা, ‘সাহসী বীরের জন্য আজও কাঁদে পৃথিবী প্রবীণ/ অন্ধকার মুছে যাক শুধু চাই আলোকিত দিন।’ (আমার কবিতা)

এই ভাবেই সাহসের আবির মননে গেঁথে ছুটে যান প্রকৃতির আহ্বানে, জুঁই-চামেলির কানে কানে বলেন, ‘আমার বসন্ত জুড়ে তোমাকেই ফেরি করি সোনালুর বনে/ বেগুনি জারুল ফুলে জলরঙ স্বপ্ন এঁকে স্মৃতি মেখে রাখি/ প্রত্যাশার মানচিত্রে অদৃশ্য আগামী মেপে হাঁটছি একাকী/ তুমি রোজ উঠে আসো আমার মানসব্যাপী জীবন যাপনে।’

 

কবি জামসেদ ওয়াজেদ নিঃসন্দেহে একজন দেশপ্রেমিক ও মানবপ্রেমী। কবিতার চিরায়ত আলো-আঁধারি খেলা বিদ্যমান রেখেই সব নষ্টকে সচেতনভাবে পাশ কাটিয়ে নির্মাণ করেন চৈতন্যের দিগন্ত। যেখানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সহস্র ফুল। এখানে সাহিত্যের অন্যান্য পথ সংযুক্ত হলেও কবি জামসেদ ওয়াজেদের কাছে কবিতাই মুখ্য।

তাই তো নাগরিক যন্ত্রণা উপেক্ষা করে মানুষ, বিশ্বাস, প্রেম ও বিরহ দিয়ে গেঁথেছেন বোধের মালা। বলেছেন কবিতায়—‘আশা জাগানিয়া স্রোতে অতঃপর আগন্তুক ত্রিকাল প্রহর/ কবিতার ক্ষেতজুড়ে সোনাফলা শব্দমালা বইছে নহর’। (ছায়াবৃত্ত ইতিহাস)

অথবা তিনি কাদামাটি দিয়ে গড়েন সোনাফলা আগামী। আঁকেন প্রত্যাশিত বাংলাদেশর প্রতিচ্ছবি। দৃঢ়চিত্তে আঁকেন মায়ের উপমায় সমৃদ্ধ মাতৃভূমির শাশ্বত সৌন্দর্য। ‘একটি বুলেট শুধু মৃদু শব্দে খুলে ফেলে যে নাকের ফুল/ তুমি তো সঠিক মাগো বাদ বাকি পৃথিবীর সব স্মৃতি ভুল’। (জননী আমার, নির্বাচিত সনেট)

কবি তার বুকে ধারণ করেন অসীম আকাশ। ভালোবাসার চাদর দিয়ে আগলে রাখেন নদীমাতৃক ব-দ্বীপ। এখানে সোনালি ফসল ফলে, রুপালি মাছ দিগন্তে ছোটে, পাখিরা গায় মুক্তির গান। এখানে সুন্দরবনে কেওড়া ফুল ফোটে, নগরে ফোটে কৃষ্ণচূড়া। প্রত্যাশার জাহাজে চড়ে ছুটে আসে প্রেম, সুশাসন। নোঙর ফেলে অধিকার, গণতন্ত্রের বন্দরে আপন মহিমায়।

‘একটি রাত্রির শেষে খুলে যায় আলোর দোকান/ আঁধার ভাঙার শব্দে আশা জাগে পৃথিবীর বুকে/ এ অসত্য অ-সুন্দরে মানবিক আশাহত সুখে/ রুপালি রোদের মতো নিকোটিন কাচের সাম্পান।’ (নিকোটিন কাচের সাম্পান)

বাংলা সাহিত্যে শ্রমিক দিবসের গুরুত্ব

কবি তার অনুসন্ধানী চোখে সম্ভাবনার ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে পেরেছেন। স্বাধীনতার ইতিহাস বুকে ধারণ করেছেন বলেই ভুলে যাননি রক্তাক্ত সময়, ভুলে যাননি তাঁদের, যাদের বিসর্জনে পেয়েছি আমরা একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। ‘পিতার পায়ের ছাপ দেখে দেখে কত বীর দিয়ে গেছে প্রাণ/ দেখবে দেখবে বলে কেবলই একটি ফুল সাজানো বাগান’। (পিঁপড়া কাহিনি)

কবি জামসেদ ওয়াজেদ তার লেখনীর নিজস্বতা তৈরি করতে পেরেছেন। অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করার কৌশল যথাযথ রপ্ত করেছেন। তার কবিতা মেদহীন, বক্তব্য প্রধান ও উপমার বাহুল্য নেই। বিশ্বায়নের পথে এগিয়ে যাবার অভিপ্রায় যেমন আছে; তেমনই সার্বজনীন রূপে ঋদ্ধ পঙ্‌ক্তি উচ্চারণে সময়কে উতরে যাবার প্রচেষ্টা আছে।

‘দাগ রেখে যাবো বলে সময়কে করছি ধারণ/ সাহিত্যের রসনায় উদ্ভাসিত এই সমতট/ উদার হৃদয় থেকে প্রেম দেবো নয়তো কপট/ কবিরা মানে না জেনো এ মন্দের ইঙ্গিত বারণ।’ (শব্দের রাজত্ব) সময়ের বরপুত্র কবি জামসেদ ওয়াজেদ। দিগন্ত পেরিয়ে ছোবেন মহাকাল। এ প্রত্যাশায় শুভ কামনা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা

সৌন্দর্যের কবি ও সময়ের বরপুত্র জামসেদ ওয়াজেদ

আপডেট সময় ১২:৫৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

জামসেদ ওয়াজেদ ঋদ্ধ কবি ও কবিতা প্রেমিক। যেখানে কবিতা; সেখানেই তার সরব উপস্থিতি। এভাবে বলা যায়—কবিতা যে আঁতুড়ঘরে হামাগুড়ি দেয়; সেখানেই তিনি ছুটে যান। মেঘনার মতোই বিশাল বুকে ধারণ করেন ইলিশ। ঝকঝকে চকচকে বর্ণমালার ঝুড়ি ভরে তুলে আনেন সময়ের পঙ্‌ক্তিমালা। বনেদি উচ্চারণ, প্রকাশের নান্দনিকতা, ব্যাকরণ সিদ্ধ ধরায় প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সংমিশ্রণে শতবছরের পরম্পরায় কবিতার শরীর বিনির্মাণ করেন। যা পাঠকমহলে সমাদৃত।

তার কবিতার উপজীব্য হচ্ছে চারপাশের জীবনচরিত। সবার আগে দেশ। প্রেম, বন্ধন, রাগ-অনুরাগ, মান-অভিমান যেমন আছে, ঠিক তেমনই তার কবিতায় দেশ ও দেশের মানুষ সোচ্চার হয়েছে উত্তাল নদীর মতোই। তিনি কোনো নির্দিষ্ট গণ্ডিতে আবদ্ধ থাকেননি। চিন্তাশক্তিকে কাজে লাগিয়েছেন কবিতার প্রয়োজনে, বহুমাত্রিক রূপে, সর্বক্ষেত্রে। মা, মাতৃভাষা, মৃত্তিকা, প্রকৃতি-জীবন, আশা-আকাঙ্ক্ষা সবই মূর্তমান হয়ে উঠেছে উপস্থাপনের মুনশিয়ানায় ও বোধের রঙে।

‘সাহসের কথা শুনে দু’হাতে আঁধার ভেঙে সূর্যমাখা এনেছি সকাল/ পাখিডাকা এই ভোর তোমার অপেক্ষা করে ঘুমিয়েছে প্রিয় তিতুমীর/ তারাদের বাড়িঘর বিশ্রাম পালঙ্ক জুড়ে শুয়ে আছে মেঘের শরীর/ সহস্র আলোকবর্ষ অযুতাংশ সময়ের বয়ে চলা এ পৃথিবী সময়ের পাল’। (সৌভাগ্যের ট্রেন)

অথবা তিনি যখন অধিকারের যাত্রী হয়ে আলোর পথে হাঁটতে হাঁটতে দৃঢ়তার সাথে জানিয়ে দেন আকাঙ্ক্ষার কথা, ‘সাহসী বীরের জন্য আজও কাঁদে পৃথিবী প্রবীণ/ অন্ধকার মুছে যাক শুধু চাই আলোকিত দিন।’ (আমার কবিতা)

এই ভাবেই সাহসের আবির মননে গেঁথে ছুটে যান প্রকৃতির আহ্বানে, জুঁই-চামেলির কানে কানে বলেন, ‘আমার বসন্ত জুড়ে তোমাকেই ফেরি করি সোনালুর বনে/ বেগুনি জারুল ফুলে জলরঙ স্বপ্ন এঁকে স্মৃতি মেখে রাখি/ প্রত্যাশার মানচিত্রে অদৃশ্য আগামী মেপে হাঁটছি একাকী/ তুমি রোজ উঠে আসো আমার মানসব্যাপী জীবন যাপনে।’

 

কবি জামসেদ ওয়াজেদ নিঃসন্দেহে একজন দেশপ্রেমিক ও মানবপ্রেমী। কবিতার চিরায়ত আলো-আঁধারি খেলা বিদ্যমান রেখেই সব নষ্টকে সচেতনভাবে পাশ কাটিয়ে নির্মাণ করেন চৈতন্যের দিগন্ত। যেখানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সহস্র ফুল। এখানে সাহিত্যের অন্যান্য পথ সংযুক্ত হলেও কবি জামসেদ ওয়াজেদের কাছে কবিতাই মুখ্য।

তাই তো নাগরিক যন্ত্রণা উপেক্ষা করে মানুষ, বিশ্বাস, প্রেম ও বিরহ দিয়ে গেঁথেছেন বোধের মালা। বলেছেন কবিতায়—‘আশা জাগানিয়া স্রোতে অতঃপর আগন্তুক ত্রিকাল প্রহর/ কবিতার ক্ষেতজুড়ে সোনাফলা শব্দমালা বইছে নহর’। (ছায়াবৃত্ত ইতিহাস)

অথবা তিনি কাদামাটি দিয়ে গড়েন সোনাফলা আগামী। আঁকেন প্রত্যাশিত বাংলাদেশর প্রতিচ্ছবি। দৃঢ়চিত্তে আঁকেন মায়ের উপমায় সমৃদ্ধ মাতৃভূমির শাশ্বত সৌন্দর্য। ‘একটি বুলেট শুধু মৃদু শব্দে খুলে ফেলে যে নাকের ফুল/ তুমি তো সঠিক মাগো বাদ বাকি পৃথিবীর সব স্মৃতি ভুল’। (জননী আমার, নির্বাচিত সনেট)

কবি তার বুকে ধারণ করেন অসীম আকাশ। ভালোবাসার চাদর দিয়ে আগলে রাখেন নদীমাতৃক ব-দ্বীপ। এখানে সোনালি ফসল ফলে, রুপালি মাছ দিগন্তে ছোটে, পাখিরা গায় মুক্তির গান। এখানে সুন্দরবনে কেওড়া ফুল ফোটে, নগরে ফোটে কৃষ্ণচূড়া। প্রত্যাশার জাহাজে চড়ে ছুটে আসে প্রেম, সুশাসন। নোঙর ফেলে অধিকার, গণতন্ত্রের বন্দরে আপন মহিমায়।

‘একটি রাত্রির শেষে খুলে যায় আলোর দোকান/ আঁধার ভাঙার শব্দে আশা জাগে পৃথিবীর বুকে/ এ অসত্য অ-সুন্দরে মানবিক আশাহত সুখে/ রুপালি রোদের মতো নিকোটিন কাচের সাম্পান।’ (নিকোটিন কাচের সাম্পান)

বাংলা সাহিত্যে শ্রমিক দিবসের গুরুত্ব

কবি তার অনুসন্ধানী চোখে সম্ভাবনার ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে পেরেছেন। স্বাধীনতার ইতিহাস বুকে ধারণ করেছেন বলেই ভুলে যাননি রক্তাক্ত সময়, ভুলে যাননি তাঁদের, যাদের বিসর্জনে পেয়েছি আমরা একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। ‘পিতার পায়ের ছাপ দেখে দেখে কত বীর দিয়ে গেছে প্রাণ/ দেখবে দেখবে বলে কেবলই একটি ফুল সাজানো বাগান’। (পিঁপড়া কাহিনি)

কবি জামসেদ ওয়াজেদ তার লেখনীর নিজস্বতা তৈরি করতে পেরেছেন। অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করার কৌশল যথাযথ রপ্ত করেছেন। তার কবিতা মেদহীন, বক্তব্য প্রধান ও উপমার বাহুল্য নেই। বিশ্বায়নের পথে এগিয়ে যাবার অভিপ্রায় যেমন আছে; তেমনই সার্বজনীন রূপে ঋদ্ধ পঙ্‌ক্তি উচ্চারণে সময়কে উতরে যাবার প্রচেষ্টা আছে।

‘দাগ রেখে যাবো বলে সময়কে করছি ধারণ/ সাহিত্যের রসনায় উদ্ভাসিত এই সমতট/ উদার হৃদয় থেকে প্রেম দেবো নয়তো কপট/ কবিরা মানে না জেনো এ মন্দের ইঙ্গিত বারণ।’ (শব্দের রাজত্ব) সময়ের বরপুত্র কবি জামসেদ ওয়াজেদ। দিগন্ত পেরিয়ে ছোবেন মহাকাল। এ প্রত্যাশায় শুভ কামনা।