ভোলার বোরহানউদ্দিনে জ্বালানি তেল ও গ্যাসকে কেন্দ্র করে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ উঠেছে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সঠিকভাবে তদারকি না থাকায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে একটা অংশ অধিক মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছেন। গতকাল অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেলবাহী গাড়ি এলাকায় প্রবেশ করলেও কিছু ব্যবসায়ী সীমিত পরিমাণ তেল বিক্রি করে হঠাৎ দোকান বন্ধ করে দেয়।
অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তীতে ওই তেল গোপনে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছে। একইভাবে গ্যাসের ক্ষেত্রেও সংকট তৈরি করে সিলিন্ডার প্রতি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ভোক্তারা।
বর্তমান সরকার জ্বালানি খাতে ভর্তুকি প্রদান করলেও এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, তাদের সিন্ডিকেট পরিকল্পিতভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে এবং সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করছে। অনেকেই মনে করছেন, কার্যকর তদারকি না থাকায় এসব অনিয়ম দিন দিন বেড়েই চলেছে। তারা আরও বলেন, প্রশাসনের সামনে গাড়ি তেল দিয়ে যাচ্ছে, তাদের সামনেই বেশি দামে তেল বিক্রি করছে, কেন বাড়তি তেল বিক্রি করছে এই বিষয় প্রশাসন কোন কথা বলেনা। প্রশাসনের উদ্দেশ্য বলবো, আপনারা ডিপো থেকে তেল আনতে সহযোগিতা করছেন, তবে প্রতিটি বাজারে তেল দেওয়ার পর কতো টাকা করে তেল বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা, সেই বিষয় জোরদার হলে এতো এ-তো সংকট সৃষ্টি হতোনা।
মহসিন নামে এক ব্যক্তি বলেন, যেই পরিমান তেল বোরহানউদ্দিন উপজেলায় দেওয়া হয়, তার ব্যবহার সঠিক ভাবে হলে সংকট সৃষ্টি হতোনা। উপজেলার প্রতিটি বাজারে, ব্যবসায়ীদের মধ্যে থেকে প্রতি বাজারে ৩-৪ ব্যবসায়ীকে প্রশাসনের নির্দেশে তেল দিবে, তাদের কাছ থেকে যানবাহন চালকরা তেল সংগ্রহ করবে। প্রশাসনের দেওয়া দামে, তাহলে কেউ বেশি দামে তেল ও ১ টার বেশি তেল নিতে পারবে না। আর এইরকম নিয়ম শৃঙ্খলা না করলে, যতোই তেল দেউক, সংকট সৃষ্টি হবেই। কারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে কিছু আছে সময় বুজে অসাধু পথ বেচে নেন। এদেরকে জেল ও জরিমানা মানা করলে অন্যান্যরা নিজেদেরকে শুধরে নিতো।সাধারণ মানুষের স্বার্থে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।
রিয়াজ ফরাজী (ভোলা) 





















