ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষিত যুবকদের জন্য বিশেষ ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ: দেশের ৬৪ জেলায় কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ আ.লীগের সাব-রেজিষ্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ “ড. তারেক হোসেনের নেতৃত্বে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নিয়োগ ও টেন্ডার সিণ্ডিকেট” বালিয়াডাঙ্গীতে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে রং মিশ্রিত শিং-মাগুর মাছ গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য : মির্জা ফখরুল প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে একের পর এক নিয়োগ বিতর্কে বয়জার রহমান বাগেরহাটের রামপালে চাঁদা দাবি করে সাংবাদিককে প্রাণে মারার হুমকি । জুলাই যোদ্ধাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর সাথে সচিবালয়ে সাক্ষাত নওগাঁয় বিএমডিএ জোনে ঘুষ-বাণিজ্যের অভিযোগ,তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আবু সুফিয়ানের প্রকল্প-নিয়োগ বাণিজ্য

গ্রাহকদের হয়রানি ঘুষ দুর্নীতি মাধ্যমে দালালাদের সিন্ডিকেটের অভিযোগ রাসেল আহমেদ বিরুদ্ধে

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০১:০২:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫২০ বার পড়া হয়েছে

বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪ পূর্বাচল ঢাকা এর মোটরযান পরিদর্শক রাসেল আহমেদ,গ্রাহকদের হয়রানি করে ঘুষ দুর্নীতি মাধ্যমে দালালাদের সিন্ডিকেট গড়ে তুলে ঘুষ টাকার বিনিময় ফিটনেস বিহীন গাড়ীগুলো ফিটনেস দিয়ে দেশ ও জাতীর ক্ষতিসাধন করেছে।

এসব বিষয়ের তদন্ত চেয়ে সড়ক জনপদ ও মহাসড়ক বিভাগ,সড়ক জনপদ ও সেতু মন্ত্রণালয়র কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আব্দুস সালাম নামের এক ব্যক্তি

অভিযোগসূত্রে জানা যায় যে,মো.রাসেল আহমেদ,মোটরযান পরিদর্শক,বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪,পূর্বাচল,আবাসিক এলাকায় জকায় কমরত আছেন। তিনি দালালদের মাধ্যমে গ্রহক হয়রানি করে মুষর টাকার বিনিময়ে ফিটনেস বিহীন ও রাস্তা চলাচলের অযোগ্য গাড়ীগুলোকে ফিটনেস দিয়ে দেশ জাতীকে সংকটেনর দিকে ফেলে দিয়ে দুঃঘটনা ঘটানো ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

রাসেল এর মতো একজন ঘুষখোর ও সামান্য নিভর কমবার্তা ঢাকা মেট্রো-৪ এ কমবত থাকলে। মাকার অযোগ্য ফিটনেস বিহীন গাড়ীগুলো ফিটনেস দিয়ে দেশ জাতীর ক্ষতিসাধন করেই যাচ্ছেন। ফিটনেস বিহীন ও ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদান করা গাড়ীগুলোর নাম্বার উল্লেখ করা হলোঃ গত ০৩/০২/২০২৬ ইং তারিখ ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদানের গাড়ী নম্বার। DHAKA METRO-CHA-20-0108, DHAKA METRO-U-11-7535, DHAKA METRO-MA-13-0412, DHAKA METRO-GHA-12-0132,

DHAKA METRO-GA-20-5032,DHAKA METRO-GHA-13-3218,DHAKA METRO-GHA-14-5910,

গত ০৫/০২/২০২৬ ইং তারিখ ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদানের গাড়ী নম্বার: DHAKA

METRO-GHA-14-8464, DHAKA METRO-MA-13-0789, DHAKA,METRO-AU-11-5572

গত ০৮/০২/২০২৬ ইং তারিখ ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদানের গাড়ী নম্বার: DHAKA

METRO-GA-22-8452, DHAKA,METRO-GA-19-0151, DHAKA,METRO-MA-11-0066, DHAKA METRO-GHA-12-0075, DHAKA,METRO-KHA-11-4699, DHAKA METRO-MA-11-1548, DHAKA,METRO-THA-11-6269

এই গাড়ীগুলো গত ০৯-০২-২০২৬ইং তারিখ ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস দেওয়া হয়েছে।

DHAKA METRO-THA-12-0333, DHAKA METRO-THA-12-0328, DHAKA METRO-JHA- 11-1009, DHAKA METRO-CHA-14-8169,DHAKA METRO-KHA-12-3105, DHAKA METRO-DA-11-8635,DHAKA METRO-BHA-12-0151, DHAKA METRO-U-14-2377,রাসেল আহমেদ উক্ত গাড়ীগুলো টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদান করেছেন। উপরোক্ত গাড়ীগুলো

CHATTA-METRO-MA-11-0881
অধিকাংশ ফিটনেসবিহীন ও পরিত্যাক্ত হওয়ায় ঘুষের টাকার বিনিময়ে দালাল এর মাধ্যমে ফিটনেস সনদ ইস্যু করেছেন। বাসেল আহমেদ একজন ঘুষখোর বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক তিনি তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সহকারী পরিচালক ইমরান খানের নিদের্শ মোতাবেক উপরোক্ত গাড়ীগুলো ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদান করেছেন। রাসেল আহমেদের পূর্বের কর্মস্থলে শত শত অভিযোগ থাকার পরেও তিনি তদবির করে ঢাকায় বদলী হয়ে এসেই পূর্ণরায় ঢাকা মেট্রো-৪ দুর্নীতি শুরু করেছেন এবং দালাল সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করিতেছেন। রাসেল আহমেদ একজন লেবাসধারী ঘুষখোর বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক। তার কারণে দেশ জাতী রাস্তা চলাচলের সংকটের মধ্যে যে কোন সময়ে পরিত্যাক্ত ফিটনেস বিহীন গাড়ীগুলোর কারণে রাস্তায় বড় আকারে দুঃঘটনা ঘটতে পারে। এর জন্য রাসেল আহমেদ ও তার সহযোগী ইমরান খান বড় দায়ী। রাসেল এর পিতার নাম-বশির আহমেদ,মাতর নাম-নুরুন্নাহার স্ত্রীর নাম-উম্মে হানি। তার জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৪৩৪১৭০৬৯৯৭, জন্ম তারিখ-০১/০১/১৯৯৩ইং,তার ঠিকানা:গ্রাম-চর কুমারিয়া,উত্তর দিঘলদী, ডাকঘর-বালিয়া, থানা-জেলা-ভোলা। তার টিন নং-৫৪৫৪৬৯৫৭২২৬১, কর সার্কেল-৬৫, কর অঞ্চল-৩,ঢাকা। রাসেল আহমেদের ভোলা শহরে একটি ৬ষ্ঠ তলা বাড়ি রয়েছে। ৪০ বিঘা জমি ক্রয় করে একটি কৃষি খামার বানিয়েছেন। ঢাকা শহরে রাসেল আহমেদের একাধিক ফ্ল্যাট প্লট,গাড়ী, বাড়ী সহ বিভিন্ন ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা জমিয়ে রেখেছেন নামে বেনামে। এছাড়াও ভোলায় একাধিক বাড়ী এবং বরিশালে একাধিক বাড়ী এবং ৪০ বিঘা জমি ক্রয় করেছেন। রাসেল আহমেদের বিরুদ্ধে কয়েকটি দপ্তরে ইতি পূর্বে শত শত অভিযোগ জমা পড়েছে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে উপরোক্ত অভিযোগগুলো তদন্ত না করে অভিযোগ গুলো এখনও জমা রয়েছে। রাসেল আহমেদ বড় ক্ষমতাধর হওয়ায় তার বিরুদ্ধে শত শত অভিযোগ দায়ের করার পরও কোন প্রকার প্রতিকার না পাওয়ায় বিআরটিএ এর গ্রাহকগণ হতাশ। তাই অতিদ্রুত রাসেল আহমেদ কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও দালাল সিন্ডিকেট এর বিষয়ে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা সহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করত এবং তাকে ঢাকা মেট্রো-০৪ থেকে প্রত্যাহার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসলে বিআরটিএ দালাল সিন্ডিকেট ও অবৈধ কমকান্ড চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে।

এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তাদের ঘুষ দুর্নীতি বিষয় তদন্ত করে তারদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষিত যুবকদের জন্য বিশেষ ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ: দেশের ৬৪ জেলায় কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ

গ্রাহকদের হয়রানি ঘুষ দুর্নীতি মাধ্যমে দালালাদের সিন্ডিকেটের অভিযোগ রাসেল আহমেদ বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ০১:০২:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪ পূর্বাচল ঢাকা এর মোটরযান পরিদর্শক রাসেল আহমেদ,গ্রাহকদের হয়রানি করে ঘুষ দুর্নীতি মাধ্যমে দালালাদের সিন্ডিকেট গড়ে তুলে ঘুষ টাকার বিনিময় ফিটনেস বিহীন গাড়ীগুলো ফিটনেস দিয়ে দেশ ও জাতীর ক্ষতিসাধন করেছে।

এসব বিষয়ের তদন্ত চেয়ে সড়ক জনপদ ও মহাসড়ক বিভাগ,সড়ক জনপদ ও সেতু মন্ত্রণালয়র কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আব্দুস সালাম নামের এক ব্যক্তি

অভিযোগসূত্রে জানা যায় যে,মো.রাসেল আহমেদ,মোটরযান পরিদর্শক,বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪,পূর্বাচল,আবাসিক এলাকায় জকায় কমরত আছেন। তিনি দালালদের মাধ্যমে গ্রহক হয়রানি করে মুষর টাকার বিনিময়ে ফিটনেস বিহীন ও রাস্তা চলাচলের অযোগ্য গাড়ীগুলোকে ফিটনেস দিয়ে দেশ জাতীকে সংকটেনর দিকে ফেলে দিয়ে দুঃঘটনা ঘটানো ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

রাসেল এর মতো একজন ঘুষখোর ও সামান্য নিভর কমবার্তা ঢাকা মেট্রো-৪ এ কমবত থাকলে। মাকার অযোগ্য ফিটনেস বিহীন গাড়ীগুলো ফিটনেস দিয়ে দেশ জাতীর ক্ষতিসাধন করেই যাচ্ছেন। ফিটনেস বিহীন ও ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদান করা গাড়ীগুলোর নাম্বার উল্লেখ করা হলোঃ গত ০৩/০২/২০২৬ ইং তারিখ ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদানের গাড়ী নম্বার। DHAKA METRO-CHA-20-0108, DHAKA METRO-U-11-7535, DHAKA METRO-MA-13-0412, DHAKA METRO-GHA-12-0132,

DHAKA METRO-GA-20-5032,DHAKA METRO-GHA-13-3218,DHAKA METRO-GHA-14-5910,

গত ০৫/০২/২০২৬ ইং তারিখ ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদানের গাড়ী নম্বার: DHAKA

METRO-GHA-14-8464, DHAKA METRO-MA-13-0789, DHAKA,METRO-AU-11-5572

গত ০৮/০২/২০২৬ ইং তারিখ ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদানের গাড়ী নম্বার: DHAKA

METRO-GA-22-8452, DHAKA,METRO-GA-19-0151, DHAKA,METRO-MA-11-0066, DHAKA METRO-GHA-12-0075, DHAKA,METRO-KHA-11-4699, DHAKA METRO-MA-11-1548, DHAKA,METRO-THA-11-6269

এই গাড়ীগুলো গত ০৯-০২-২০২৬ইং তারিখ ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস দেওয়া হয়েছে।

DHAKA METRO-THA-12-0333, DHAKA METRO-THA-12-0328, DHAKA METRO-JHA- 11-1009, DHAKA METRO-CHA-14-8169,DHAKA METRO-KHA-12-3105, DHAKA METRO-DA-11-8635,DHAKA METRO-BHA-12-0151, DHAKA METRO-U-14-2377,রাসেল আহমেদ উক্ত গাড়ীগুলো টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদান করেছেন। উপরোক্ত গাড়ীগুলো

CHATTA-METRO-MA-11-0881
অধিকাংশ ফিটনেসবিহীন ও পরিত্যাক্ত হওয়ায় ঘুষের টাকার বিনিময়ে দালাল এর মাধ্যমে ফিটনেস সনদ ইস্যু করেছেন। বাসেল আহমেদ একজন ঘুষখোর বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক তিনি তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সহকারী পরিচালক ইমরান খানের নিদের্শ মোতাবেক উপরোক্ত গাড়ীগুলো ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদান করেছেন। রাসেল আহমেদের পূর্বের কর্মস্থলে শত শত অভিযোগ থাকার পরেও তিনি তদবির করে ঢাকায় বদলী হয়ে এসেই পূর্ণরায় ঢাকা মেট্রো-৪ দুর্নীতি শুরু করেছেন এবং দালাল সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করিতেছেন। রাসেল আহমেদ একজন লেবাসধারী ঘুষখোর বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক। তার কারণে দেশ জাতী রাস্তা চলাচলের সংকটের মধ্যে যে কোন সময়ে পরিত্যাক্ত ফিটনেস বিহীন গাড়ীগুলোর কারণে রাস্তায় বড় আকারে দুঃঘটনা ঘটতে পারে। এর জন্য রাসেল আহমেদ ও তার সহযোগী ইমরান খান বড় দায়ী। রাসেল এর পিতার নাম-বশির আহমেদ,মাতর নাম-নুরুন্নাহার স্ত্রীর নাম-উম্মে হানি। তার জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৪৩৪১৭০৬৯৯৭, জন্ম তারিখ-০১/০১/১৯৯৩ইং,তার ঠিকানা:গ্রাম-চর কুমারিয়া,উত্তর দিঘলদী, ডাকঘর-বালিয়া, থানা-জেলা-ভোলা। তার টিন নং-৫৪৫৪৬৯৫৭২২৬১, কর সার্কেল-৬৫, কর অঞ্চল-৩,ঢাকা। রাসেল আহমেদের ভোলা শহরে একটি ৬ষ্ঠ তলা বাড়ি রয়েছে। ৪০ বিঘা জমি ক্রয় করে একটি কৃষি খামার বানিয়েছেন। ঢাকা শহরে রাসেল আহমেদের একাধিক ফ্ল্যাট প্লট,গাড়ী, বাড়ী সহ বিভিন্ন ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা জমিয়ে রেখেছেন নামে বেনামে। এছাড়াও ভোলায় একাধিক বাড়ী এবং বরিশালে একাধিক বাড়ী এবং ৪০ বিঘা জমি ক্রয় করেছেন। রাসেল আহমেদের বিরুদ্ধে কয়েকটি দপ্তরে ইতি পূর্বে শত শত অভিযোগ জমা পড়েছে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে উপরোক্ত অভিযোগগুলো তদন্ত না করে অভিযোগ গুলো এখনও জমা রয়েছে। রাসেল আহমেদ বড় ক্ষমতাধর হওয়ায় তার বিরুদ্ধে শত শত অভিযোগ দায়ের করার পরও কোন প্রকার প্রতিকার না পাওয়ায় বিআরটিএ এর গ্রাহকগণ হতাশ। তাই অতিদ্রুত রাসেল আহমেদ কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও দালাল সিন্ডিকেট এর বিষয়ে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা সহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করত এবং তাকে ঢাকা মেট্রো-০৪ থেকে প্রত্যাহার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসলে বিআরটিএ দালাল সিন্ডিকেট ও অবৈধ কমকান্ড চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে।

এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তাদের ঘুষ দুর্নীতি বিষয় তদন্ত করে তারদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।