ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বন মামলার নথি বদলে ফেলেছে বন সংরক্ষক এ.এস.এম. জহির উদ্দিন ফায়ারের গাড়ি চালক সাখাওয়াতের কোটি কোটি টাকা বন্যা মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. পাভেলকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নামার আগে সেরা খেলোয়াড়কে হারাল সুইজারল্যান্ড ফরিদপুরে বাসচাপায় নিহত ৪ ‘জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে’ : ব্রাহ্মণপাড়ায় এমপি জসিম উদ্দিন প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিটের দামে ধস

পার্বতীপুর-রংপুর মহাসড়কে ২০ গজে তিন স্পিড ব্রেকার, বাড়ছে দুর্ঘটনা

দিনাজপুরের পার্বতীপুর-রংপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে ২০ গজের মধ্যে তিনটি স্পিড ব্রেকার স্থাপনের ফলে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সর্বশেষ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে মহাসড়কের এ্যাফেক রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল-এর সামনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আ: করিম (৩৫) নামে এক ব্যক্তি আহত হন।

আহত আ: করিম পঞ্চগড়ের পঞ্চগড় জেলা শিক্ষা অধিদপ্তর-এর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) কর্মকর্তা। তিনি পার্বতীপুর শহরের আমিরগঞ্জ মহল্লার বাসিন্দা। জানা যায়, উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের বাসুপাড়া গ্রাম থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে স্কুলের সামনে পরপর তিনটি স্পিড ব্রেকার অতিক্রম করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে ছিটকে পড়েন। এতে তার ডান হাত ও ডান পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে এবং পরনের কাপড় ছিঁড়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ২০ গজের মধ্যে তিনটি স্পিড ব্রেকার থাকায় যানবাহন চালকদের ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ছে। আদর্শ হুগলীপাড়া এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, “স্পিড ব্রেকার দেওয়ার আগে এখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা শোনা যায়নি। এখন প্রায় প্রতিদিনই কেউ না কেউ আহত হচ্ছেন।”

পথচারী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, মহাসড়কের তুলনায় স্পিড ব্রেকারগুলোর উচ্চতা বেশি এবং সঠিক সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড বা রিফ্লেক্টর নেই। ফলে বিশেষ করে মোটরসাইকেল, ভ্যান ও অটোরিকশা চালকেরা বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন।

এ বিষয়ে পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাদ্দাম হোসেন বলেন, স্পিড ব্রেকারগুলো স্থাপন করেছে দিনাজপুর সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর। তিনি জানান, একটি স্পিড ব্রেকার রেখে বাকি দুটি অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করা হবে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক জামিল আহমেদ বলেন, ২০১৮ সালে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরে আবেদন করার পর এসব গতিরোধক স্থাপন করা হয়। তবে তিনটি স্পিড ব্রেকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বলে তিনি দাবি করেন। এলাকাবাসী দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ স্পিড ব্রেকার অপসারণ, মানসম্মত নকশা অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বন মামলার নথি বদলে ফেলেছে বন সংরক্ষক এ.এস.এম. জহির উদ্দিন

পার্বতীপুর-রংপুর মহাসড়কে ২০ গজে তিন স্পিড ব্রেকার, বাড়ছে দুর্ঘটনা

আপডেট সময় ০৩:২৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দিনাজপুরের পার্বতীপুর-রংপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে ২০ গজের মধ্যে তিনটি স্পিড ব্রেকার স্থাপনের ফলে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সর্বশেষ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে মহাসড়কের এ্যাফেক রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল-এর সামনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আ: করিম (৩৫) নামে এক ব্যক্তি আহত হন।

আহত আ: করিম পঞ্চগড়ের পঞ্চগড় জেলা শিক্ষা অধিদপ্তর-এর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) কর্মকর্তা। তিনি পার্বতীপুর শহরের আমিরগঞ্জ মহল্লার বাসিন্দা। জানা যায়, উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের বাসুপাড়া গ্রাম থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে স্কুলের সামনে পরপর তিনটি স্পিড ব্রেকার অতিক্রম করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে ছিটকে পড়েন। এতে তার ডান হাত ও ডান পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে এবং পরনের কাপড় ছিঁড়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ২০ গজের মধ্যে তিনটি স্পিড ব্রেকার থাকায় যানবাহন চালকদের ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ছে। আদর্শ হুগলীপাড়া এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, “স্পিড ব্রেকার দেওয়ার আগে এখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা শোনা যায়নি। এখন প্রায় প্রতিদিনই কেউ না কেউ আহত হচ্ছেন।”

পথচারী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, মহাসড়কের তুলনায় স্পিড ব্রেকারগুলোর উচ্চতা বেশি এবং সঠিক সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড বা রিফ্লেক্টর নেই। ফলে বিশেষ করে মোটরসাইকেল, ভ্যান ও অটোরিকশা চালকেরা বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন।

এ বিষয়ে পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাদ্দাম হোসেন বলেন, স্পিড ব্রেকারগুলো স্থাপন করেছে দিনাজপুর সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর। তিনি জানান, একটি স্পিড ব্রেকার রেখে বাকি দুটি অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করা হবে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক জামিল আহমেদ বলেন, ২০১৮ সালে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরে আবেদন করার পর এসব গতিরোধক স্থাপন করা হয়। তবে তিনটি স্পিড ব্রেকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বলে তিনি দাবি করেন। এলাকাবাসী দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ স্পিড ব্রেকার অপসারণ, মানসম্মত নকশা অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।