ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মৌলভীবাজারে একই পরিবারের ১১ দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর পাশে জেলা প্রশাসন ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবি’র উদ্যোগে সীমান্তবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ জনদুর্ভোগ এড়াতে কালভার্টের দাবি বরগুনার ছোট তালতলী গ্রামবাসীর কালিয়াকৈরে সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ কুমিল্লায় ৭৫ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি ও পোশাক জব্দ করেছে বিজিবি হ্যারি কেইনকে ডিফেন্সে নামানো ভুল ছিল, টুখেলের সমালোচনায় ট্রাম্প আত্রাইয়ে প্রকাশ্যে মাদক সেবনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই যুবকের কারাদণ্ড  কালীগঞ্জে সতি নদী থেকে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার পরীক্ষা কক্ষে নকলের মহোৎসব! ভিডিও ভাইরাল সাদুল্লাপুরে  কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু

মোংলায় পে স্কেলের দাবিতে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি

মোংলায় পে স্কেলের দাবিতে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ পৌর কর্মচারী ফেডারেশন ও শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ মোংলা শাখা।
কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচির আওতায় রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত পৌর মার্কেটের সামনে এ বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে বেতন কাঠামো হালনাগাদ না হওয়ায় তারা আর্থিক চাপে পড়েছেন। এ অবস্থায় একটি বাস্তবসম্মত ও বৈষম্যমুক্ত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি বলে তারা মতামত দেন।
বক্তারা আরও বলেন, পাঁচ বছর পরপর পে-স্কেল সংশোধনের নিয়ম থাকলেও গত এক দশকের বেশি সময় ধরে তা বাস্তবায়ন হয়নি। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের ন্যায্য দাবি জানিয়ে আসছি, কিন্তু এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। দ্রুত নবম পে-স্কেল কার্যকর না হলে কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হব।
বক্তারা বলেন, গত ৭ বছর ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পরেও সরকার কর্মচারীদের দাবি আমলে নিচ্ছে না। গত ৫ ডিসেম্বর  লক্ষাধিক কর্মচারীর উপস্থিতিতে মহাসমাবেশের পর আশা করা হয়েছিল ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশ হবে, কিন্তু তা হয়নি।
অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ব্লক পোস্টে কর্মরতদের ৫ বছর পরপর উচ্চতর গ্রেড প্রদান, কারিগরি কাজে নিয়োজিতদের টেকনিক্যাল মর্যাদা দান, চাকরির শেষ ধাপে উন্নীতদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি অব্যাহত রাখা, উন্নয়ন প্রকল্পের চাকরিকাল গণনার বৈষম্যমূলক আদেশ বাতিল, রেশন পদ্ধতি চালু এবং সচিবালয়ের মতো সব দপ্তরে এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন।
প্রতিবাদ সভা শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল পৌর মার্কেট চত্বর থেকে শুরু হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। কর্মসূচিতে পে কমিশন প্রস্তাবিত পে স্কেলে গেজেট প্রকাশসহ ৭ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।
এসময় মোংলা পোর্ট পৌরসভা কর্মচারী সংসদের সভাপতি মো. নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্ব মোংলা পোর্ট পৌরসভা কর্মচারী সংসদের সেক্রেটারি ও খুলনা বিভাগীয় কর্মচারী ফেডারেশনের পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. শাহিন, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের সাবেক অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের মোংলা আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন চৌধুরী জাহিদ, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের এডহক কমিটির সদস্য মো. আল আমিন, বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন বাগেরহাট জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক কহিনুর সরদার, মোংলা পৌর শাখার সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম, মোংলা কলেজ শাখার সেক্রেটারি মোছাল্লী ফরিদ উদ্দিন,  ট্যাকনিক্যাল শাখার সভাপতি মো. সেলিম, মোংলা মাধ্যমিক শাখার সেক্রেটারি মো. কামাল হোসেন, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি মোংলা উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক নূর আলম জোমাদ্দার সহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মৌলভীবাজারে একই পরিবারের ১১ দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর পাশে জেলা প্রশাসন

মোংলায় পে স্কেলের দাবিতে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি

আপডেট সময় ০৭:২১:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
মোংলায় পে স্কেলের দাবিতে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ পৌর কর্মচারী ফেডারেশন ও শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ মোংলা শাখা।
কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচির আওতায় রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত পৌর মার্কেটের সামনে এ বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে বেতন কাঠামো হালনাগাদ না হওয়ায় তারা আর্থিক চাপে পড়েছেন। এ অবস্থায় একটি বাস্তবসম্মত ও বৈষম্যমুক্ত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি বলে তারা মতামত দেন।
বক্তারা আরও বলেন, পাঁচ বছর পরপর পে-স্কেল সংশোধনের নিয়ম থাকলেও গত এক দশকের বেশি সময় ধরে তা বাস্তবায়ন হয়নি। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের ন্যায্য দাবি জানিয়ে আসছি, কিন্তু এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। দ্রুত নবম পে-স্কেল কার্যকর না হলে কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হব।
বক্তারা বলেন, গত ৭ বছর ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পরেও সরকার কর্মচারীদের দাবি আমলে নিচ্ছে না। গত ৫ ডিসেম্বর  লক্ষাধিক কর্মচারীর উপস্থিতিতে মহাসমাবেশের পর আশা করা হয়েছিল ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশ হবে, কিন্তু তা হয়নি।
অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ব্লক পোস্টে কর্মরতদের ৫ বছর পরপর উচ্চতর গ্রেড প্রদান, কারিগরি কাজে নিয়োজিতদের টেকনিক্যাল মর্যাদা দান, চাকরির শেষ ধাপে উন্নীতদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি অব্যাহত রাখা, উন্নয়ন প্রকল্পের চাকরিকাল গণনার বৈষম্যমূলক আদেশ বাতিল, রেশন পদ্ধতি চালু এবং সচিবালয়ের মতো সব দপ্তরে এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন।
প্রতিবাদ সভা শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল পৌর মার্কেট চত্বর থেকে শুরু হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। কর্মসূচিতে পে কমিশন প্রস্তাবিত পে স্কেলে গেজেট প্রকাশসহ ৭ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।
এসময় মোংলা পোর্ট পৌরসভা কর্মচারী সংসদের সভাপতি মো. নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্ব মোংলা পোর্ট পৌরসভা কর্মচারী সংসদের সেক্রেটারি ও খুলনা বিভাগীয় কর্মচারী ফেডারেশনের পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. শাহিন, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের সাবেক অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের মোংলা আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন চৌধুরী জাহিদ, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের এডহক কমিটির সদস্য মো. আল আমিন, বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন বাগেরহাট জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক কহিনুর সরদার, মোংলা পৌর শাখার সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম, মোংলা কলেজ শাখার সেক্রেটারি মোছাল্লী ফরিদ উদ্দিন,  ট্যাকনিক্যাল শাখার সভাপতি মো. সেলিম, মোংলা মাধ্যমিক শাখার সেক্রেটারি মো. কামাল হোসেন, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি মোংলা উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক নূর আলম জোমাদ্দার সহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।