ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লায় গৃহবধূ মরিয়ম বেগম হত্যায় শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরের যাবজ্জীবন শিবগঞ্জে ১৮৫ গ্রাম হেরোইনসহ চারজন গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে ১৩০ বোতল এস্কাফ সিরাপ জব্দ দেশে বিনা চিকিৎসায় আর রুগীর মৃত্যু দেখতে চাই না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে  ৯২ লাখ টাকার অবৈধ ভারতীয় শাড়ি-থ্রিপিস উদ্ধার পাগলাপীরের ঠাকুরপাড়ায় মাইক্রোবাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ,দুই বন্ধুর মৃত্যু ডাবল সুবিধা’ নিতে নিয়ম ভাঙার অভিযোগ, যুব উন্নয়নের সাবেক ডিজির বিরুদ্ধে এলজিইডিতে পদোন্নতি-বদলি ও নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে শফিকুর রহমান ইইডির শীর্ষ পদ দখলের দৌড়, পদোন্নতি-ঠিকাদারি ও সিন্ডিকেটের অভিযোগে অস্থিরতা পিরোজপুরে এলজিইডিতে দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্র, কাগজে কাজ দেখিয়ে ১১০০ কোটি লোপাট

ভূমি কর্মকর্তার ঘুস বাণিজ্য ফাঁস

পটুয়াখালীর দশমিনায় মো. শহীদুল ইসলাম নামে এক ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি মাদ্রাসা প্রধানের থেকে প্রায় অর্ধ লাখ টাকা ঘুস গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযুক্ত মো. শহীদুল ইসলাম উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা। তিনি একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থাকায় আধিপত্য বিস্তার করছেন বলে অভিযোগ আছে। নামজারি আর দাখিলায় চাহিদা অনুযায়ী টাকা না দিলে হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ ওই ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

চরবোরহান ইউনিয়ন দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. ইউনুস মিয়া বলেন, তার বাড়ি রনগোপালদী ইউনিয়নে। তিনি একটি ফসলি জমির নামজারি করতে রনগোপালদী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যান। সেখানে গিয়ে হয়রানির শিকার হন। পরে ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলামকে একই জমির নামজারির জন্য দুইবার পনেরো হাজার করে মোট ত্রিশ হাজার টাকা ঘুস দিতে হয় তাকে। এছাড়াও তার কর্মস্থল চরবোরহান ইউনিয়ন দাখিল মাদ্রাসার নামজারির জন্য আরও পনেরো হাজার টাকা ঘুস নেন ওই ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা। ওই মাদ্রাসা প্রধানের থেকে ভূমি কর্মকর্তা মোট ৪৫ হাজার টাকা ঘুস নেন।

ঘুস নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা ভুক্তভোগী মাদ্রাসা শিক্ষককে বলেন, ঘুসের এ টাকা তার অনেককে দেওয়া লাগে। প্রায় তিন বছর একই কর্মস্থলে আছেন জানিয়ে অভিযোগের বিষয়ে শহীদুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত কোনো অভিযোগ সত্য না। এ বিষয়ে ইউএনও ইরতিজা হাসান বলেন, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ও লিখিত অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় গৃহবধূ মরিয়ম বেগম হত্যায় শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরের যাবজ্জীবন

ভূমি কর্মকর্তার ঘুস বাণিজ্য ফাঁস

আপডেট সময় ০১:১২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

পটুয়াখালীর দশমিনায় মো. শহীদুল ইসলাম নামে এক ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি মাদ্রাসা প্রধানের থেকে প্রায় অর্ধ লাখ টাকা ঘুস গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযুক্ত মো. শহীদুল ইসলাম উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা। তিনি একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থাকায় আধিপত্য বিস্তার করছেন বলে অভিযোগ আছে। নামজারি আর দাখিলায় চাহিদা অনুযায়ী টাকা না দিলে হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ ওই ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

চরবোরহান ইউনিয়ন দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. ইউনুস মিয়া বলেন, তার বাড়ি রনগোপালদী ইউনিয়নে। তিনি একটি ফসলি জমির নামজারি করতে রনগোপালদী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যান। সেখানে গিয়ে হয়রানির শিকার হন। পরে ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলামকে একই জমির নামজারির জন্য দুইবার পনেরো হাজার করে মোট ত্রিশ হাজার টাকা ঘুস দিতে হয় তাকে। এছাড়াও তার কর্মস্থল চরবোরহান ইউনিয়ন দাখিল মাদ্রাসার নামজারির জন্য আরও পনেরো হাজার টাকা ঘুস নেন ওই ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা। ওই মাদ্রাসা প্রধানের থেকে ভূমি কর্মকর্তা মোট ৪৫ হাজার টাকা ঘুস নেন।

ঘুস নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা ভুক্তভোগী মাদ্রাসা শিক্ষককে বলেন, ঘুসের এ টাকা তার অনেককে দেওয়া লাগে। প্রায় তিন বছর একই কর্মস্থলে আছেন জানিয়ে অভিযোগের বিষয়ে শহীদুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত কোনো অভিযোগ সত্য না। এ বিষয়ে ইউএনও ইরতিজা হাসান বলেন, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ও লিখিত অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।