সংবাদ শিরোনাম ::
সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী

জিসানের নেতৃত্বে নয়াপল্টনে কনকনে শীত উপেক্ষা করে হাজারো নেতা-কর্মী

দেড় যুগ পর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে হাজারো নেতা-কর্মী অবস্থান নেন। বিশেষত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুমিনুল ইসলাম জিসানের নেতৃত্বে এই কর্মসূচি চলে। কনকনে শীতের মধ্যেও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা সক্রিয়ভাবে উপস্থিত হন এবং দল ও গণতন্ত্রের প্রতি তাদের অঙ্গীকার প্রদর্শন করেন।
বুধবার ভোর থেকেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আশেপাশের এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন কলেজ, থানা ও ইউনিট থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত হন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। হাতের পতাকা, ব্যানার ও পোস্টারে লেখা সংক্ষিপ্ত বার্তা চোখে পড়ে। এ সময় উপস্থিতদের মধ্যে একজন বলেন, “আমরা কেবল নেতা নয়, আমরা গণতন্ত্র রক্ষাকারী। শীত, ঠাণ্ডা বা ঝড়—কোনো কিছুই আমাদের রাজনৈতিক দায়িত্ব থেকে দূরে রাখতে পারবে না।”
এই কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন মুমিনুল ইসলাম জিসান। তিনি উপস্থিত নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, “তারেক রহমান দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের একজন অবিসংবাদিত নেতা। ছাত্রদল সবসময় তার পাশে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছে। আজকের এই উপস্থিতি সেই ঐক্য ও দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন।”
জিসান আরও বলেন, এটি নেতা-কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি এবং নেতৃবৃন্দের প্রতি সমর্থন প্রদর্শনের একটি কার্যক্রম। কনকনে শীত উপেক্ষা করেও হাজারো নেতা-কর্মী এখানে এসেছে, যা প্রমাণ করে ছাত্রদল রাজপথে সক্রিয় এবং গণতন্ত্র রক্ষায় অটল।”
মুমিনুল ইসলাম জিসান ছাত্ররাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ইউনিট ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি একাধিক আন্দোলন ও রাজনৈতিক সংকটের সময়ে মাঠে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ এবং রাজপথের বাস্তব অভিজ্ঞতার কারণে বর্তমানে তিনি কেন্দ্রীয় সংসদের ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ছাত্রদলের একজন সিনিয়র নেতা বলেন, “জিসানের নেতৃত্বে ছাত্রদল আরও দৃঢ় ও সংগঠিত হয়েছে। এই ধরনের উপস্থিতি দলকে নতুন উদ্দীপনা দেয় এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে আমাদের প্রভাবকে শক্তিশালী করে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, মুমিনুল ইসলাম জিসান একজন তরুণ ও কৌশলী নেতা, যিনি ছাত্ররাজনীতির সাথে মূল রাজনীতিকেও মেলাতে সক্ষম। তার নেতৃত্বে ছাত্রদল শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় নয়, বরং সংগঠনের ভেতরেও নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রাখছে।
কর্মসূচি চলাকালে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আশেপাশের এলাকা শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা এক জায়গায় অবস্থান নেন, স্লোগান দেন এবং ব্যানার প্রদর্শন করেন। এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ের উপর সংক্ষিপ্ত বার্তা প্রদান করা হয়, যা জনসাধারণের মধ্যে দলীয় দৃঢ়তা ও ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দেয়।
এছাড়া, কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মীরা বলেন, “দেশের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং ভোটাধিকার সংক্রান্ত বর্তমান পরিস্থিতিতে ছাত্রসমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চাই আমাদের তরুণরা সচেতন হোক এবং গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার জন্য এগিয়ে আসুক।”
মুমিনুল ইসলাম জিসান কর্মসূচির শেষে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের ধন্যবাদ জানান এবং তাদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত ছাত্রদলের সংগ্রাম চলমান থাকবে। আমরা শুধু নেতৃত্বের নির্দেশ মেনে চলি না, বরং নিজের উদ্যোগে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশ নিই।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জিসানের নেতৃত্বে ছাত্রদল বর্তমানে এক নতুন দিকনির্দেশনা পেয়েছে। তরুণ নেতৃত্বের সক্রিয় অংশগ্রহণ, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষত নতুন প্রজন্মের নেতা-কর্মীদের উৎসাহ ও অংশগ্রহণ দলের শক্তি বহুগুণ বৃদ্ধি করছে।
মোটের ওপর, মুমিনুল ইসলাম জিসানের নেতৃত্বে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, রাজপথের রাজনৈতিক আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ছাত্রদল এখনও দৃঢ়ভাবে অগ্রভাগে রয়েছে। তার নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে সংহতি ও ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত

জিসানের নেতৃত্বে নয়াপল্টনে কনকনে শীত উপেক্ষা করে হাজারো নেতা-কর্মী

আপডেট সময় ০৫:৩১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

দেড় যুগ পর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে হাজারো নেতা-কর্মী অবস্থান নেন। বিশেষত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুমিনুল ইসলাম জিসানের নেতৃত্বে এই কর্মসূচি চলে। কনকনে শীতের মধ্যেও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা সক্রিয়ভাবে উপস্থিত হন এবং দল ও গণতন্ত্রের প্রতি তাদের অঙ্গীকার প্রদর্শন করেন।
বুধবার ভোর থেকেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আশেপাশের এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন কলেজ, থানা ও ইউনিট থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত হন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। হাতের পতাকা, ব্যানার ও পোস্টারে লেখা সংক্ষিপ্ত বার্তা চোখে পড়ে। এ সময় উপস্থিতদের মধ্যে একজন বলেন, “আমরা কেবল নেতা নয়, আমরা গণতন্ত্র রক্ষাকারী। শীত, ঠাণ্ডা বা ঝড়—কোনো কিছুই আমাদের রাজনৈতিক দায়িত্ব থেকে দূরে রাখতে পারবে না।”
এই কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন মুমিনুল ইসলাম জিসান। তিনি উপস্থিত নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, “তারেক রহমান দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের একজন অবিসংবাদিত নেতা। ছাত্রদল সবসময় তার পাশে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছে। আজকের এই উপস্থিতি সেই ঐক্য ও দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন।”
জিসান আরও বলেন, এটি নেতা-কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি এবং নেতৃবৃন্দের প্রতি সমর্থন প্রদর্শনের একটি কার্যক্রম। কনকনে শীত উপেক্ষা করেও হাজারো নেতা-কর্মী এখানে এসেছে, যা প্রমাণ করে ছাত্রদল রাজপথে সক্রিয় এবং গণতন্ত্র রক্ষায় অটল।”
মুমিনুল ইসলাম জিসান ছাত্ররাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ইউনিট ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি একাধিক আন্দোলন ও রাজনৈতিক সংকটের সময়ে মাঠে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ এবং রাজপথের বাস্তব অভিজ্ঞতার কারণে বর্তমানে তিনি কেন্দ্রীয় সংসদের ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ছাত্রদলের একজন সিনিয়র নেতা বলেন, “জিসানের নেতৃত্বে ছাত্রদল আরও দৃঢ় ও সংগঠিত হয়েছে। এই ধরনের উপস্থিতি দলকে নতুন উদ্দীপনা দেয় এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে আমাদের প্রভাবকে শক্তিশালী করে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, মুমিনুল ইসলাম জিসান একজন তরুণ ও কৌশলী নেতা, যিনি ছাত্ররাজনীতির সাথে মূল রাজনীতিকেও মেলাতে সক্ষম। তার নেতৃত্বে ছাত্রদল শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় নয়, বরং সংগঠনের ভেতরেও নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রাখছে।
কর্মসূচি চলাকালে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আশেপাশের এলাকা শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা এক জায়গায় অবস্থান নেন, স্লোগান দেন এবং ব্যানার প্রদর্শন করেন। এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ের উপর সংক্ষিপ্ত বার্তা প্রদান করা হয়, যা জনসাধারণের মধ্যে দলীয় দৃঢ়তা ও ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দেয়।
এছাড়া, কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মীরা বলেন, “দেশের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং ভোটাধিকার সংক্রান্ত বর্তমান পরিস্থিতিতে ছাত্রসমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চাই আমাদের তরুণরা সচেতন হোক এবং গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার জন্য এগিয়ে আসুক।”
মুমিনুল ইসলাম জিসান কর্মসূচির শেষে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের ধন্যবাদ জানান এবং তাদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত ছাত্রদলের সংগ্রাম চলমান থাকবে। আমরা শুধু নেতৃত্বের নির্দেশ মেনে চলি না, বরং নিজের উদ্যোগে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশ নিই।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জিসানের নেতৃত্বে ছাত্রদল বর্তমানে এক নতুন দিকনির্দেশনা পেয়েছে। তরুণ নেতৃত্বের সক্রিয় অংশগ্রহণ, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষত নতুন প্রজন্মের নেতা-কর্মীদের উৎসাহ ও অংশগ্রহণ দলের শক্তি বহুগুণ বৃদ্ধি করছে।
মোটের ওপর, মুমিনুল ইসলাম জিসানের নেতৃত্বে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, রাজপথের রাজনৈতিক আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ছাত্রদল এখনও দৃঢ়ভাবে অগ্রভাগে রয়েছে। তার নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে সংহতি ও ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে।