দ্বীপ জেলা ভোলায় উন্নত চিকিৎসার অভাব একটি বড় সমস্যা, যার কারণে প্রতিনিয়ত রোগীর মৃত্যু হচ্ছে; বিশেষ করে চিকিৎসক, নার্স ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ব্যাপক ঘাটতি, বিচ্ছিন্ন ভৌগোলিক অবস্থান এবং আর্থিক সংকট রোগীদের সময়মতো চিকিৎসা পেতে বাধা দিচ্ছে, ফলে অনেক রোগী উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য জেলায় যেতে না পেরে বা মাঝপথে মারা যাচ্ছে। তাই ভোলায় একটি আধুনিক মানের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন ভোলা সমিতি।
ভোলা সমিতি,ঢাকার সহ-সভাপতি ও
ব্যবসায়ী জনাব মানছুর আহমেদ একটি আধুনিক মানের হাসপাতাল ভোলায় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
প্রাথমিকভাবে ৩০ বেডের একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল ভোলা জেলায় স্থাপন করা হবে। এখানে অতি দরিদ্রদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সহ স্বল্পমূল্যে রোগীদের সর্বক্ষণিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকবে।
হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের প্রাক আলোচনা ধারাবাহিকতায় ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে পূর্বাচলে মতবিনিময় এর
আয়োজন করা হয়।
আলোচনায় ভোলা সমিতি ঢাকার সভাপতি ও কুয়েটের ভিসি অধ্যাপক ড. মোঃ মাকসুদ হেলালী, সহ-সভাপতি জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী এটিএম মহিউদ্দিন ফারুক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইঞ্জিনিয়ার মো:একরাম উল্লাহ (জুলফিক), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক বাংলাদেশ বাণী পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক জনাব সাখাওয়াত হোসাইন হাওলাদার, জনাব শফিকুর রহমান ও
প্রকল্পের উপদেষ্টা জনাব গোলাম রাকিব রাজিব প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
ভোলা সমিতির সহ -সভাপতি মানছুর আহমেদ জানান- ভোলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা চরম সংকটে, যা দ্বীপটির বাসিন্দাদের জন্য জীবন-মরণের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে বিভিন্ন সময় পত্র-পত্রিকায় প্রতিবেদন দেখতে পাই, রোগী নিয়ে লঞ্চে করে ঢাকা কিংবা বরিশাল রওনা হলে মাঝপথে চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুবরণ করছেন। এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণের দাবিও বিভিন্ন সময়ে উত্থাপিত হলেও বিষয়টি উপেক্ষিত। তাই ভোলা সমিতির উদ্যোগে ৩০ বেডের একটি হাসপাতাল স্হাপন করার লক্ষ্য জেলার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করার পর অনেকেই এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
ভোলার সন্তান হিসেবে সামাজিক দায়বদ্ধতা হতে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য দেশে-বিদেশে সকলের সহযোগিতা কামনা করি।
রিয়াজ ফরাজী (ভোলা) 
























