সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয় কালিহাতীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তাসহ তিনজনের সাজা

  • খুলনা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৫:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬২৩ বার পড়া হয়েছে

খুলনায় অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)’র করা মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তাসহ তিনজনকে সাজা ও অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আশরাফুল ইসলাম এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মেসার্স আকবর আলী সন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রবিউল হক বিশ্বাস ও প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মো. শফিউল হক বিশ্বাস। তাদের দুজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ছয় কোটি ৫৮ লাখ ৬৪ হাজার ৯৬০ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের ঘোষণাও দিয়েছেন আদালত।
মামলার অপর আসামি নগরীর দৌলতপুর সোনালী ব্যাংক করপোরেট শাখার সাবেক কর্মকর্তা (অগ্রিম) এস এম ইমদাদুল হককে তিন বছরের সশ্রম কারদণ্ড, তিন হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণাকালে এস এম ইমদাদুল হক আদালতে উপস্থিত থাকলেও অন্য দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।
আদালতের নথির উদ্ধৃতি দিয়ে বেঞ্চ সহকারী মো. ইয়াছিন আলী জানান, মেসার্স আকবর আলী সন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রবিউল ইসলাম এবং চেয়ারম্যান মো. শফিউল হক বিশ্বাস পরস্পরের যোগসাজশ, অসৎ উদ্দেশ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সোনালী ব্যংক লিমিটেড থেকে ছয় কোটি ৫৮ লাখ ৬৪ হাজার ৯৬০ টাকা মূল্যের পাট আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলনার উপসহকারী পরিচালক মোহা. মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২০১৬ সালের ১১ নভেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপসহকারী পরিচালক মোহা. মোশাররফ হোসেন চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এদের মধ্যে আসামি সোহেল হোসেন জোয়াদ্দারের মৃত্যু হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

আদালত বিভিন্ন কার্যদিবসে মামলার শুনানি শেষে রায় দেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তাসহ তিনজনের সাজা

আপডেট সময় ০৫:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

খুলনায় অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)’র করা মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তাসহ তিনজনকে সাজা ও অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আশরাফুল ইসলাম এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মেসার্স আকবর আলী সন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রবিউল হক বিশ্বাস ও প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মো. শফিউল হক বিশ্বাস। তাদের দুজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ছয় কোটি ৫৮ লাখ ৬৪ হাজার ৯৬০ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের ঘোষণাও দিয়েছেন আদালত।
মামলার অপর আসামি নগরীর দৌলতপুর সোনালী ব্যাংক করপোরেট শাখার সাবেক কর্মকর্তা (অগ্রিম) এস এম ইমদাদুল হককে তিন বছরের সশ্রম কারদণ্ড, তিন হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণাকালে এস এম ইমদাদুল হক আদালতে উপস্থিত থাকলেও অন্য দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।
আদালতের নথির উদ্ধৃতি দিয়ে বেঞ্চ সহকারী মো. ইয়াছিন আলী জানান, মেসার্স আকবর আলী সন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রবিউল ইসলাম এবং চেয়ারম্যান মো. শফিউল হক বিশ্বাস পরস্পরের যোগসাজশ, অসৎ উদ্দেশ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সোনালী ব্যংক লিমিটেড থেকে ছয় কোটি ৫৮ লাখ ৬৪ হাজার ৯৬০ টাকা মূল্যের পাট আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলনার উপসহকারী পরিচালক মোহা. মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২০১৬ সালের ১১ নভেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপসহকারী পরিচালক মোহা. মোশাররফ হোসেন চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এদের মধ্যে আসামি সোহেল হোসেন জোয়াদ্দারের মৃত্যু হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

আদালত বিভিন্ন কার্যদিবসে মামলার শুনানি শেষে রায় দেন।