ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তাসহ তিনজনের সাজা

  • খুলনা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৫:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬৫৩ বার পড়া হয়েছে

খুলনায় অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)’র করা মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তাসহ তিনজনকে সাজা ও অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আশরাফুল ইসলাম এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মেসার্স আকবর আলী সন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রবিউল হক বিশ্বাস ও প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মো. শফিউল হক বিশ্বাস। তাদের দুজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ছয় কোটি ৫৮ লাখ ৬৪ হাজার ৯৬০ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের ঘোষণাও দিয়েছেন আদালত।
মামলার অপর আসামি নগরীর দৌলতপুর সোনালী ব্যাংক করপোরেট শাখার সাবেক কর্মকর্তা (অগ্রিম) এস এম ইমদাদুল হককে তিন বছরের সশ্রম কারদণ্ড, তিন হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণাকালে এস এম ইমদাদুল হক আদালতে উপস্থিত থাকলেও অন্য দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।
আদালতের নথির উদ্ধৃতি দিয়ে বেঞ্চ সহকারী মো. ইয়াছিন আলী জানান, মেসার্স আকবর আলী সন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রবিউল ইসলাম এবং চেয়ারম্যান মো. শফিউল হক বিশ্বাস পরস্পরের যোগসাজশ, অসৎ উদ্দেশ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সোনালী ব্যংক লিমিটেড থেকে ছয় কোটি ৫৮ লাখ ৬৪ হাজার ৯৬০ টাকা মূল্যের পাট আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলনার উপসহকারী পরিচালক মোহা. মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২০১৬ সালের ১১ নভেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপসহকারী পরিচালক মোহা. মোশাররফ হোসেন চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এদের মধ্যে আসামি সোহেল হোসেন জোয়াদ্দারের মৃত্যু হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

আদালত বিভিন্ন কার্যদিবসে মামলার শুনানি শেষে রায় দেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তাসহ তিনজনের সাজা

আপডেট সময় ০৫:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

খুলনায় অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)’র করা মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তাসহ তিনজনকে সাজা ও অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আশরাফুল ইসলাম এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মেসার্স আকবর আলী সন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রবিউল হক বিশ্বাস ও প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মো. শফিউল হক বিশ্বাস। তাদের দুজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ছয় কোটি ৫৮ লাখ ৬৪ হাজার ৯৬০ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের ঘোষণাও দিয়েছেন আদালত।
মামলার অপর আসামি নগরীর দৌলতপুর সোনালী ব্যাংক করপোরেট শাখার সাবেক কর্মকর্তা (অগ্রিম) এস এম ইমদাদুল হককে তিন বছরের সশ্রম কারদণ্ড, তিন হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণাকালে এস এম ইমদাদুল হক আদালতে উপস্থিত থাকলেও অন্য দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।
আদালতের নথির উদ্ধৃতি দিয়ে বেঞ্চ সহকারী মো. ইয়াছিন আলী জানান, মেসার্স আকবর আলী সন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রবিউল ইসলাম এবং চেয়ারম্যান মো. শফিউল হক বিশ্বাস পরস্পরের যোগসাজশ, অসৎ উদ্দেশ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সোনালী ব্যংক লিমিটেড থেকে ছয় কোটি ৫৮ লাখ ৬৪ হাজার ৯৬০ টাকা মূল্যের পাট আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলনার উপসহকারী পরিচালক মোহা. মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২০১৬ সালের ১১ নভেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপসহকারী পরিচালক মোহা. মোশাররফ হোসেন চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এদের মধ্যে আসামি সোহেল হোসেন জোয়াদ্দারের মৃত্যু হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

আদালত বিভিন্ন কার্যদিবসে মামলার শুনানি শেষে রায় দেন।