ঢাকা ১২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গোপালগঞ্জে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পিতার জানাজায় আওয়ামী লীগ নেতা  নগর গুলিস্তান স্টপওভার বাস-মিনিবাস টার্মিনাল শ্রমিক পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত গাজায় ধসে পড়া ভবনের নিচ থেকে ১৯ মরদেহ উদ্ধার দাম বাড়ানোর পর দেশে আজ সোনার ভরি কত? কক্সবাজারের মাতারবাড়ী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বেরোবির শিক্ষার্থীদের ‘দরিচা’, বিহারি নারীদের দক্ষতায় খুলছে সম্ভাবনার নতুন জানালা সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারকে ৩ মাসের আল্টিমেটাম চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভারতীয় জাল টাকা তৈরির কারখানায় র‍্যাব-৫ এর অভিযান আটক ২  পঞ্চগড়ে ২৬৪-এর নবনির্বাচিত কমিটিকে সংবর্ধনা রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

ইথিওপিয়ায় লাইনচ্যুত হয়ে দুই ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ১৫

পূর্ব আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার সময় যাত্রীদের অনেকেই জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়ে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করেন। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, গত সোমবার রাতে ইথিওপিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শিনিলে শহরের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় টিভি চ্যানেল ডায়র টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, চলন্ত ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়ে থেমে থাকা আরেকটি ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কা খায়। আর এতেই হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। এদিকে দুর্ঘটনায় আহতের সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় ২৭ থেকে ২৯ জন আহত হয়েছেন। প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ট্রেনের কয়েকটি বগি উল্টে পড়ে আছে, কিছু বগি সম্পূর্ণভাবে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে।

জেলাপ্রশাসক জিবরিল ওমর বিবিসিকে জানান, ট্রেনের জীর্ণশীর্ণ অবস্থা ও অতিরিক্ত যাত্রী ও পণ্য বহন করাই দুর্ঘটনার মূল কারণ। তিনি বলেন, “ট্রেনটি অনেক পুরোনো, ভারী বোঝা টানার সক্ষমতা নেই। অতিরিক্ত বোঝা বহনই ছিল দুর্ঘটনার বড় কারণ।” তিনি আরও জানান, ট্রেনটিতে যাত্রীদের পাশাপাশি চাল, পাস্তা, ভোজ্যতেলসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্যও ছিল। বেশিরভাগ যাত্রী ছিলেন তরুণ এবং দুর্ঘটনার পর তারা জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়ে বেঁচে গেছেন। ট্রেনটি দেভেলে শহর থেকে দিরে দাওয়া শহরের দিকে যাচ্ছিল বলেও তিনি জানান।

সোমালি আঞ্চলিক সরকারের মুখপাত্র মোহাম্মদ আদম বলেন, নিহত ও আহতদের সবাইকে দুর্ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্তে ইতোমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ইথিওপিয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনা তুলনামূলক বিরল। আফ্রিকার দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল এই দেশের সোমালি অঞ্চল অন্যতম বৃহত্তম প্রশাসনিক এলাকা এবং সেখানে প্রধানত সোমালি জাতিগোষ্ঠীর মানুষই বসবাস করে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপালগঞ্জে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পিতার জানাজায় আওয়ামী লীগ নেতা 

ইথিওপিয়ায় লাইনচ্যুত হয়ে দুই ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ১৫

আপডেট সময় ১০:৫৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

পূর্ব আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার সময় যাত্রীদের অনেকেই জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়ে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করেন। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, গত সোমবার রাতে ইথিওপিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শিনিলে শহরের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় টিভি চ্যানেল ডায়র টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, চলন্ত ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়ে থেমে থাকা আরেকটি ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কা খায়। আর এতেই হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। এদিকে দুর্ঘটনায় আহতের সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় ২৭ থেকে ২৯ জন আহত হয়েছেন। প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ট্রেনের কয়েকটি বগি উল্টে পড়ে আছে, কিছু বগি সম্পূর্ণভাবে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে।

জেলাপ্রশাসক জিবরিল ওমর বিবিসিকে জানান, ট্রেনের জীর্ণশীর্ণ অবস্থা ও অতিরিক্ত যাত্রী ও পণ্য বহন করাই দুর্ঘটনার মূল কারণ। তিনি বলেন, “ট্রেনটি অনেক পুরোনো, ভারী বোঝা টানার সক্ষমতা নেই। অতিরিক্ত বোঝা বহনই ছিল দুর্ঘটনার বড় কারণ।” তিনি আরও জানান, ট্রেনটিতে যাত্রীদের পাশাপাশি চাল, পাস্তা, ভোজ্যতেলসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্যও ছিল। বেশিরভাগ যাত্রী ছিলেন তরুণ এবং দুর্ঘটনার পর তারা জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়ে বেঁচে গেছেন। ট্রেনটি দেভেলে শহর থেকে দিরে দাওয়া শহরের দিকে যাচ্ছিল বলেও তিনি জানান।

সোমালি আঞ্চলিক সরকারের মুখপাত্র মোহাম্মদ আদম বলেন, নিহত ও আহতদের সবাইকে দুর্ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্তে ইতোমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ইথিওপিয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনা তুলনামূলক বিরল। আফ্রিকার দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল এই দেশের সোমালি অঞ্চল অন্যতম বৃহত্তম প্রশাসনিক এলাকা এবং সেখানে প্রধানত সোমালি জাতিগোষ্ঠীর মানুষই বসবাস করে।