ঢাকা ১২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চলে গেলেন চিত্রনায়িকা পপির মা মরিয়ম বেগম ঊর্ধ্বমুখী সূচকে চলছে পুঁজিবাজারের লেনদেন রাবি শিক্ষকের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ ছাত্রদল নেতা বুলবুলের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজারে মাদকবিরোধী অভিযানে ৮ জনকে কারাদণ্ড পেট্রোবাংলার পরিচালক মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ রোববার নতুন বেতনকাঠামোয় বেতন, অনিশ্চিত বর্ধিত অর্থ বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, প্রত্যাহার এসআই আনছার আলী নির্বাচনে হেরে দেশ ছাড়লেন বলসোনারো, পরিবারকে ভিসা দেবে যুক্তরাষ্ট্র ডিএসসিসির জোন-৯ এ জালিয়াতি চক্রের মূল হোতা নুরুল ইসলাম, টাকার বিনিময়ে মিলছে ভুয়া জন্মসনদ ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব, ৮ জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

শেখ হাসিনা নিরপরাধ—মনে করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলায় আসামিদের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন।
তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি শেখ হাসিনা একজন নিরপরাধ ব্যক্তি। তার বিরুদ্ধে যেসব চার্জ আনা হয়েছে, তা সঠিক নয়। সাক্ষ্য-প্রমাণেও এসব প্রমাণ করতে সক্ষম হননি প্রসিকিউশন।
অতএব তারা দুজনই খালাস পাবেন বলে আমার প্রত্যাশা।’

সোমবার (২০ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনজীবী মো. আমির হোসেন এসব কথা বলেন। এদিন চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১-এ শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন আমির হোসেন। আসামিদের সঙ্গে যোগাযোগ হয় কি না, প্রশ্নে আমির হোসেন বলেন, ‘না, শেখ হাসিনা বা কামালের সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ হয়নি।

আপনারা বারবার জিজ্ঞেস করেন যোগাযোগ হয়েছে কি না। কিন্তু আইনগতভাবে যোগাযোগের কোনো সুযোগ বা নিয়ম নেই। উনি (শেখ হাসিনা) যদি স্বেচ্ছায় আসেন বা ধরা দেন, তখনই কেবল যোগাযোগ করা সম্ভব। তবে আমার আর্গুমেন্ট আরো আছে।
আজ সব বলিনি। পরদিন বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করব।’
গত ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন প্রসিকিউশন। ওই দিন হাসিনা-কামালের চরম দণ্ড (মৃত্যুদণ্ড) চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানান চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। একই সঙ্গে রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়ায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের শাস্তির বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দেন তিনি।

টানা পাঁচ দিনের যুক্তিতর্কে একাত্তর-পরবর্তী আওয়ামী লীগের ইতিহাসসহ ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত শেখ হাসিনার সরকারের শাসনামলের চিত্র তুলে ধরেন তিনি। গুম-খুন, হত্যাযজ্ঞের বর্ণনাও দেন। এ ছাড়া এ মামলায় গুরুত্বের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলে গেলেন চিত্রনায়িকা পপির মা মরিয়ম বেগম

শেখ হাসিনা নিরপরাধ—মনে করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী

আপডেট সময় ০৫:২১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলায় আসামিদের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন।
তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি শেখ হাসিনা একজন নিরপরাধ ব্যক্তি। তার বিরুদ্ধে যেসব চার্জ আনা হয়েছে, তা সঠিক নয়। সাক্ষ্য-প্রমাণেও এসব প্রমাণ করতে সক্ষম হননি প্রসিকিউশন।
অতএব তারা দুজনই খালাস পাবেন বলে আমার প্রত্যাশা।’

সোমবার (২০ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনজীবী মো. আমির হোসেন এসব কথা বলেন। এদিন চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১-এ শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন আমির হোসেন। আসামিদের সঙ্গে যোগাযোগ হয় কি না, প্রশ্নে আমির হোসেন বলেন, ‘না, শেখ হাসিনা বা কামালের সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ হয়নি।

আপনারা বারবার জিজ্ঞেস করেন যোগাযোগ হয়েছে কি না। কিন্তু আইনগতভাবে যোগাযোগের কোনো সুযোগ বা নিয়ম নেই। উনি (শেখ হাসিনা) যদি স্বেচ্ছায় আসেন বা ধরা দেন, তখনই কেবল যোগাযোগ করা সম্ভব। তবে আমার আর্গুমেন্ট আরো আছে।
আজ সব বলিনি। পরদিন বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করব।’
গত ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন প্রসিকিউশন। ওই দিন হাসিনা-কামালের চরম দণ্ড (মৃত্যুদণ্ড) চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানান চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। একই সঙ্গে রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়ায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের শাস্তির বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দেন তিনি।

টানা পাঁচ দিনের যুক্তিতর্কে একাত্তর-পরবর্তী আওয়ামী লীগের ইতিহাসসহ ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত শেখ হাসিনার সরকারের শাসনামলের চিত্র তুলে ধরেন তিনি। গুম-খুন, হত্যাযজ্ঞের বর্ণনাও দেন। এ ছাড়া এ মামলায় গুরুত্বের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন।