ঢাকা ০৫:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে ৩০০ শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ নরসিংদীতে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেফতার ৪৯ বগুড়ার সাব-রেজিস্ট্রার অনিমেষ পালের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ গ্যাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আর কত দিন লাগবে, জানালেন জ্বালানি মন্ত্রী গ্যাসের দাম এক টাকাও বাড়ালে সরকার টিকতে পারবে না : নাহিদ ইসলাম শিবির করায় ববির এক চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীকে ছাত্রদলের মারধর, অতঃপর চাকরিচ্যুত জুলাই দিবস পালন শেষে জাজিরা উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন ১২ হাজার টাকার ঋণ, ১৩ লাখ টাকার মামলা; বালিয়াডাঙ্গীতে গ্রেপ্তার সুদ ব্যবসায়ী কুমিল্লায় সোহান হত্যা মামলায় বৃদ্ধ মিজানুর রহমানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নওগাঁয় এআই কানেক্টেড ক্যামেরার সুফল: যশোরে স্পেশাল ড্রাইভে স্বর্ণ ছিনতাইকারী গ্রেফতার
প্রতিষ্ঠার ১৭ বছর পূর্তি

উপাচার্য ড. শওকত আলীর নেতৃত্বে নবদিগন্তের পথে

  • মোঃ ইউসুফ
  • আপডেট সময় ০৮:৩১:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭২৯ বার পড়া হয়েছে

১৭ বছর দৃষ্টিভঙ্গি, স্থিতিস্থাপকতা এবং রূপান্তরের একটি যাত্রা। ২০০৮ সালের ১২ অক্টোবর যাত্রা শুরু করা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর (বেরোবি) আজ পূর্ণ করল তার প্রতিষ্ঠার ১৭ বছর। উত্তরের প্রত্যন্ত জনপদে উচ্চশিক্ষা বিস্তারের প্রত্যয়ে যাত্রা শুরু করা এ প্রতিষ্ঠানটি আজ উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য এক আশার আলো। আর এই দীর্ঘ পথচলার সর্বশেষ অধ্যায়ে যিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির নেতৃত্বে আছেন, তিনি হলেন মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকত আলী। তিনি একজন শিক্ষাবিদ, গবেষক ও দূরদৃষ্টি সম্পন্ন প্রশাসক।
আজকের এই মাহেন্দ্রক্ষণে যখন আমরা পিছনে ফিরে তাকাই, তখন দেখতে পাই—সংগ্রামের দীর্ঘ পথ, সীমাবদ্ধতার আবরণ, তবে তার মাঝেই একের পর এক অর্জনের ধারা। আর বর্তমান প্রশাসনের নেতৃত্বে সেই অর্জনের গতি পেয়েছে নতুন মাত্রা।
প্রফেসর ড. মো. শওকত আলী ২০২৪ সালের শেষভাগে ১৮ সেপ্টেম্বর উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেন। তার নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা স্থবিরতা দূর হয়েছে, পুনরুজ্জীবিত হয়েছে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম।
অফিসে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা থেকে শুরু করে বিভাগ ও অনুষদসমূহের কার্যক্রমে গতি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে নেয়া হয়েছে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ। পূর্বের তুলনায় শিক্ষকদের গবেষণায় অংশগ্রহণ বেড়েছে, বিভিন্ন সেমিনার, কর্মশালা ও একাডেমিক কার্যক্রমে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
বর্তমান প্রশাসনের অন্যতম লক্ষ্য হলো একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব এবং শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলা। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই ড. শওকত আলীর নেতৃত্বে শুরু হয়েছে অবকাঠামোগত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের এক নতুন অধ্যায়।
ক্যাম্পাসে নির্মিত হয়েছে একাডেমিক ভবন সম্প্রসারণ এর কাজ, লাইব্রেরির সম্প্রসারণ কাজ চলছে, আধুনিক ছাত্রী হল নির্মাণের কাজ প্রক্রিয়াধীন। Wi-Fi সুবিধা সম্প্রসারণ, ডিজিটাল ক্লাসরুমের সংখ্যা বাড়ানো এবং ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার জন্য গৃহীত হয়েছে একাধিক কার্যক্রম।
শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ক্যাম্পাসে পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং চিকিৎসা সেবা সহজলভ্য করতে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে আরও আধুনিক সরঞ্জাম সংযোজনের উদ্যোগও গৃহীত হয়েছে।
একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত পরিচয় নির্ধারিত হয় তার গবেষণায়। ড. শওকত আলী দায়িত্ব নেওয়ার পর গবেষণায় উৎসাহ দিতে নিয়মিত সেমিনারের আয়োজন করছেন। শিক্ষকদের গবেষণাপত্র প্রকাশে অনুদান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং ই-জার্নাল অ্যাক্সেসের মাধ্যমে গবেষণাকে করে তোলা হয়েছে আরও উন্মুক্ত।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে পঠন-পাঠনে নতুন পাঠ্যক্রম সংযোজন, কারিকুলামের হালনাগাদ এবং শিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণে শুরু হয়েছে নতুন উদ্যোগ। বিশেষভাবে শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন এবং সফট স্কিল উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।
ড. শওকত আলীর প্রশাসন বরাবরই শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে এসেছে। শিক্ষার্থীদের আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, মানসিক স্বাস্থ্য, আর্থিক সহায়তা ইত্যাদি বিষয়ে নিয়মিত পরামর্শ সভা এবং কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে বর্তমান প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো চালু হয়েছে “স্টুডেন্ট কেয়ার ইউনিট”, যেখানে শিক্ষার্থীরা সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারেন এবং দ্রুত সমাধান পান। এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে এনেছে এবং প্রশাসনের সঙ্গে সংযোগ দৃঢ় করেছে।
বর্তমান উপাচার্যের অন্যতম লক্ষ্য হলো বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের উত্তরাঞ্চলের গণ্ডি পেরিয়ে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিয়ে যাওয়া। একাডেমিক কার্যক্রমের সম্প্রসারণ, নতুন বিভাগ খোলা এবং আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যৌথ গবেষণা ও শিক্ষার্থী বিনিময় প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে।
বেরোবিতে একটি ইনোভেশন সেন্টার ও স্টার্টআপ ইনকিউবেটর চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারবে।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ বছরের পথচলা নিঃসন্দেহে একটি গর্বের বিষয়। এই পথচলায় যেমন ছিল সংগ্রাম, তেমনি ছিল অর্জনের গল্প। বর্তমান উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকত আলীর এক বছরের নেতৃত্বে সেই অর্জনের ধারায় যুক্ত হয়েছে নতুন মাত্রা। তার দূরদৃষ্টি, দায়িত্বশীলতা এবং আধুনিক মানসিকতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নিচ্ছে একটি স্থিতিশীল, সৃজনশীল ও টেকসই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিকে। এই ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের প্রত্যাশা বিশ্ববিদ্যালয় তার পূর্ণ সম্ভাবনা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবে, শিক্ষার আলো পৌঁছে দেবে আরও বিস্তৃত পরিসরে। আর এই যাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন এমনই একজন যিনি শুধু প্রশাসক নন, বরং একজন দিশারী উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকত আলী।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, বেরোবি

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে ৩০০ শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ

প্রতিষ্ঠার ১৭ বছর পূর্তি

উপাচার্য ড. শওকত আলীর নেতৃত্বে নবদিগন্তের পথে

আপডেট সময় ০৮:৩১:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

১৭ বছর দৃষ্টিভঙ্গি, স্থিতিস্থাপকতা এবং রূপান্তরের একটি যাত্রা। ২০০৮ সালের ১২ অক্টোবর যাত্রা শুরু করা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর (বেরোবি) আজ পূর্ণ করল তার প্রতিষ্ঠার ১৭ বছর। উত্তরের প্রত্যন্ত জনপদে উচ্চশিক্ষা বিস্তারের প্রত্যয়ে যাত্রা শুরু করা এ প্রতিষ্ঠানটি আজ উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য এক আশার আলো। আর এই দীর্ঘ পথচলার সর্বশেষ অধ্যায়ে যিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির নেতৃত্বে আছেন, তিনি হলেন মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকত আলী। তিনি একজন শিক্ষাবিদ, গবেষক ও দূরদৃষ্টি সম্পন্ন প্রশাসক।
আজকের এই মাহেন্দ্রক্ষণে যখন আমরা পিছনে ফিরে তাকাই, তখন দেখতে পাই—সংগ্রামের দীর্ঘ পথ, সীমাবদ্ধতার আবরণ, তবে তার মাঝেই একের পর এক অর্জনের ধারা। আর বর্তমান প্রশাসনের নেতৃত্বে সেই অর্জনের গতি পেয়েছে নতুন মাত্রা।
প্রফেসর ড. মো. শওকত আলী ২০২৪ সালের শেষভাগে ১৮ সেপ্টেম্বর উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেন। তার নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা স্থবিরতা দূর হয়েছে, পুনরুজ্জীবিত হয়েছে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম।
অফিসে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা থেকে শুরু করে বিভাগ ও অনুষদসমূহের কার্যক্রমে গতি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে নেয়া হয়েছে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ। পূর্বের তুলনায় শিক্ষকদের গবেষণায় অংশগ্রহণ বেড়েছে, বিভিন্ন সেমিনার, কর্মশালা ও একাডেমিক কার্যক্রমে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
বর্তমান প্রশাসনের অন্যতম লক্ষ্য হলো একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব এবং শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলা। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই ড. শওকত আলীর নেতৃত্বে শুরু হয়েছে অবকাঠামোগত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের এক নতুন অধ্যায়।
ক্যাম্পাসে নির্মিত হয়েছে একাডেমিক ভবন সম্প্রসারণ এর কাজ, লাইব্রেরির সম্প্রসারণ কাজ চলছে, আধুনিক ছাত্রী হল নির্মাণের কাজ প্রক্রিয়াধীন। Wi-Fi সুবিধা সম্প্রসারণ, ডিজিটাল ক্লাসরুমের সংখ্যা বাড়ানো এবং ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার জন্য গৃহীত হয়েছে একাধিক কার্যক্রম।
শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ক্যাম্পাসে পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং চিকিৎসা সেবা সহজলভ্য করতে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে আরও আধুনিক সরঞ্জাম সংযোজনের উদ্যোগও গৃহীত হয়েছে।
একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত পরিচয় নির্ধারিত হয় তার গবেষণায়। ড. শওকত আলী দায়িত্ব নেওয়ার পর গবেষণায় উৎসাহ দিতে নিয়মিত সেমিনারের আয়োজন করছেন। শিক্ষকদের গবেষণাপত্র প্রকাশে অনুদান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং ই-জার্নাল অ্যাক্সেসের মাধ্যমে গবেষণাকে করে তোলা হয়েছে আরও উন্মুক্ত।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে পঠন-পাঠনে নতুন পাঠ্যক্রম সংযোজন, কারিকুলামের হালনাগাদ এবং শিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণে শুরু হয়েছে নতুন উদ্যোগ। বিশেষভাবে শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন এবং সফট স্কিল উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।
ড. শওকত আলীর প্রশাসন বরাবরই শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে এসেছে। শিক্ষার্থীদের আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, মানসিক স্বাস্থ্য, আর্থিক সহায়তা ইত্যাদি বিষয়ে নিয়মিত পরামর্শ সভা এবং কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে বর্তমান প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো চালু হয়েছে “স্টুডেন্ট কেয়ার ইউনিট”, যেখানে শিক্ষার্থীরা সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারেন এবং দ্রুত সমাধান পান। এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে এনেছে এবং প্রশাসনের সঙ্গে সংযোগ দৃঢ় করেছে।
বর্তমান উপাচার্যের অন্যতম লক্ষ্য হলো বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের উত্তরাঞ্চলের গণ্ডি পেরিয়ে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিয়ে যাওয়া। একাডেমিক কার্যক্রমের সম্প্রসারণ, নতুন বিভাগ খোলা এবং আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যৌথ গবেষণা ও শিক্ষার্থী বিনিময় প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে।
বেরোবিতে একটি ইনোভেশন সেন্টার ও স্টার্টআপ ইনকিউবেটর চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারবে।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ বছরের পথচলা নিঃসন্দেহে একটি গর্বের বিষয়। এই পথচলায় যেমন ছিল সংগ্রাম, তেমনি ছিল অর্জনের গল্প। বর্তমান উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকত আলীর এক বছরের নেতৃত্বে সেই অর্জনের ধারায় যুক্ত হয়েছে নতুন মাত্রা। তার দূরদৃষ্টি, দায়িত্বশীলতা এবং আধুনিক মানসিকতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নিচ্ছে একটি স্থিতিশীল, সৃজনশীল ও টেকসই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিকে। এই ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের প্রত্যাশা বিশ্ববিদ্যালয় তার পূর্ণ সম্ভাবনা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবে, শিক্ষার আলো পৌঁছে দেবে আরও বিস্তৃত পরিসরে। আর এই যাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন এমনই একজন যিনি শুধু প্রশাসক নন, বরং একজন দিশারী উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকত আলী।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, বেরোবি