নাটোরের বড়াইগ্রামের বনপাড়ায় চাঞ্চল্যকর শফি ইঞ্জিনিয়ারের স্ত্রী মমতাজ বেগমকে মুখমণ্ডল থেঁতলে হত্যা রহস্য তিনদিনের মধ্যে উদঘাটন। বড়াইগ্রাম থানা পুলিশের চৌকস টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকান্ডে সরাসরি জড়িত সরদার পাড়ার শহিনুজ্জামান শাহিনের মেয়ে ফাউজিয়াকে আটক করে। বনপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের এসআই শামীম ও এএসআই রাজিব দ্রুত সময়ের মধ্যে এই হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করে। জানা যায় নিহত মমতাজ বেগমের গহনার জন্যই ফাউজিয়া এ ঘটনা ঘটায়। গহনা বিক্রী করে বুধবার রাত ১১ দিকে পালিয়ে যাবার সময় নাটোর হরিশপুর বাসষ্ট্যান্ড থেকে ফাউজিয়া সহ তার কথিত স্বামী মিনারুলকেও আটক করে।
উল্লেখ্য, প্রায় এক যুগ আগে মমতাজ বেগমের স্বামীর মারা যান। তখন থেকেই তিনি বাড়িতে একা বসবাস করতেন। দুজন গৃহকর্মী মমতাজ বেগমকে দেখাশোনা করতেন। রবিবার রাতে গৃহকর্মী আবু শামা মসজিদে এশার নামাজ শেষে বাড়িতে ফিরে দেখেন মমতাজ বেগম রক্তাক্ত অবস্থায় নিজ ঘরের মেঝেতে পড়ে আছেন, তাঁর মুখমণ্ডল থেঁতলানো। পরে তিনি চিৎকার দিলে প্রতিবেশী আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়রা মমতাজ বেগমকে উদ্ধার করে স্থানীয় বেসরকারি একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মুঞ্জুরুল হক সুজন,নাটোর 























