ঢাকা ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সব মামলা বাতিল সাজাপ্রাপ্ত ও অভিযুক্তরা মুক্ত

একইসঙ্গে তিনটি নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদন করল উপদেষ্টা পরিষদ

  • মোআলামিন হোসেন
  • আপডেট সময় ০৭:২৩:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬২৭ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত— ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে দায়ের হওয়া সব মামলা বাতিল ঘোষণা করেছে সরকার। ফলে এ আইনে সাজাপ্রাপ্ত ও অভিযুক্ত সবাই অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব সাংবাদিকদের জানান, “২০১৮ সালের ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের অধীনে হওয়া সব মামলা সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে কারাবন্দি, অভিযুক্ত এবং চলমান মামলার আসামিরা সবাই মুক্তি পাচ্ছেন।”

এদিন উপদেষ্টা পরিষদ শুধু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; তথ্য-প্রযুক্তি খাতে যুগোপযোগী রূপান্তর আনতে ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫’, ‘ব্যক্তিগত ডাটা সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫’ এবং ‘জাতীয় উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫’ অনুমোদন করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এসব নতুন অধ্যাদেশ কার্যকর হলে নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য ও অনলাইন নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী ও স্বচ্ছ আইনি কাঠামোর আওতায় আসবে।

একইসঙ্গে এই সিদ্ধান্তকে অনেকে ‘ডিজিটাল স্বাধীনতার নতুন অধ্যায়’ হিসেবে অভিহিত করছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সব মামলা বাতিল সাজাপ্রাপ্ত ও অভিযুক্তরা মুক্ত

একইসঙ্গে তিনটি নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদন করল উপদেষ্টা পরিষদ

আপডেট সময় ০৭:২৩:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত— ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে দায়ের হওয়া সব মামলা বাতিল ঘোষণা করেছে সরকার। ফলে এ আইনে সাজাপ্রাপ্ত ও অভিযুক্ত সবাই অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব সাংবাদিকদের জানান, “২০১৮ সালের ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের অধীনে হওয়া সব মামলা সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে কারাবন্দি, অভিযুক্ত এবং চলমান মামলার আসামিরা সবাই মুক্তি পাচ্ছেন।”

এদিন উপদেষ্টা পরিষদ শুধু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; তথ্য-প্রযুক্তি খাতে যুগোপযোগী রূপান্তর আনতে ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫’, ‘ব্যক্তিগত ডাটা সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫’ এবং ‘জাতীয় উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫’ অনুমোদন করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এসব নতুন অধ্যাদেশ কার্যকর হলে নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য ও অনলাইন নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী ও স্বচ্ছ আইনি কাঠামোর আওতায় আসবে।

একইসঙ্গে এই সিদ্ধান্তকে অনেকে ‘ডিজিটাল স্বাধীনতার নতুন অধ্যায়’ হিসেবে অভিহিত করছেন।