ঢাকা ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিংড়ায় সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ৬৫টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার ও ধ্বংস

সিংড়ায় সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ৬৫টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার ও ধ্বংস সোমবার -৬ অক্টোবর( ২০২৫) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার বড় হরিপুর গ্রামে সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযান পরিচালনায় মোট ৬৫ টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার করা হয় এবং উদ্ধারকৃত জাল গুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১,৯৫,০০০ টাকা।

উদ্ধারকৃত সব অবৈধ জাল গুলো ঘটনাস্থলেই আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। উল্লেখ,দেশের জলজ জীববৈচিত্র ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এবং মাছের প্রজননে বাধা সৃষ্টি করে,এমন অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।

অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: লুৎফর রহমান।  প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় “এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধভাবে মাছ ধরার বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।”

স্থানীয় সচেতন জনগন এ ধরনের কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং সরকারের এমন পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সেনাবাহিনীর এমন যৌথ অভিযান স্থানীয় এলাকাবাসী ও মৎস্যজীবীদের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই বলেছেন, এ ধরনের উদ্যোগ নিয়মিত হলে নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি সমৃদ্ধ মৎস্যসম্পদ লাভ করবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিংড়ায় সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ৬৫টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার ও ধ্বংস

আপডেট সময় ১২:১৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

সিংড়ায় সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ৬৫টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার ও ধ্বংস সোমবার -৬ অক্টোবর( ২০২৫) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার বড় হরিপুর গ্রামে সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযান পরিচালনায় মোট ৬৫ টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার করা হয় এবং উদ্ধারকৃত জাল গুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১,৯৫,০০০ টাকা।

উদ্ধারকৃত সব অবৈধ জাল গুলো ঘটনাস্থলেই আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। উল্লেখ,দেশের জলজ জীববৈচিত্র ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এবং মাছের প্রজননে বাধা সৃষ্টি করে,এমন অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।

অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: লুৎফর রহমান।  প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় “এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধভাবে মাছ ধরার বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।”

স্থানীয় সচেতন জনগন এ ধরনের কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং সরকারের এমন পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সেনাবাহিনীর এমন যৌথ অভিযান স্থানীয় এলাকাবাসী ও মৎস্যজীবীদের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই বলেছেন, এ ধরনের উদ্যোগ নিয়মিত হলে নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি সমৃদ্ধ মৎস্যসম্পদ লাভ করবে।