নাটোর ৪ আসনে দেশ নায়ক তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতৃবৃন্দ আজ ছুটে যাচ্ছে হাটবাজারে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা। নবীন ও প্রবীণ মিলিয়ে একাধিক প্রার্থী ইতোমধ্যেই মাঠে নেমেছেন।
যারা সম্ভাব্য প্রার্থী হতে যাচ্ছে তাদের মধ্যে অ্যাডভোকেট জন গমেজ একজন যোগ্য মনোনয়ন প্রত্যাশী। তিনি বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয় সহ সম্পাদক। অ্যাডভোকেট জন গমেজের পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচয়, তিনি বাংলাদেশের প্রথম খ্রিস্টান বিএনপি পরিবার হিসেবে পরিচিত। বাবা চাঁন্দু গমেজ জোনাইল ইউনিয়ন বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য। জন গমেজ ২০১৮ সালের নির্বাচনে ধানের শীষে প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়ে ছিলেন। তিনি ২০১৮ সালে ১০ সেপ্টেম্বর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শাহবাগ থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে এবং ১১ নভেম্বর ৬০ দিন কারাভোগের পর কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে মুক্তি পায়। ২০২২ সালে ৮ ডিসেম্বর দলীয় দায়িত্ব পালন শেষে চেয়ারপারসনের অফিস থেকে বের হলে গুলশান থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেন, এবং ২০২৩ সালে ২৫ জানুয়ারি ৫০ দিন কারাভোগের পর কাশেমপুর ১ কারাগার থেকে মুক্তি পান। তিনি একজন ভালো ও সৎ মানুষ হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তিনি মানুষদের সাথে নিয়ে, তাদের পরামর্শ ও মতামত নিয়ে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে এলাকার উন্নয়ন করতে চায়।
বড়াইগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ও বর্তমান নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য ,অ্যাডভোকেট কাদের মিয়া বিএনপির দূরদিনে স্বৈরাচারীর আওয়ামী লীগের দুঃশাসনে দলকে ১৫ বছর সুসংগঠিত রাখার চেষ্টা করেছে, দলের মধ্যে কোন বিভেদ সৃষ্টি করতে দেয়নি, তিনি একজন সাহসী সহজ সরল রাজনীতিবিদ, অ্যাডভোকেট কাদের মিয়া নাটোর কোর্টের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল পিপি । রাজনীতি নেতৃবৃন্দদের নাটোর কোট চত্বরে বন্ধুর মতো আচরণের জ্বলন্ত উদাহরণ আছে। তিনি একজন মনোনয়ন প্রত্যাশী।
গুরুদাসপুর এর রাজনীতির অঙ্গনে ১ কিংবদন্তি নেতা আব্দুল আজিজ, তিনি পারিবারিক ভাবে গড়ে ওঠা রাজপথের লড়াকু সৈনিক, জেল নির্যাতনের স্বীকার রাজপথে কাঁপিয়ে ওঠা সেই রণাঙ্গনে নেতা আব্দুল আজিজ, তিনি গুরদাসপুর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেক গুরুদাসপুর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি বর্তমানে তিনি নাটোর জেলা বিএনপি’র ১ নং যুগ্ন আহবায়ক, ২০১৮ সালে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রার্থী হয়েছিল। বর্তমানে তিনি আবার মনোনয়নের প্রত্যাশী।
বড়াইগ্রাম উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ সানাউল্লাহ নূর বাবুর সহধর্মিনী দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার বিশ্বস্ত মানুষ মহুয়া নূর কচি, তিনি দেশ নায়ক তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের বড়াইগ্রাম গুরুদাসপুর উপজেলার পথে ঘাটে ছুটে বেড়ায় মানুষের মাঝে,তিনিও মনোনয়ন প্রত্যাশী।
তালিকায় আরো রয়েছেন ব্যারিস্টার আবু হেনা মোস্তফা কামাল রন্জু। তিনি নাটোর-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোজাম্মেল হকের পুত্র। বাবার মৃত্যুর পর রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপির হাই কমান্ড তার প্রতিও নজর দিতে পারে।
মনোনয়নের দৌড়ে আছেন বড়াইগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুল আলম রনি। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা বেশি। স্থানীয়দের একটি বড় অংশ চান, রনি যেন আগামী নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে তাদের প্রতিনিধিত্ব করেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতোমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে—নাটোর-৪ আসনে নবীন-প্রবীণ মিলিয়ে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে কারা এগিয়ে থাকবেন।
মো. এস এম আয়নুল হক , রাজশাহী 




















